মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণের অভিযোগে মামুনুলের বিরুদ্ধে ঝর্ণার মামলা দায়ের

হেফাজতে ইসলামের নেতা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন জান্নাত আরা ঝর্ণা। শুক্রবার (৩০ এপ্রিল ) মামুনুল হকের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কের ধর্ষণের অভিযোগ এনে সোনারগাঁ থানায় তিনি মামলাটি করেন।

এ তখ্য নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (তদন্ত) আমির খসরু  জাগো ২৪.নেট-কে জানান, মামলাটি তদন্ত করবেন সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম। অভিযুক্ত মামুনুল হকের সঙ্গে পরিচয় প্রসঙ্গে জান্নাত জানান, মামুনুল হকের সঙ্গে পরিচয়ের আগে তাদের দুই সন্তান আব্দুর রহমান ও মো. তামিমকে নিয়ে সুখী পরিবার ও সুন্দর দাম্পত্য জীবন চলছিল। পরিচয়ের পর থেকে মামুনুল হক তাদের বাসায় (জান্নাত)অবাধ যাতায়াত শুরু করেন। এক পর্যায়ে মামুনুল হকের খারাপ দৃষ্টি পরে। তার পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ছোটখাটো মতানৈক্যের মধ্যে কৌশলে প্রবেশ করে মামুনুল হক দুজনের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি করেন। বিচ্ছেদের বিষয়ে তিনি বলেন, মামুনুল হকের কুপরামর্শে ২০১৮ সালের ১০ আগষ্ট আমাদের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়। তারপর মামুনুল হক আমাকে ঢাকায় নিয়ে আসেন এবং বাসা ভাড়া নিয়ে দেন এবং ভরণ-পোষণের খরচ দিয়ে থাকে।এক পর্যায়ে তিনি আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক (ধর্ষণ) করতে থাকে। জান্নাত আরা ঝর্ণা বলেন, মামুনুল হক আমার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই প্রেরণা করে আসছিলেন। আমি রাষ্ট্রের কাছে এর সু বিচার চাই।

ধর্ষণের অভিযোগে মামুনুলের বিরুদ্ধে ঝর্ণার মামলা দায়ের

প্রকাশের সময়: ০৬:৩১:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল ২০২১

হেফাজতে ইসলামের নেতা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন জান্নাত আরা ঝর্ণা। শুক্রবার (৩০ এপ্রিল ) মামুনুল হকের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কের ধর্ষণের অভিযোগ এনে সোনারগাঁ থানায় তিনি মামলাটি করেন।

এ তখ্য নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (তদন্ত) আমির খসরু  জাগো ২৪.নেট-কে জানান, মামলাটি তদন্ত করবেন সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম। অভিযুক্ত মামুনুল হকের সঙ্গে পরিচয় প্রসঙ্গে জান্নাত জানান, মামুনুল হকের সঙ্গে পরিচয়ের আগে তাদের দুই সন্তান আব্দুর রহমান ও মো. তামিমকে নিয়ে সুখী পরিবার ও সুন্দর দাম্পত্য জীবন চলছিল। পরিচয়ের পর থেকে মামুনুল হক তাদের বাসায় (জান্নাত)অবাধ যাতায়াত শুরু করেন। এক পর্যায়ে মামুনুল হকের খারাপ দৃষ্টি পরে। তার পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ছোটখাটো মতানৈক্যের মধ্যে কৌশলে প্রবেশ করে মামুনুল হক দুজনের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি করেন। বিচ্ছেদের বিষয়ে তিনি বলেন, মামুনুল হকের কুপরামর্শে ২০১৮ সালের ১০ আগষ্ট আমাদের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়। তারপর মামুনুল হক আমাকে ঢাকায় নিয়ে আসেন এবং বাসা ভাড়া নিয়ে দেন এবং ভরণ-পোষণের খরচ দিয়ে থাকে।এক পর্যায়ে তিনি আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক (ধর্ষণ) করতে থাকে। জান্নাত আরা ঝর্ণা বলেন, মামুনুল হক আমার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই প্রেরণা করে আসছিলেন। আমি রাষ্ট্রের কাছে এর সু বিচার চাই।