স্কুল শিক্ষক আনিছুর রহমান (৩০)।হঠাৎ জ্বরে আক্রান্ত হয় তার একমাস বয়সী শিশু। এর চিকিৎসার জন্য নেয়া হয় চিকিৎসকের কাছে। সঙ্গে ছিলেন আনিছুরসহ তার মা, স্ত্রী ও শ্যালক। শিশুর চিকিৎসাসেবা নেয়া শেষে বাড়ি ফেরার পথে এক সড়ক দুর্ঘটানায় সবাই মারা যায়। কিন্তু এই যাত্রায় প্রাণে বেঁচে যায় শিশুটি। গুরুতর আহত হওয়া এ শিশুটি এখন শঙ্কটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতাল বিছানায় বাঁচার লড়াই করছে।
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মার্মান্তি এ ঘটনার থেকে শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) পর্যন্ত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মূমূর্ষ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে নিস্পাপ শিশুটি। এতিম এ শিশুটি যেনো পৃথিবীতে বেঁচে থাকেন, এমন প্রার্থনা করছে স্বজনরা। চিকিৎসা ক্ষেত্রেও জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন তারা।
প্রসঙ্গত, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের রামপুরা গ্রামের মৃত ইছাহাক আলীর ছেলে ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আনিছুর রহমান। তিনি জ্বর আক্রান্ত হওয়া শিশুকে নিয়ে গত বুধবার (১৪ এপ্রিল) গোবিন্দগঞ্জ শহরের ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন মা রেহেনা বেগম, স্ত্রী সুলতানা বেগম ও শ্যালক জাহিদ হানান। চিকিৎসা শেষে ওইদিন বিকেলের দিকে একটি ব্যাটারী চালিত অটোভ্যান যোগে বাড়ি ফিরেছিলেন তারা। এসময় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের গোবিন্দগঞ্জের কালিতলা নামকস্থানে পৌঁছালে অপর একটি মালবোঝাই কাভার্ডভ্যান অটোভ্যানকে ধাক্কা দিলে অটোটি দুমড়ে মুচড়ে গিয়ে শিশুটিসহ সাতজন গুরুতর আহত হয়। এদের মধ্যে মধ্যে আনিছুরসহ তার মা, স্ত্রী ও শ্যালক মারা যায়। এরপর অটোভ্যান চালকসহ আরো দুইজন মারা গেছে। এই যাত্রায় শুধু মাত্র এখনো বেঁচে রয়েছে আহত হওয়া শিশুটি। সেও এখন শঙ্কটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 















