কোন বাবা-মাকে যদি প্রশ্ন করা হয় তোমাদের নিকট পৃথিবীর সবচেয়ে দামী সম্পদ কোনটি। তখন তারা বললেন সন্তান। সেটা ধনী হোক আর গরীব। সন্তানের জন্য বাবা-মা সবকিছুই করতে প্রস্তুত। এমনকি নিজের কিডনী পর্যন্ত দিয়ে হলেও সন্তানকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু বিষয়টি যদি আরো জটিল হয় এবং বাবা-মা উপায়হীন হয়ে পড়েন। তখন অবশ্যই সমাজের বিবেকবান মানুষেরাই এগিয়ে আসেন।
হার্ট ফুটোসহ আরো তিনটি রোগে আক্রান্ত ১৩ মাস বয়সী শিশু রাইয়ান। ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন (শিশু) হাসপাতালে ওপেন হার্ট সার্জারী করতে সব মিলে ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকার প্রয়োজন। বাবা মসজিদের ইমামতি করে ১২শ টাকা আর আরবী প্রাইভেট পড়িয়ে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা মাসে আয় করেন। মা বাড়িতে দরজি কাজ করে যা পান তাই দিয়ে সংসার চালান।
এ বিষয়ে গত ৮ সেপ্টেম্বর সহায়তার আবেদন জানিয়ে ফেসবুকে একটি পোষ্ট করেছিলেন সাংবাদিক বাদশা সৈয়কত। সেই পোষ্ট দেখে অপরিচিত অনেকেই বিভিন্ন পরিমানে রাইয়ানের বাবার বিকাশ একাউন্ডে প্রায় ৫ হাজার টাকা পাঠিয়েছেন। এছাড়াও পোষ্টটি দেখে কুড়িগ্রামের কঁচাকাটার নজরুল ইসলাম (সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্টের শিক্ষক) তিনি নিজের তার সহকর্মীদের নিকট থেকে নিয়ে ৬ হাজার ৩০০ টাকা বিকাশে পাঠিয়েছেন। ধন্যবাদ নজরুল ইসলামসহ যারা সহায়তা করেছেন সবাইকে।
এরই মধ্যে শিশু রাইয়ানকে নিয়ে তার বাবা-মা কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার সৈয়দা জান্নাত আরার নিকট গেলে তিনি সঙ্গে সঙ্গেই ১০ হাজার টাকা সহায়তা করেন।
এদিকে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিমের নিকট আবেদন করলে তিনিও সহায়তা করবেন বলে আশ্বস্থ করেছেন। বাবা-মা সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করছেন। আরো অর্থের প্রয়োজন।
আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর রাইয়ানের অপারেশনের জন্য তারিখ নির্ধারন করেছেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের ডা. শরিফুজ্জামান।
যদি আরো কেউ সহায়তা করতে চান তাহলে অবশ্যই রাইয়ানের বাবা মো: মুরশিদুলের ০১৭৩৭৭১৮০১৮ এই নাম্বারে যোগাযোগ করবেন। ০১৭৩৭৭১৮০১৮ এই নাম্বারেই বিকাশ, নগদ ও রকেট একাউন্ড খোলা রয়েছে।
নিউজ ডেস্ক, জাগো২৪.নেট 


















