সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লকডাউন : চলছে ট্রলার ও স্পিডবোট

 করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এক সপ্তাহের লকডাউন দিয়েছে সরকার। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সোমবার থেকে গোটা দেশই চলে গেছে লকডাউনে। চলছে না কোনো ধরনের গণপরিবহন। তবে এর উল্টো চিত্র দেখা গেছে ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটে।
লকডাউনের দ্বিতীয় দিনেও সরকারি সিদ্ধান্ত অমান্য করে ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটে চলছে ট্রলার ও স্পিডবোট। স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করেই চলছে এসব নৌযান। এমনকি অতিরিক্ত ভাড়াও আদায় করছে তারা।
মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সকালে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, ভোলার ইলিশা ফেরিঘাট, লঞ্চঘাট ও মাছঘাট এলাকা থেকে একাধিক ট্রলার এবং স্পিডবোট লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে। আবার একইভাবে লক্ষ্মীপুর মতির হাট ও মজু চৌধুরীর হাট এলাকা থেকে যাত্রী নিয়ে ভোলায় আসছে নৌযান। এসব স্থানে প্রশাসনের কোনো নজরদারি লক্ষ করা যায়নি।
জরুরি প্রয়োজনে ভোলা থেকে নিজের কর্মস্থল লক্ষ্মীপুরে যাচ্ছেন বিল্লাল হোসেন। তিনি সিটি নিউজকে বলেন, ‘অফিসের কাজে যাচ্ছি। তবে অসাধু ট্রলার ও স্পিডবোট মালিকরা যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। অনেকে বাড়তি ভাড়া দিতে না পেরে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে।
এদিকে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ভোলার রাস্তায় চলছে কিছু যাত্রীবাহী বাস। এ ছাড়া সিএনজি, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তো রয়েছেই। এসব বন্ধেও কোনো রকম তদারকি করছে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ বিষয়ে ভোলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সুজিত হাওলাদার বলেন, ‘করোনা মহামারি রোধে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে ও অন্যান্য জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জনসাধারণকে সচেতন করা হচ্ছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত চলমান আছে।

লকডাউন : চলছে ট্রলার ও স্পিডবোট

প্রকাশের সময়: ০৪:৫১:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল ২০২১
 করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এক সপ্তাহের লকডাউন দিয়েছে সরকার। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সোমবার থেকে গোটা দেশই চলে গেছে লকডাউনে। চলছে না কোনো ধরনের গণপরিবহন। তবে এর উল্টো চিত্র দেখা গেছে ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটে।
লকডাউনের দ্বিতীয় দিনেও সরকারি সিদ্ধান্ত অমান্য করে ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটে চলছে ট্রলার ও স্পিডবোট। স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করেই চলছে এসব নৌযান। এমনকি অতিরিক্ত ভাড়াও আদায় করছে তারা।
মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সকালে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, ভোলার ইলিশা ফেরিঘাট, লঞ্চঘাট ও মাছঘাট এলাকা থেকে একাধিক ট্রলার এবং স্পিডবোট লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে। আবার একইভাবে লক্ষ্মীপুর মতির হাট ও মজু চৌধুরীর হাট এলাকা থেকে যাত্রী নিয়ে ভোলায় আসছে নৌযান। এসব স্থানে প্রশাসনের কোনো নজরদারি লক্ষ করা যায়নি।
জরুরি প্রয়োজনে ভোলা থেকে নিজের কর্মস্থল লক্ষ্মীপুরে যাচ্ছেন বিল্লাল হোসেন। তিনি সিটি নিউজকে বলেন, ‘অফিসের কাজে যাচ্ছি। তবে অসাধু ট্রলার ও স্পিডবোট মালিকরা যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। অনেকে বাড়তি ভাড়া দিতে না পেরে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে।
এদিকে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ভোলার রাস্তায় চলছে কিছু যাত্রীবাহী বাস। এ ছাড়া সিএনজি, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তো রয়েছেই। এসব বন্ধেও কোনো রকম তদারকি করছে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ বিষয়ে ভোলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সুজিত হাওলাদার বলেন, ‘করোনা মহামারি রোধে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে ও অন্যান্য জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জনসাধারণকে সচেতন করা হচ্ছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত চলমান আছে।