বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

করোনার টিকা নিলেন রাষ্ট্রপতি

করোনাভাইরাসের টিকা নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বুধবার (১০ মার্চ) বিকাল ৫টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি করোনা টিকার ১ম ডোজ গ্রহণ করেন।
এসময়, রাষ্ট্রপতি দেশবাসীকে টিকা নেয়ার আহ্বান জানান। একইসাথে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলারও আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। একই দিন টিকা নিয়েছেন রাষ্ট্রপতির স্ত্রী রাশিদা খানমও।
এর আগে, গত ৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ২৪ ফেব্রুয়ারি তার ছোট বোন শেখ রেহানা করোনার টিকা গ্রহণ করেন।
করোনা প্রতিরোধে এ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি দেশ ভ্যাকসিন তৈরিতে সফল হয়েছে। এরমধ্যে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নেতৃত্বে কোভ্যাক্স, যুক্তরাষ্ট্রের ফাইজার-বায়োএনটেক, মডার্না এবং জনসনের টিকা অন্যতম। দেশে টিকার প্রথম চালান আসে গত ২৫ জানুয়ারি। এর আগে উপহার হিসাবে বাংলাদেশে পাঠানো ভারত সরকারের ২০ লাখ টিকা পৌঁছায় গত ২১ জানুয়ারি।
দেশে ব্যাপক হারে করোনার টিকা দেয়া শুরু হয় গত ৭ ফেব্রুয়ারি। এর আগে, ২৭ জানুয়ারি ২৬ জনকে টিকা দেয়ার মাধ্যমে টিকা দেয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর গত ২২ ফেব্রুয়ারি ভারত থেকে টিকার দ্বিতীয় চালান ঢাকায় আসে। এই চালানে ২০ লাখ ডোজ আসে। গণটিকাদান কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর মঙ্গলবার (৯ মার্চ) পর্যন্ত দেশে ৪০ লাখেরও বেশি মানুষ করোনার টিকা নিয়েছেন। এখন করোনার সম্মুখসারির যোদ্ধা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের টিকা দেয়া হচ্ছে। ৪০ বছরের বেশি বয়সীরা পাচ্ছেন এই টিকা।

করোনার টিকা নিলেন রাষ্ট্রপতি

প্রকাশের সময়: ০৯:২৭:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ মার্চ ২০২১

করোনাভাইরাসের টিকা নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বুধবার (১০ মার্চ) বিকাল ৫টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি করোনা টিকার ১ম ডোজ গ্রহণ করেন।
এসময়, রাষ্ট্রপতি দেশবাসীকে টিকা নেয়ার আহ্বান জানান। একইসাথে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলারও আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। একই দিন টিকা নিয়েছেন রাষ্ট্রপতির স্ত্রী রাশিদা খানমও।
এর আগে, গত ৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ২৪ ফেব্রুয়ারি তার ছোট বোন শেখ রেহানা করোনার টিকা গ্রহণ করেন।
করোনা প্রতিরোধে এ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি দেশ ভ্যাকসিন তৈরিতে সফল হয়েছে। এরমধ্যে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নেতৃত্বে কোভ্যাক্স, যুক্তরাষ্ট্রের ফাইজার-বায়োএনটেক, মডার্না এবং জনসনের টিকা অন্যতম। দেশে টিকার প্রথম চালান আসে গত ২৫ জানুয়ারি। এর আগে উপহার হিসাবে বাংলাদেশে পাঠানো ভারত সরকারের ২০ লাখ টিকা পৌঁছায় গত ২১ জানুয়ারি।
দেশে ব্যাপক হারে করোনার টিকা দেয়া শুরু হয় গত ৭ ফেব্রুয়ারি। এর আগে, ২৭ জানুয়ারি ২৬ জনকে টিকা দেয়ার মাধ্যমে টিকা দেয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর গত ২২ ফেব্রুয়ারি ভারত থেকে টিকার দ্বিতীয় চালান ঢাকায় আসে। এই চালানে ২০ লাখ ডোজ আসে। গণটিকাদান কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর মঙ্গলবার (৯ মার্চ) পর্যন্ত দেশে ৪০ লাখেরও বেশি মানুষ করোনার টিকা নিয়েছেন। এখন করোনার সম্মুখসারির যোদ্ধা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের টিকা দেয়া হচ্ছে। ৪০ বছরের বেশি বয়সীরা পাচ্ছেন এই টিকা।