কৃষি অধিদফতরের এসএসিপি রেইনস প্রকল্পের আওতায় গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের কৃষিমাঠে রঙিন ফুলকপির প্রদর্শনী দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে এ ক্ষেতে শোভা পাচ্ছে রঙিলা জাতের এই কপি। আর সেই ক্ষেত পরিদর্শনে মাঠে নামছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা।
সম্প্রতি ইদিলপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ লক্ষীপুর গ্রামের কৃষক নেছার সরকার লুলুর এই ক্ষেত পরিদর্শন করেন- উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অপূর্ব ভট্রাচার্য্য, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুর রব সরকার, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ময়নুল আলমসহ অনেকে।
কৃষি বিভাগ জানায়, রবি মৌসুমে সাদুল্লাপুর উপজেলায় সাদা রঙের ফুলকপি নিয়মিত চাষ হলেও রঙিন ফুলকপি চাষ হয় খুবই কম। তাই রঙিলা জাতের কপি চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় লক্ষীপুর এলাকার কৃষক নেছার সরকার লুলুকে এই প্রথম সার-বীজ ও অন্যান্য উপকরণ প্রদান করা হয়। পরিকল্পিতভাবে ৩৩ শতক জমিতে রঙিন ফুলকপি আবাদ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে অধিক ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এ আবাদে খরচ কম আর লাভ বেশি হওয়ায় এখন আশপাশের অন্যান্য কৃষক এ জাতের ফুলকপি চাষে ব্যাপক আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব ভট্রাচার্য্য জানান, এসএসিপি রেইনস প্রকল্পের আওতায় মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদের জন্য রঙিন ফুলকপি একটি প্রদর্শনী কৃষক লুলুকে দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে অধিক ফলন পেতে তাকে সার্বিক পরামর্শ দেওয়া হয়। সাদা ফুলকপির তুলনায় রঙিন জাতের ফুলকপির পুষ্টিগুণ ও বাজারে চাহিদা থাকায় এ চাষাবাদ অনেকটা লাভজনক।
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 

















