জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গাইবান্ধা জেলা ও ফলছড়ি উপজেলা সমন্বয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ ঘোষণার পরই দুই নেতা তাদের পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতির ঘোষণা দিয়েছেন।
সোমবার (১৬ জুন) গাইবান্ধা জেলা সমন্বয় কমিটির সদস্য আল শাহাদৎ জামান জিকো তার ফেসবুক আইডিতে পদত্যাগ ঘোষণা দেন।
তিনি তার পোস্টের শেষদিকে লিখেছেন- সকলের প্রতি সম্মান রেখে কারো প্রতি কোন অভিযোগ না রেখে স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির গাইবান্ধা জেলা সমন্বয় কমিটির সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি গ্রহণ করছি এবং সেই সাথে সকলের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
এদিকে, শনিবার (১৪ জুন) রাতে ফলছড়ি উপজেলা সমন্বয় কমিটির যুগ্ন সমন্বয়কারী জাহিদ হাসান জীবন তার ফেসবুক আইডিতে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
তিনি ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, এনসিপির নবগঠিত ফুলছড়ি উপজেলা সমন্বয় কমিটিতে টাকার বিনিময়ে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মীদের পুনর্বাসন করা হয়েছে। যারা এনসিপির হয়ে মাঠে কাজ করেছে, তাদের মূল্যায়ন না করে শুধু আর্থিক লেনদেনের ভিত্তিতে পদ দেওয়া হয়েছে। একারণে আমি এই বিতর্কিত কমিটি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছি। তবে “জুলাই স্পিড” ধারণ করে আমি অরাজনৈতিক সংগঠন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্লাটফর্মে কাজ চালিয়ে যেতে চাই।
জানতে চাইলে জাহিদ হাসান জীবন বলেন, আমার দায়বদ্ধতা থেকে আমি বিষয়টি সামনে এনেছি। টাকার বিনিময়ে রাজনীতি চলতে পারে না। এনসিপি একটি নতুন আশার সংগঠন ছিল, কিন্তু এভাবে দল পরিচালিত হলে সেটাও ধ্বংস হয়ে যাবে।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা সমন্বয় কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী নাজমুল হাসান সোহাগ বলেন, আবেগের বসে কাঙ্ক্ষিত পদ না পাওয়ায় অনেকেই ফেসবুকে পোস্ট করেছে বলে শুনেছি। তবে আমাকে ফরমালি কেউ জানায়নি।
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 















