সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশিরভেজা সবুজ ধানক্ষেতে বদলে যাচ্ছে প্রকৃতির চিত্র

আশ্বিনের শুরুতেই প্রকৃতিতে বইতে শুরু করেছে শীতের আগমনী হাওয়া। ভোরের বাতাসে অনুভূত হচ্ছে শিন শিন শীতল পরশ। সেইসঙ্গে ঘাস, গাছের পাতা ও সবুজ ধানক্ষেতে জমছে শিশির। ভোরের আলো ফুটতেই শিশিরভেজা সবুজ ধানক্ষেত যেনো প্রকৃতির এক অপূর্ব সৌন্দর্য ছড়িয়ে দিচ্ছে।

কয়েকদিন আগেও ভোরের সময় গরমের অনুভূতি থাকলেও এখন প্রকৃতির চিত্রে এসেছে পরিবর্তন। ভোরে বাতাসে হালকা শীতের আমেজ অনুভূত হচ্ছে। অনেক সময় ফ্যান বন্ধ করেও স্বস্তি মিলছে। দিনের বেলায় গরম থাকলেও সকাল ও রাতের আবহাওয়ায় শীতের স্পষ্ট আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

গ্রামের মাঠ-ঘাটে দেখা যাচ্ছে ঋতু পরিবর্তনের নানা চিত্র। সবুজ ধানগাছের পাতায় জমে থাকা শিশির সূর্যের আলোয় ঝলমল করছে। ভোরের স্নিগ্ধ পরিবেশে কৃষকেরা মাঠে ছুটছেন, আর চারপাশে বিরাজ করছে শান্ত ও মনোরম আবহ। প্রকৃতিতে এমন পরিবর্তন জানান দিচ্ছে।

আর বিদায় নিচ্ছে গরমের তীব্রতা, ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে শীত। আশ্বিনের শিন শিন হাওয়া ও শিশিরভেজা সবুজ ধানক্ষেত তাই গ্রামবাংলায় শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে এসেছে। ঋতুর এই পরিবর্তন প্রকৃতির চিরন্তন নিয়ম। সময়ের সঙ্গে বদলে যায় প্রকৃতি, বদলে যায় মানুষের জীবনযাত্রাও। আর সেই পরিবর্তনের সাক্ষী হয়ে আশ্বিনের ভোরে শিশিরভেজা সবুজ ধানক্ষেত যেনো নতুন ঋতুকে বরণ করে নিচ্ছে।

নন্দীগ্রাম উপজেলার রণবাঘা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিনহাজুর রহমান হাবিব বলেন, আশ্বিন গা করে শিন শিন, ভোরের হিমেল হাওয়ায় শীতের আগমনী বার্তা। শিশির ভেজা ঘাস, গাছের পাতা ও সবুজ ধানক্ষেত যেনো প্রকৃতির অপূর্ব এক চিত্রপট। গ্রামবাংলার এই স্নিগ্ধ সৌন্দর্য মনকে প্রশান্তিতে ভরিয়ে দেয়। আমি এই স্নিগ্ধ সৌন্দর্য দেখেই বড় হয়েছি। এখনো গ্রাম বাংলার চিরচেনা চিত্র দেখেই আসছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গাজীউল হক বলেন, এবার খরিপ-২ মৌসুমে এ উপজেলায় ১৯ হাজার ৫৪৫ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় (আবার কমবেশিও হতে পারে)। উপজেলার প্রতিটি মাঠে ধানক্ষেত খুব ভালো দেখা যাচ্ছে। আর ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধিতে আমরা কৃষকদের বিভিন্নভাবে পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে আসছি। আমরা এখন মাঠে বেশি সময় দিচ্ছি, যাতে কৃষকরা প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা পান। ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি হলে কৃষকরাই সবচেয়ে বেশি লাভবান হন। পাশাপাশি ফসলের উৎপাদন বাড়লে দেশের খাদ্যচাহিদা পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই আশা করছি, এবার আমন ধানের ভালো ফলন পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ।

