মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর নিয়ে যারা কথা বলছেন তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী নয়: ডেপুটি স্পিকার

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর নিয়ে যারা কথা বলছেন তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী নয়। মুক্তিযুদ্ধে তারা বিরোধিতা করেছিল। বীরমুক্তিযোদ্ধারা বেঁচে থাকতে এই সব মৌলবাদের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মোকাবেলা করা হবে। শুধু তায় নয়, করোনাভাইরাসকে কেন্দ্র করে একটা গভীর আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু আবার তারা নতুন করে পায়তারা করছে।

শুক্রবার (৪ ডিসেম্বর)বিকেলে গাইবান্ধা সাঘাটা উপজেলার মুক্তিনগর ও বোনারপারা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স চত্বরে সাঘাটা উপজেলা হানাদার মুক্ত দিবসে এক মুক্তিযোদ্ধা জনতা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, একাত্তুরের পরাজিত শক্তি ১৫ আগষ্ঠ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের সকল সদস্যকে হত্যা করে। তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বার বার হত্যার জন্য ষড়যন্ত্র করেছে, গ্রেনেড হামলা চালিয়েছে। আজ এই মৌলবাদীরা বঙ্গবন্ধুর ভার্স্কয নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে।

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. সাদেকুল ইসলাম, বীরমুক্তিযোদ্ধার শামছুল আলম, গৌতম চন্দ্র মোদক, গোলাম মোস্তফা, শাহাদৎ হোসেন, উপজেলা আওয়ামালীগের সভাপতি নাজমুল হুদা দুদু, সাধারণ সম্পাদক আবদুল হামিদ বাবু, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নাছিরুল আলম স্বপন প্রমূখ।

উল্লেখ্য, সাঘাটা থানা হানাদার মুক্ত করার জন্য সম্মুখ যুদ্ধে একাত্তুরের ৪ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা ২২ জন হানাদার বাহিনীর সদস্যকে হত্যা করে। এসময় যুদ্ধে ৫ মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর নিয়ে যারা কথা বলছেন তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী নয়: ডেপুটি স্পিকার

প্রকাশের সময়: ০৫:০২:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২০

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর নিয়ে যারা কথা বলছেন তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী নয়। মুক্তিযুদ্ধে তারা বিরোধিতা করেছিল। বীরমুক্তিযোদ্ধারা বেঁচে থাকতে এই সব মৌলবাদের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মোকাবেলা করা হবে। শুধু তায় নয়, করোনাভাইরাসকে কেন্দ্র করে একটা গভীর আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু আবার তারা নতুন করে পায়তারা করছে।

শুক্রবার (৪ ডিসেম্বর)বিকেলে গাইবান্ধা সাঘাটা উপজেলার মুক্তিনগর ও বোনারপারা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স চত্বরে সাঘাটা উপজেলা হানাদার মুক্ত দিবসে এক মুক্তিযোদ্ধা জনতা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, একাত্তুরের পরাজিত শক্তি ১৫ আগষ্ঠ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের সকল সদস্যকে হত্যা করে। তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বার বার হত্যার জন্য ষড়যন্ত্র করেছে, গ্রেনেড হামলা চালিয়েছে। আজ এই মৌলবাদীরা বঙ্গবন্ধুর ভার্স্কয নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে।

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. সাদেকুল ইসলাম, বীরমুক্তিযোদ্ধার শামছুল আলম, গৌতম চন্দ্র মোদক, গোলাম মোস্তফা, শাহাদৎ হোসেন, উপজেলা আওয়ামালীগের সভাপতি নাজমুল হুদা দুদু, সাধারণ সম্পাদক আবদুল হামিদ বাবু, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নাছিরুল আলম স্বপন প্রমূখ।

উল্লেখ্য, সাঘাটা থানা হানাদার মুক্ত করার জন্য সম্মুখ যুদ্ধে একাত্তুরের ৪ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা ২২ জন হানাদার বাহিনীর সদস্যকে হত্যা করে। এসময় যুদ্ধে ৫ মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।