গাইবান্ধা জেলা আওয়ামীলীগের উপদপ্তর সম্পাদক মাসুদ রানার বাসা থেকে হাসান আলী (৪৫) নামের এক জুতা ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
রোববার (১১ এপ্রিল) গাইবান্ধা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস বিফ্রিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়। ওই কমিটিতে আহবায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) রাহাত গাওহারী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেড কোয়ার্টার আবুল খায়ের ও পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুল লতিফ রয়েছেন। আগামী ৭ কার্যদিবসে ঘটনাটি সরেজমিনে তদন্ত করে এই কমিটি তদন্ত রিপোর্ট প্রদান করবেন।
পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রেস বিফ্রিংয়ে পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম তাঁর সংক্ষিপ্ত বিফ্রিংয়ে জানান, এই ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। এব্যাপারে আটক মাসুদ রানাকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও এই ঘটনায় মামলা গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রাপ্তি ও তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবসায়ি হাসান আলীর মৃত্যুর এই ঘটনা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় সকল বিষয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রেস বিফ্রিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেড কোয়ার্টার আবুল খায়ের, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) আবু লাইচ মো. ইলিয়াছ জিকু, পুলিশ পরিদর্শক (ডিআইওয়ান) মো. আব্দুল লতিফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।
প্রসঙ্গত, গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের উপদফতর সম্পাদক মাসুদ রানা একজন দাদন ব্যবসায়ী। গাইবান্ধা শহরের থানাপাড়ার বাসিন্দা ও জুতা ব্যবসায়ী হাসান আলীর কাছে সুদের টাকা পাওনা ছিল তার। এই টাকার জন্য হাসান আলীকে বাসায় জিম্মি করে রাখছিলেন। সেখানে টাকা পরিশোধের ব্যর্থ হওয়ায় মাসুদের বাসায় আত্নহত্যা করে হাসান আলী। শনিবার এ ঘটনায় পুলিশ তার লাশ উদ্ধারসহ আওয়ামীলীগ নেতা মাসুদ রানাকে আটক করে।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 















