সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খ্যাতিমান-বরেণ্য লেখক দ্বিজেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী’র লেখাই হচ্ছে ধ্যান-জ্ঞান-স্বপ্ন

দ্বিজেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী। তিনি একজন খ্যাতিমান নাট্যকার এবং নির্দেশক। তিনি প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের মেধা বিকাশ ও সংস্কৃতি বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করছেন। এজন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন বরেন্দ্র শিশু থিয়েটার। তিনি দিনাজপুরের চিরিবন্দর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল ভিয়াইল ইউনিয়নের নানিয়াটিকর গ্রামে ১৯৫০ সালের ১০ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মৃত শশীমোহন ব্যানার্জীর ছেলে। তিনি শৈশব থেকেই অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন।

তিনি পর্যায়ক্রমে এম, এ (ডাবল) বি, এড কাব্যতীর্থ, এলএলবি পাশ করে রাজশাহী সরকারি সিরোইল উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারি প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণ করার পর তিনি রাজশাহী বিয়াম মডেল স্কুল প্রতিষ্ঠা করে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। চাকুরির পাশাপাশি তিনি রাজশাহীতে বরেন্দ্র শিশু থিয়েটার, শশীমোহন ব্যানার্জী স্মৃতি গ্রন্থাগার, বরেন্দ্র শিশু গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি শৈশবকাল থেকেই কবিতা, নাটক, উপন্যাস লেখা শুরু করেন। তাঁর রচনা ও নির্দেশনায় বরেন্দ্র শিশু থিয়েটার ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। এ পরিচিতির সুবাদে বাংলা ভাষা শিক্ষক পর্যদ শান্তিনগর, ঢাকার রাজশাহী অঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি রাজশাহী সনাতন ধর্ম সংঘের সাহিত্য সম্পাদক, রাজশাহী সাহিত পরিষদ, রাজশাহী লেখক পাঠক সংঘ, রাজশাহী নাট্য আন্দোলন পরিষদের সদস্য হিসেবে কাজ করেন।

তিনি ১৯৯৫ ও ২০০১ সালে রাজশাহীর জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি জাতীয় পর্যায়ে দু’বার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক স্বর্ণ পদক লাভ করেন। ২০০৯ সালে তিনি জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা উদ্যোক্তা হিসেবে বাংলাদেশ কবিতা সংসদ, পাবনা থেকে ইসমাইল হোসেন সিরাজী স্বর্ণ পদক, বগুড়া পুন্ড্রবর্ধন সাহিত্য কল্যাণ পরিষদ থেকে সাহিত্য পদক ও ঠাকুরগাঁও জেলা সাহিত্য পরিষদ থেকে সাহিত্য পদক, নাট্যকার ও নাট্য সংগঠক হিসেবে জাতীয় পর্যায়ে ৬ বার সংবর্ধনা ও পদক গ্রহণ করেন। তিনি ২০১০ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনে সম্মাননা পদকসহ পশ্চিম বঙ্গের ড. বি. আর আম্বেদকর হ্যান্ডিক্রাফ্ট ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির সম্মাননা পদক লাভ করেন।

‘বর্ণ বৈভব’ গ্রন্থ লেখার জন্য তিনি বর্ণের জাদুকর খেতাবে ভূষিত হন। এ খ্যাতিমান ও বরেণ্য নাট্যকারের আত্মজীবনী ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে প্রকাশিত “ঙঁঃংঃধহফরহম ঢ়বড়ঢ়ষব ড়ভ ঃযব ২০ঃয পবহঃঁৎু” শীর্ষক বিখ্যাত মনিষীদের জীবনীগ্রন্থে ও ২০০০ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত সংসদ বাংলা নাট্য অভিধান গ্রন্থেও তাঁর আত্মজীবনী প্রকাশিত হয়।

এ খ্যাতিমান নাট্যকারের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ৪৫টি এবং প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে ২৫টি গ্রন্থ। তাঁর বেশ কিছু নাটক বিটিভিসহ ঢাকা, রাজশাহী, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, যশোরসহ বিভিন্ন মঞ্চে মঞ্চায়িত হয়েছে। তাঁর উলেখযোগ্য নাটকগুলো হচ্ছে- জুতা আবিস্কার, মায়ের ডাক, মনিহার, জিঘাংসা, প্রসন্ন প্রকৃতি, চিড়িয়াখানা, প্রজন্ম আগামী, নীরব কলোল, ভাষার ভূবনে, বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর, সবুজ মন, ভর্তি পরীক্ষা, এদের ধরিয়ে দিন, বাঁশি গোলাপী, ঋতুচক্র, অর্বাচীনের অনুশীলন, মিলনের মোহনায়, অতিথি সংকট, শুভংকরের ফাঁকি, কংলক মোচন, কবিতার মুক্তি চাই, নিস্কৃতি, পাঠশালা পলায়ন, স্বর্ণ পদক ইত্যাদি।

