বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেশে ৬৪ হাজার বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনের উদ্যোগ

বায়োগ্যাস প্লান্ট নিয়ে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দেশের প্রতিটি জেলায় ১ হাজার করে মোট ৬৪ হাজার বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন করা হবে। এতে রান্নার গ্যাসের চাহিদার পাশাপাশি নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়বে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

দেশে উৎপাদিত জৈব পদার্থ পচনের ফলে বিভিন্ন যে গ্যাস পাওয়া যায় তার মিশ্রিত রূপ হলো বায়োগ্যাস। জৈব সার, পৌর বর্জ্য, নর্দমার আবর্জনা, খাদ্যবর্জ্যের কাঁচামাল থেকে বায়োগ্যাস উৎপন্ন হয়।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, দেশের ৬৪ জেলায় বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন করবে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর। এর মাধ্যমে খামার স্থাপন করে মোট ১ লাখ ২৮ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। দেশের ৪৯২টি উপজেলায় ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। এ প্রকল্পে ব্যয় হবে ২০৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে এটি বাস্তবায়ন হবে।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশের সব জেলায় বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনের মাধ্যমে রান্নার জ্বালানি সংকট নিরসন হবে। পরিবেশ দূষণ কমানোর পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার বাড়বে। এছাড়া এ প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ সহায়তা দিয়ে বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনের মাধ্যমে গ্রামীণ যুবকদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

দেশে ৬৪ হাজার বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনের উদ্যোগ

প্রকাশের সময়: ১১:৪৩:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

বায়োগ্যাস প্লান্ট নিয়ে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দেশের প্রতিটি জেলায় ১ হাজার করে মোট ৬৪ হাজার বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন করা হবে। এতে রান্নার গ্যাসের চাহিদার পাশাপাশি নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়বে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

দেশে উৎপাদিত জৈব পদার্থ পচনের ফলে বিভিন্ন যে গ্যাস পাওয়া যায় তার মিশ্রিত রূপ হলো বায়োগ্যাস। জৈব সার, পৌর বর্জ্য, নর্দমার আবর্জনা, খাদ্যবর্জ্যের কাঁচামাল থেকে বায়োগ্যাস উৎপন্ন হয়।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, দেশের ৬৪ জেলায় বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন করবে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর। এর মাধ্যমে খামার স্থাপন করে মোট ১ লাখ ২৮ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। দেশের ৪৯২টি উপজেলায় ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। এ প্রকল্পে ব্যয় হবে ২০৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে এটি বাস্তবায়ন হবে।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশের সব জেলায় বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনের মাধ্যমে রান্নার জ্বালানি সংকট নিরসন হবে। পরিবেশ দূষণ কমানোর পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার বাড়বে। এছাড়া এ প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ সহায়তা দিয়ে বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনের মাধ্যমে গ্রামীণ যুবকদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।