মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে লকডাউনের অজুহাতে বেড়েছে  সবজিসহ নিত্যপণ্যের দাম

করোনা বিস্তার ঠেকাতে চলমান লকডাউন ও রোজাকে কেন্দ্র গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে সবজিসহ নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্রেতাদের অভিযোগ প্রতিদিনই দাম বাড়ছে নিত্যপণ্যের। এ সময়ে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে শসা, বেগুন ও লেবুর দাম। ইফতারের উপকরণ হিসেবে এগুলোর চাহিদা থাকায় ব্যবসায়ীরা খুচরা বাজারে দাম বাড়িয়েছেন বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। লকডাউনে এমনিতেই আয় রোজগার কমেছে অনেকের। আর এই সময়ে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ। অন্যদিকে নানা অজুহাতে দাম বেড়েছে প্রায় সব ধরনের শাক-সবজির। ৪০ টাকার নিচে মিলছে না কোনো সবজি। এ কারণে নাভিশ্বাস বেড়েছে ক্রেতাদের। শনিবার উপজেলার কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায় সপ্তাহের ব্যবধানে আলু, টমেটো, গোল বেগুন, লম্বা বেগুন, করলা, পটল, লাউ, কাঁচা পেঁপে, শসা, গাজর, সজিনা, বরবটি, চিচিঙ্গা, মিষ্টি কুমড়া, ঝিঙ্গা, কচুর লতি, ঢেঁড়শ, লাউ শাক, লাল শাকসহ সব ধরনের শাক-সবজির দাম বেড়েছে। লকডাউনের আগে যে মূল্য ছিল এখন তা দ্বিগুন হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন বেগুন প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০,আলু ২০/২৫, শসা ৫০ , ঢেঁড়স ৪০, পটল ৪০,করলা ৪০, কাঁচা মরিচ ৩৫/৪০, পেঁয়াজ ৪০/৪৫, সজিনা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সয়াবিন তেল ও বিভিন্ন ডালের দাম আগের চেয়ে অনেক বেশি ।

বাজার করতে আসা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারী জানান, বাজারে সব কিছুর দাম  ঊধ্বমূখী । স্বল্প বেতনের চাকরীতে এই সময়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। নিজামখাঁ গ্রামের এক মধ্যম আয়ের পরিবারের প্রধান আজিজল জানান, নিত্যপণ্যের বাজার এতো চড়া তাতে মুস্কিলে পড়েছি।নিম্ন আয়ের মানুষদের হিমশিম খেতে হচ্ছে বেশি। অন্যএক ক্রেতা জানান, প্রশাসন শুধু লকডাউন বাস্তবায়নে নজর দিয়েছেন। বাজার নিয়ন্ত্রণে নজর না দেয়ায় তাই ব্যবসায়ীরা অন্যায় ভাবে জিনিসপত্রের দাম বাড়াচ্ছে ।

সুন্দরগঞ্জে লকডাউনের অজুহাতে বেড়েছে  সবজিসহ নিত্যপণ্যের দাম

প্রকাশের সময়: ০৬:৪৯:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২১

করোনা বিস্তার ঠেকাতে চলমান লকডাউন ও রোজাকে কেন্দ্র গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে সবজিসহ নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্রেতাদের অভিযোগ প্রতিদিনই দাম বাড়ছে নিত্যপণ্যের। এ সময়ে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে শসা, বেগুন ও লেবুর দাম। ইফতারের উপকরণ হিসেবে এগুলোর চাহিদা থাকায় ব্যবসায়ীরা খুচরা বাজারে দাম বাড়িয়েছেন বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। লকডাউনে এমনিতেই আয় রোজগার কমেছে অনেকের। আর এই সময়ে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ। অন্যদিকে নানা অজুহাতে দাম বেড়েছে প্রায় সব ধরনের শাক-সবজির। ৪০ টাকার নিচে মিলছে না কোনো সবজি। এ কারণে নাভিশ্বাস বেড়েছে ক্রেতাদের। শনিবার উপজেলার কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায় সপ্তাহের ব্যবধানে আলু, টমেটো, গোল বেগুন, লম্বা বেগুন, করলা, পটল, লাউ, কাঁচা পেঁপে, শসা, গাজর, সজিনা, বরবটি, চিচিঙ্গা, মিষ্টি কুমড়া, ঝিঙ্গা, কচুর লতি, ঢেঁড়শ, লাউ শাক, লাল শাকসহ সব ধরনের শাক-সবজির দাম বেড়েছে। লকডাউনের আগে যে মূল্য ছিল এখন তা দ্বিগুন হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন বেগুন প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০,আলু ২০/২৫, শসা ৫০ , ঢেঁড়স ৪০, পটল ৪০,করলা ৪০, কাঁচা মরিচ ৩৫/৪০, পেঁয়াজ ৪০/৪৫, সজিনা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সয়াবিন তেল ও বিভিন্ন ডালের দাম আগের চেয়ে অনেক বেশি ।

বাজার করতে আসা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারী জানান, বাজারে সব কিছুর দাম  ঊধ্বমূখী । স্বল্প বেতনের চাকরীতে এই সময়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। নিজামখাঁ গ্রামের এক মধ্যম আয়ের পরিবারের প্রধান আজিজল জানান, নিত্যপণ্যের বাজার এতো চড়া তাতে মুস্কিলে পড়েছি।নিম্ন আয়ের মানুষদের হিমশিম খেতে হচ্ছে বেশি। অন্যএক ক্রেতা জানান, প্রশাসন শুধু লকডাউন বাস্তবায়নে নজর দিয়েছেন। বাজার নিয়ন্ত্রণে নজর না দেয়ায় তাই ব্যবসায়ীরা অন্যায় ভাবে জিনিসপত্রের দাম বাড়াচ্ছে ।