ফরিদপুরের সালথায় সরকারি স্থাপনায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। মামলায় ৮৮ জনের নাম উল্লেখ করে ও আরও অজ্ঞাত ৩-৪ হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে সালথা থানার এসআই মিজানুর রহমান বাদী হয়ে এ মামলা করেন। এ ঘটনায় আটজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) জামাল পাশা বলেন, ‘পুলিশের পক্ষ থেকে এ মামলাটি করা হয়েছে। আরও কয়েকটি মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। বুধবার সকাল পর্যন্ত এ ঘটনায় আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’
ওই ঘটনার সূত্রপাতের সময় এসি ল্যান্ডের কাছ থেকে খবর পেয়ে এসআই মিজানুর রহমান কয়েকজন পুলিশসহ ফুকরা বাজারে যান। সেখানে তাদের ওপরে হামলা করে স্থানীয়রা। এতে এসআই মিজানের মাথা ফেটে যায়।
এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবন ও কার্যালয়ের বিভিন্ন দফতর ও এসি ল্যান্ড অফিসে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা তদন্তে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ছয় সদস্যের দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
চলতি সপ্তাহের সোমবার উপজেলা এসি ল্যান্ডের নেতৃত্বে লকডাউনের কার্যকারিতা নিশ্চিতে অভিযানে ফুকরা বাজারে গেলে সেখানে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জের ধরে প্রথমে পুলিশের ওপরে হামলা ও সালথা থানা ঘেরাও করা হয়। এরপর বিভিন্ন সরকারি অফিস ও বাসভবনে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের তাণ্ডব চলে। এতে পুলিশের গুলিতে একজন নিহত হন।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, ফরিদপুর 















