মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল

হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব অষ্টমী স্নান। এ উৎসবে লকডাউনকে উপেক্ষা করে গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র নদে স্নানে মাতছিলেন পুণ্যার্থীরা। নদের জলে ডুব দিতে ঢল নামে নর-নারীদের।

মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র নদের সুন্দরগঞ্জ উপজেলার লালচামার, সদর উপজেলার কামারজানি ও ফুলছড়ি উপজেলার বালাশিঘাট এলাকায় অষ্টমী স্নান করছিলেন তারা। সনাতন ভক্তরা তাদের পাপ থেকে মুক্তি পেতে স্নান উৎসব  সমবেত হন।

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার পাল জানান, জেলার বিভিন্ন এলাকার পুরুষ, মহিলা, যুবক ও কিশোরসহ সনাতন ভক্তরা ব্রহ্মপুত্র জলে ডুব দিয়ে উৎসব উদযাপন করেছে।

তিনি আরো বলেন, গত বছরের ন্যায় সনাতন তীর্থযাত্রীরা ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান এবং হরি নাম পাঠ, পূজা, ভক্তিমূলক গান ও কীর্তন পাঠ করে তাদের শুদ্ধ করার জন্য জলে স্নান করা হয়।

 

গাইবান্ধায় অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল

প্রকাশের সময়: ০৯:২৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১

হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব অষ্টমী স্নান। এ উৎসবে লকডাউনকে উপেক্ষা করে গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র নদে স্নানে মাতছিলেন পুণ্যার্থীরা। নদের জলে ডুব দিতে ঢল নামে নর-নারীদের।

মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র নদের সুন্দরগঞ্জ উপজেলার লালচামার, সদর উপজেলার কামারজানি ও ফুলছড়ি উপজেলার বালাশিঘাট এলাকায় অষ্টমী স্নান করছিলেন তারা। সনাতন ভক্তরা তাদের পাপ থেকে মুক্তি পেতে স্নান উৎসব  সমবেত হন।

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার পাল জানান, জেলার বিভিন্ন এলাকার পুরুষ, মহিলা, যুবক ও কিশোরসহ সনাতন ভক্তরা ব্রহ্মপুত্র জলে ডুব দিয়ে উৎসব উদযাপন করেছে।

তিনি আরো বলেন, গত বছরের ন্যায় সনাতন তীর্থযাত্রীরা ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান এবং হরি নাম পাঠ, পূজা, ভক্তিমূলক গান ও কীর্তন পাঠ করে তাদের শুদ্ধ করার জন্য জলে স্নান করা হয়।