মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে লুৎফা বেগম (৩০) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।

জানা গেছে, গতকাল  শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলার সাতনালা ইউনিয়নের খামার সাতনালা গ্রামের জামালশাহ্ পাড়ার জাহেদুল ইসলামের স্ত্রী লুৎফা বেগম (৩০) হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাকে প্রথমে স্থানীয় চিকিৎসকের নিকট চিকিৎসা প্রদান করা হয়। এতে লুৎফার শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে স্বামীর বাড়ির লোকজন তাকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপর স্বামীর বাড়ির লোকজন লুৎফার মরদেহ গোপনে দাফনের চেষ্টা করে। এসময় লুৎফা বেগমের স্বামী মো. জাহেদুল ইসলাম কর্মস্থল নোয়াখালীতে অবস্থান করছিল। আজ শনিবার (১ মে) সকালে তিনি বাড়িতে ফিরে এসেছেন। থানা পুলিশ গোপনে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দুপুর ১২টায় সেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই তাজুল ইসলাম জাগো২৪.নেট-কে জানান, মৃত লুৎফার নাক ও মুখে ফেনা ছিল এবং মাথায় হালকা আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুব্রত কুমার সরকার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জাগো২৪.নেট-কে জানান, ময়না তদন্তের রিপোর্ট মোতাবেক পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

চিরিরবন্দরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

প্রকাশের সময়: ০৯:২১:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মে ২০২১

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে লুৎফা বেগম (৩০) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।

জানা গেছে, গতকাল  শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলার সাতনালা ইউনিয়নের খামার সাতনালা গ্রামের জামালশাহ্ পাড়ার জাহেদুল ইসলামের স্ত্রী লুৎফা বেগম (৩০) হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাকে প্রথমে স্থানীয় চিকিৎসকের নিকট চিকিৎসা প্রদান করা হয়। এতে লুৎফার শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে স্বামীর বাড়ির লোকজন তাকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপর স্বামীর বাড়ির লোকজন লুৎফার মরদেহ গোপনে দাফনের চেষ্টা করে। এসময় লুৎফা বেগমের স্বামী মো. জাহেদুল ইসলাম কর্মস্থল নোয়াখালীতে অবস্থান করছিল। আজ শনিবার (১ মে) সকালে তিনি বাড়িতে ফিরে এসেছেন। থানা পুলিশ গোপনে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দুপুর ১২টায় সেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই তাজুল ইসলাম জাগো২৪.নেট-কে জানান, মৃত লুৎফার নাক ও মুখে ফেনা ছিল এবং মাথায় হালকা আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুব্রত কুমার সরকার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জাগো২৪.নেট-কে জানান, ময়না তদন্তের রিপোর্ট মোতাবেক পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।