বিজ্ঞাপন

জনপ্রিয়

লালমনিরহাটে অটোমেটিক টার্নটেবিল উদ্বোধনের পর থেকেই বন্ধ

শিশিরভেজা সবুজ ধানক্ষেতে বদলে যাচ্ছে প্রকৃতির চিত্র

প্রকাশের সময়: ০৮:৪৪:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আশ্বিনের শুরুতেই প্রকৃতিতে বইতে শুরু করেছে শীতের আগমনী হাওয়া। ভোরের বাতাসে অনুভূত হচ্ছে শিন শিন শীতল পরশ। সেইসঙ্গে ঘাস, গাছের পাতা ও সবুজ ধানক্ষেতে জমছে শিশির। ভোরের আলো ফুটতেই শিশিরভেজা সবুজ ধানক্ষেত যেনো প্রকৃতির এক অপূর্ব সৌন্দর্য ছড়িয়ে দিচ্ছে।

কয়েকদিন আগেও ভোরের সময় গরমের অনুভূতি থাকলেও এখন প্রকৃতির চিত্রে এসেছে পরিবর্তন। ভোরে বাতাসে হালকা শীতের আমেজ অনুভূত হচ্ছে। অনেক সময় ফ্যান বন্ধ করেও স্বস্তি মিলছে। দিনের বেলায় গরম থাকলেও সকাল ও রাতের আবহাওয়ায় শীতের স্পষ্ট আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

গ্রামের মাঠ-ঘাটে দেখা যাচ্ছে ঋতু পরিবর্তনের নানা চিত্র। সবুজ ধানগাছের পাতায় জমে থাকা শিশির সূর্যের আলোয় ঝলমল করছে। ভোরের স্নিগ্ধ পরিবেশে কৃষকেরা মাঠে ছুটছেন, আর চারপাশে বিরাজ করছে শান্ত ও মনোরম আবহ। প্রকৃতিতে এমন পরিবর্তন জানান দিচ্ছে।

আর বিদায় নিচ্ছে গরমের তীব্রতা, ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে শীত। আশ্বিনের শিন শিন হাওয়া ও শিশিরভেজা সবুজ ধানক্ষেত তাই গ্রামবাংলায় শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে এসেছে। ঋতুর এই পরিবর্তন প্রকৃতির চিরন্তন নিয়ম। সময়ের সঙ্গে বদলে যায় প্রকৃতি, বদলে যায় মানুষের জীবনযাত্রাও। আর সেই পরিবর্তনের সাক্ষী হয়ে আশ্বিনের ভোরে শিশিরভেজা সবুজ ধানক্ষেত যেনো নতুন ঋতুকে বরণ করে নিচ্ছে।

নন্দীগ্রাম উপজেলার রণবাঘা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিনহাজুর রহমান হাবিব বলেন, আশ্বিন গা করে শিন শিন, ভোরের হিমেল হাওয়ায় শীতের আগমনী বার্তা। শিশির ভেজা ঘাস, গাছের পাতা ও সবুজ ধানক্ষেত যেনো প্রকৃতির অপূর্ব এক চিত্রপট। গ্রামবাংলার এই স্নিগ্ধ সৌন্দর্য মনকে প্রশান্তিতে ভরিয়ে দেয়। আমি এই স্নিগ্ধ সৌন্দর্য দেখেই বড় হয়েছি। এখনো গ্রাম বাংলার চিরচেনা চিত্র দেখেই আসছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গাজীউল হক বলেন, এবার খরিপ-২ মৌসুমে এ উপজেলায় ১৯ হাজার ৫৪৫ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় (আবার কমবেশিও হতে পারে)। উপজেলার প্রতিটি মাঠে ধানক্ষেত খুব ভালো দেখা যাচ্ছে। আর ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধিতে আমরা কৃষকদের বিভিন্নভাবে পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে আসছি। আমরা এখন মাঠে বেশি সময় দিচ্ছি, যাতে কৃষকরা প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা পান। ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি হলে কৃষকরাই সবচেয়ে বেশি লাভবান হন। পাশাপাশি ফসলের উৎপাদন বাড়লে দেশের খাদ্যচাহিদা পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই আশা করছি, এবার আমন ধানের ভালো ফলন পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ।

বিজ্ঞাপন