সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে অবৈধভাবে ঘরবাড়ি স্থাপনে জমি দখলের চেষ্টা

Digital Camera

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় অবৈধভাবে ঘরবাড়ি স্থাপন করে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের বড় দাউদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে বিপাকে পড়েছে প্রকৃত জমির মালিকরা।

সরেজমিনে জানা যায়, রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মিঠিপুর ইউনিয়নের একবারপুর পুর্বপাড়া গ্রামের আব্দুল হামিদ মিয়া কর্তৃক বড় দাউদপুর মৌজার জেএল নং ৬৩ এর বিভিন্ন দাগ-খতিয়ানের ৪.৮৭ একর জমি কবলা খরিদ করেন। বর্ণিত জমির দাতারা হলেন বিরেন্দ্র নাথ, গজেন্দ্র নাথ, ক্ষিতিশ চন্দ্র, গিরিস চন্দ্র, আব্দুল করিম মিয়া, মোজাম্মেল মিয়া, স্বপন ও রইচ মিয়া। এরপর আব্দুল হামিদ মিয়া ক্রয়সুত্রে মালিক হয়ে দখলভোগ করে আসছিলেন। ধারবাহীকতায় আব্দুল হামিদ মিয়া মারা যাওয়ার পর তার ওয়ারিশরা প্রায় ৪৫ বছর যাবৎ বর্ণিত জমিতে চাষাবাদ করে আসছিলেন।

এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল হামিদ মিয়ার ছেলে আফছার আলীসহ অন্যান্য ওয়ারিশরা এলাকার বাহিরে অবস্থান করেছে। সম্প্রতি এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বড় দাউদপুর গ্রামের আতিয়ার রহমান তাজু মিয়া, হালিম মিয়া ও এনায়েতপুর গ্রামের দীণেশ চন্দ্র বর্মণসহ আরো অনেকে ওই জমিটি তাদের বলে দাবি করে। এরই একপর্যায়ে প্রতিপক্ষরা বর্ণিত জমি দখলের জন্য জোরপূর্বকভাবে ঘরবাড়ি স্থাপন করে। এতে প্রকৃত জমির মালিক হামিদ মিয়ার ওয়ারিশরা ঘরবাড়ি নির্মাণে বাধা দিলে তাদেরকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে অবৈধ দখলদারিরা।

এ বিষয়ে বিরেন্দ্র নাথ ও গজেন্দ্র নাথসহ অন্যান্য দখলদারিরা বলেন, ক্রয়সুত্রে ওই জমির মালিক আমরা। তাই ঘরবাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে।

আব্দুল হামিদ মিয়ার ছেলে আফছার আলী জানান, তফসিল জমির প্রকৃত মালিক আমরাই। জমিটি উদ্ধারের জন্য আদালতে মামলা করা হয়েছে। এ মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় জোরপুর্ব ঘরবাড়ি নির্মাণ করছে বিবাদি পক্ষ।

সাদুল্লাপুরে অবৈধভাবে ঘরবাড়ি স্থাপনে জমি দখলের চেষ্টা

প্রকাশের সময়: ০৬:০৯:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় অবৈধভাবে ঘরবাড়ি স্থাপন করে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের বড় দাউদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে বিপাকে পড়েছে প্রকৃত জমির মালিকরা।

সরেজমিনে জানা যায়, রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মিঠিপুর ইউনিয়নের একবারপুর পুর্বপাড়া গ্রামের আব্দুল হামিদ মিয়া কর্তৃক বড় দাউদপুর মৌজার জেএল নং ৬৩ এর বিভিন্ন দাগ-খতিয়ানের ৪.৮৭ একর জমি কবলা খরিদ করেন। বর্ণিত জমির দাতারা হলেন বিরেন্দ্র নাথ, গজেন্দ্র নাথ, ক্ষিতিশ চন্দ্র, গিরিস চন্দ্র, আব্দুল করিম মিয়া, মোজাম্মেল মিয়া, স্বপন ও রইচ মিয়া। এরপর আব্দুল হামিদ মিয়া ক্রয়সুত্রে মালিক হয়ে দখলভোগ করে আসছিলেন। ধারবাহীকতায় আব্দুল হামিদ মিয়া মারা যাওয়ার পর তার ওয়ারিশরা প্রায় ৪৫ বছর যাবৎ বর্ণিত জমিতে চাষাবাদ করে আসছিলেন।

এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল হামিদ মিয়ার ছেলে আফছার আলীসহ অন্যান্য ওয়ারিশরা এলাকার বাহিরে অবস্থান করেছে। সম্প্রতি এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বড় দাউদপুর গ্রামের আতিয়ার রহমান তাজু মিয়া, হালিম মিয়া ও এনায়েতপুর গ্রামের দীণেশ চন্দ্র বর্মণসহ আরো অনেকে ওই জমিটি তাদের বলে দাবি করে। এরই একপর্যায়ে প্রতিপক্ষরা বর্ণিত জমি দখলের জন্য জোরপূর্বকভাবে ঘরবাড়ি স্থাপন করে। এতে প্রকৃত জমির মালিক হামিদ মিয়ার ওয়ারিশরা ঘরবাড়ি নির্মাণে বাধা দিলে তাদেরকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে অবৈধ দখলদারিরা।

এ বিষয়ে বিরেন্দ্র নাথ ও গজেন্দ্র নাথসহ অন্যান্য দখলদারিরা বলেন, ক্রয়সুত্রে ওই জমির মালিক আমরা। তাই ঘরবাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে।

আব্দুল হামিদ মিয়ার ছেলে আফছার আলী জানান, তফসিল জমির প্রকৃত মালিক আমরাই। জমিটি উদ্ধারের জন্য আদালতে মামলা করা হয়েছে। এ মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় জোরপুর্ব ঘরবাড়ি নির্মাণ করছে বিবাদি পক্ষ।