নোয়াখালীর বসুরহাট পৌর মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে গ্রেপ্তার করা হবে- এমন গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল পুরো জেলায়। বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত তা গুজবেই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে বৃহস্পতিবার থেকে পৌর ভবনের চারপাশ ঘিরে রেখেছে পুলিশ। আর ভবনের ভেতরে রাত কাটিয়েছেন মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।
শুক্রবার (১২ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নোয়াখালী পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন জানান, বসুরহাটের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিন শতাধিক পুলিশ ও র্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, আগামী কয়েক দিন বসুরহাটের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে পুলিশ সদস্যরা অবস্থান করবে। পুলিশের একাধিক মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক টহলে রয়েছে। টহল দিচ্ছেন র্যাব সদস্যরাও। সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
গত মঙ্গলবার বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বসুরহাট পৌর মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের সমর্থকদের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় আলাউদ্দিন নামে এক সিএনজি চালক নিহত হয়েছেন। আলাউদ্দিনকে নিজের সমর্থক দাবি করেছেন মিজানুর রহমান বাদল। সংঘর্ষে ওসি মীর জাহিদুল হক রনি ও পাঁচ পুলিশসহ আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন অন্তত ১০জন।
তাদের মধ্যে জাকের হোসেন হৃদয় নামে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে। গুলিবিদ্ধ বাকি ৯জন নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জাগো২৪.নেট ডেস্ক 















