সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় ঢিলেঢালা লকডাউন, তেমন মানছে না স্বাস্থ্যবিধি

Digital Camera

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ রোধে সারা দেশের ন্যায় গাইবান্ধা জেলায় এক সপ্তাহের লকডাউন শুরু হয়েছে। এটি সোমবার (৫ এপ্রিল) সকাল ৬ টা থেকে শুরু হলেও তা চলছে ঢিলেঢালাভাবে। সরকারের ১১ দফা নির্দেশনা কিছু সংখ্যাক মানুষ মানলেও, অধিকাংশ মানুষ তা মানছে না। স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই অবাধে চলাফেরা করছে মানুষরা।

সোমবার (৫ এপ্রিল) সকাল থেকে দুপুর ৩ টা পর্যন্ত গাইবান্ধা জেলা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলা শহরে দেখা যায় মানুষের অবাধ চলাচল ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার চিত্র।

চলমান লকডাউনে মানুষের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ থাকার নির্দেশনা থাকলেও, গাইবান্ধার রাস্তায় বাস ছাড়া সব ধরণের যানবাহন চলাচল করছিল। মাইক্রেবাস, সিএনজি, অটো রিকশা-ভ্যান যাত্রী নিয়ে ছুটছে বিভিন্ন গন্তব্যস্থানে। শহর-হাট-বাজারের হোটেল-রেস্তোরা খোলা রয়েছে যথারীতি। সেখানে বসে খাবার খাচ্ছিলেন মানুষরা। মার্কেটগুলোর কিছু সংখ্যাক শপিংমল বন্ধ থাকলেও অধিকাংশ শপিংমল খোলা রাখতে দেখা গেছে। এছাড়া হাট-বাজারগুলোতেও মানুষের ভির ছিল প্রায় আগের মতোই। প্রয়োজনের তাগিদে বাড়ি থেকে বের হওয়া মানুষরা কোনোক্রমই দূরত্ব বজায় রাখছে না। এসব মানুষদের মধ্যে কারো কারো মুখে মাস্ক থাকলেও বেশীরভাগ মানুষের মুখে মাস্ক পরা নেই। সবমিলে গত বছরের তুলনায় এ বছরের প্রথম দিনের লকডাউন ঢিলেঢালা ভাবে চলছিল। শুধু তায় নয়, বেশ কয়েকটি বাড়িতে আয়োজন করা হয়েছে বিয়ে অনুষ্ঠানও। তবে লকডাউনের নির্দেশনা মানাতে প্রশাসনের নজরদারি দেখা গেছে। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে মাস্ক বিতরণ করছিলেন তারা।

গাইবান্ধা-সাদুল্লাপুর রাস্তার সিএনজি চালক মইনুল ইসলাম বলেন, লকডাউন চলছে, সেটি জানা রয়েছে কিন্তু বাড়িতে বসে থাকলে জীবিকা চলবে কীভাবে। এছাড়া যাত্রীদের চাপে গাড়ি চালানো হচ্ছে।

নামপ্রকাশ না করা শর্তে গাইবান্ধা মার্কেটের শপিংমলের এক মালিক জানান, গ্রাহকের বেশী আনাগোনা থাকায় দোকান খোলা রাখা হয়েছে। এছাড়া ঋণের কিস্তি থাকায় দোকানটি খুলতে বাধ্য হয়েছেন।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন আবদুল মতিন জানান, করোনাভাইরাস সংক্রমন রোধে মানুষদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে সরকারের ১১ দফা নির্দেশনা লকডাউন মানাতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

 

 

গাইবান্ধায় ঢিলেঢালা লকডাউন, তেমন মানছে না স্বাস্থ্যবিধি

প্রকাশের সময়: ০৩:২১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ এপ্রিল ২০২১

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ রোধে সারা দেশের ন্যায় গাইবান্ধা জেলায় এক সপ্তাহের লকডাউন শুরু হয়েছে। এটি সোমবার (৫ এপ্রিল) সকাল ৬ টা থেকে শুরু হলেও তা চলছে ঢিলেঢালাভাবে। সরকারের ১১ দফা নির্দেশনা কিছু সংখ্যাক মানুষ মানলেও, অধিকাংশ মানুষ তা মানছে না। স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই অবাধে চলাফেরা করছে মানুষরা।

সোমবার (৫ এপ্রিল) সকাল থেকে দুপুর ৩ টা পর্যন্ত গাইবান্ধা জেলা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলা শহরে দেখা যায় মানুষের অবাধ চলাচল ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার চিত্র।

চলমান লকডাউনে মানুষের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ থাকার নির্দেশনা থাকলেও, গাইবান্ধার রাস্তায় বাস ছাড়া সব ধরণের যানবাহন চলাচল করছিল। মাইক্রেবাস, সিএনজি, অটো রিকশা-ভ্যান যাত্রী নিয়ে ছুটছে বিভিন্ন গন্তব্যস্থানে। শহর-হাট-বাজারের হোটেল-রেস্তোরা খোলা রয়েছে যথারীতি। সেখানে বসে খাবার খাচ্ছিলেন মানুষরা। মার্কেটগুলোর কিছু সংখ্যাক শপিংমল বন্ধ থাকলেও অধিকাংশ শপিংমল খোলা রাখতে দেখা গেছে। এছাড়া হাট-বাজারগুলোতেও মানুষের ভির ছিল প্রায় আগের মতোই। প্রয়োজনের তাগিদে বাড়ি থেকে বের হওয়া মানুষরা কোনোক্রমই দূরত্ব বজায় রাখছে না। এসব মানুষদের মধ্যে কারো কারো মুখে মাস্ক থাকলেও বেশীরভাগ মানুষের মুখে মাস্ক পরা নেই। সবমিলে গত বছরের তুলনায় এ বছরের প্রথম দিনের লকডাউন ঢিলেঢালা ভাবে চলছিল। শুধু তায় নয়, বেশ কয়েকটি বাড়িতে আয়োজন করা হয়েছে বিয়ে অনুষ্ঠানও। তবে লকডাউনের নির্দেশনা মানাতে প্রশাসনের নজরদারি দেখা গেছে। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে মাস্ক বিতরণ করছিলেন তারা।

গাইবান্ধা-সাদুল্লাপুর রাস্তার সিএনজি চালক মইনুল ইসলাম বলেন, লকডাউন চলছে, সেটি জানা রয়েছে কিন্তু বাড়িতে বসে থাকলে জীবিকা চলবে কীভাবে। এছাড়া যাত্রীদের চাপে গাড়ি চালানো হচ্ছে।

নামপ্রকাশ না করা শর্তে গাইবান্ধা মার্কেটের শপিংমলের এক মালিক জানান, গ্রাহকের বেশী আনাগোনা থাকায় দোকান খোলা রাখা হয়েছে। এছাড়া ঋণের কিস্তি থাকায় দোকানটি খুলতে বাধ্য হয়েছেন।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন আবদুল মতিন জানান, করোনাভাইরাস সংক্রমন রোধে মানুষদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে সরকারের ১১ দফা নির্দেশনা লকডাউন মানাতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।