বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাস করে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করছি।
বুধবার দুপুর ১২ টার দিকে সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার দেবনাথ পাড়া দুর্গা মন্দির পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সহসভাপতি বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডাঃ খন্দকার জিয়াউল ইসলাম জিয়া।
তিনি আরও বলেন, আমরা পূজামণ্ডপ গুলোতে যাচ্ছি এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী জনগণের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করছি এবং তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছি। বিএনপি সবসময়ই দেশের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।
অধ্যাপক ডাঃ খন্দকার জিয়াউল ইসলাম জিয়া
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯ গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়ন প্রত্যাশী।
ডাঃ জিয়া বলেন, এ পর্যন্ত পৌরসভা ও ১৫ ইউনিয়নের প্রায় অর্ধশতাধিক পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছি। এটি অব্যাহত আছে এবং পূজা শেষ পর্যন্ত চলমান থাকবে। তবে উপজেলার ১২৯ পূজামণ্ডপেই আমার আর্থিক সহায়তা নেতাকর্মীদের মাধ্যমে ইতোমধ্যে পৌঁছে দিয়েছি।
তথ্যে জানা যায়, ডাঃ জিয়া গত কয়েকদিন ধরে দিনরাত একাকার করে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে যাচ্ছেন এবং পরিদর্শন করেছেন।
এ সময় তিনি ঠাকুর, পূজারী, ভক্ত ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লোকজনদের সাথে কুশল বিনিময় শেখ মতবিনিময় সভা করেন। তাতে ভক্ত, পূজারী, পূজামণ্ডপ কমিটির সদস্য ও দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।
এদিকে তার উপস্থিতিতে পূজারীদের মাঝে বিরাট মানুষিক শক্তি ও উদ্দীপনার সঞ্চার ঘটেছে। তাঁর আগমনকে ঘিরে ঠাকুর, পূজারী, সাধারণ ভক্ত ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লোকজন যেমন উৎসাহিত হয়েছেন, তেমনি নিজ দলের নেতাকর্মী-সমর্থকদের মাঝেও নতুন উদ্যম ও আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি হয়েছে। নেতার দিকনির্দেশনা পূজার এই মহামিলনকে ঐক্য, সম্প্রীতি ও সাহসের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
গাইবান্ধা জেলা জাতীয় যুবদলের শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মো. আখতারুজ্জামান রাজু, বিএনপি নেতা মো. শান্তি সরকার, মো. রেজাউল করিম সরকার রাজু, ইঞ্জিনিয়ার রুবেল মিয়াসহ অনেকে এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
জাহিদ, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 