তিনি শুধুমাত্র একটি বর্ণ শব্দের প্রথমে ‘প’ অক্ষর দিয়ে একটি উপন্যাাস ‘পতিংবরা’ ও ১ ঘন্টার একটি নাটক রচনা করে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন। বিশ্বসাহিত্যে এ পদ্ধতিতে লিখিত প্রথম উপন্যাস ‘পতিংবরা’। এছাড়া বাংলা ভাষায় প্রকাশিত গবেষণামূলক প্রথম উপন্যাসও এটি। বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস ‘পতিংবরা’র কয়েকটি লাইন তুলে দেয়া হলো-পাঠশালা পালাবার প্রানহীন পেক্ষাপট প্রকৃতপক্ষে পীড়াদায়ক। প্রাচীন পদ্ধতিতে পড়াশোনায় পরিতৃপ্তি পাওয়া প্রশ্নাতীত। পন্ডিতের প্রহার পড়াশোনার পরিপন্থী। পুরস্কারের পরিবর্তে প্রহারই প্রাধান্য পাচ্ছে পাঠশালাগুলিতে। পরীক্ষার পূর্বে প্রশ্নপত্র প্রকাশ প্রীতিহীন, পরীক্ষার পর প্রমোশন পেতে, প্রথম পেস পেতে, পক্ষপাতিত্ব, প্রতিহিংসা প্রাধান্য পাচ্ছে। পাঠ পরিকল্পনা পরিবর্জিত পড়াশোনা প্রতারণার পর্যায়ে পড়ে। পাঠশালার প্রিয় প্রাঙ্গন পশু পালনের প্রধান প্রান্তরে পরিণত। পাঠে পিছিয়ে পড়া, পাঠোন্নতিতে প্রত্যাশাহীনতা, পাঠদানে পরিবেশের প্রতিকুলতা প্রভৃতি পাঠশালা পলায়নের প্রধান পেক্ষাপট।

এছাড়াও মহাভারতের মহারাজ বিরাট এর পর্বানুসারে ‘অজ্ঞাতবাস’ নামে একটি মহাকাব্য লিখেন। এ মহাকাব্যের বিষয় বস্তু হচ্ছে পঞ্চপাঞ্চবের ১২ বৎসর বনবাসে অবস্থানের পর মৎস্যরাজ্যের অধিপতি মহারাজ বিরাটের বাসভবনে এক বৎসর আত্মগোপনে অবস্থান করা। এখানে পঞ্চপাঞ্চব ও দ্রৌপদী তাদের প্রকৃত নাম গোপন করে যথাক্রমে কঙ্ক, বল্লব, বহন্নলা, গ্রন্থিক ও তন্ত্রিপাল এবং দ্রৌপদীর নাম সৈরিন্ত্রী রাখেন। অমিত্রাক্ষর ছন্দের বাতাবরণে অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত এই ৪শত পৃষ্টার মহাকাব্য ২২টি সর্গে বিভক্ত। গত ২৪ সেপ্টেম্বর এ মহাকাব্যের অনলাইনে মোড়ক উন্মোচন করা হয়। ছবি আছে।

খ্যাতিমান-বরেণ্য লেখক দ্বিজেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী’র লেখাই হচ্ছে ধ্যান-জ্ঞান-স্বপ্ন

প্রকাশের সময়: ০৫:১৭:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ নভেম্বর ২০২১

দ্বিজেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী। তিনি একজন খ্যাতিমান নাট্যকার এবং নির্দেশক। তিনি প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের মেধা বিকাশ ও সংস্কৃতি বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করছেন। এজন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন বরেন্দ্র শিশু থিয়েটার। তিনি দিনাজপুরের চিরিবন্দর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল ভিয়াইল ইউনিয়নের নানিয়াটিকর গ্রামে ১৯৫০ সালের ১০ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মৃত শশীমোহন ব্যানার্জীর ছেলে। তিনি শৈশব থেকেই অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন।

তিনি পর্যায়ক্রমে এম, এ (ডাবল) বি, এড কাব্যতীর্থ, এলএলবি পাশ করে রাজশাহী সরকারি সিরোইল উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারি প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণ করার পর তিনি রাজশাহী বিয়াম মডেল স্কুল প্রতিষ্ঠা করে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। চাকুরির পাশাপাশি তিনি রাজশাহীতে বরেন্দ্র শিশু থিয়েটার, শশীমোহন ব্যানার্জী স্মৃতি গ্রন্থাগার, বরেন্দ্র শিশু গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি শৈশবকাল থেকেই কবিতা, নাটক, উপন্যাস লেখা শুরু করেন। তাঁর রচনা ও নির্দেশনায় বরেন্দ্র শিশু থিয়েটার ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। এ পরিচিতির সুবাদে বাংলা ভাষা শিক্ষক পর্যদ শান্তিনগর, ঢাকার রাজশাহী অঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি রাজশাহী সনাতন ধর্ম সংঘের সাহিত্য সম্পাদক, রাজশাহী সাহিত পরিষদ, রাজশাহী লেখক পাঠক সংঘ, রাজশাহী নাট্য আন্দোলন পরিষদের সদস্য হিসেবে কাজ করেন।

তিনি ১৯৯৫ ও ২০০১ সালে রাজশাহীর জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি জাতীয় পর্যায়ে দু’বার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক স্বর্ণ পদক লাভ করেন। ২০০৯ সালে তিনি জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা উদ্যোক্তা হিসেবে বাংলাদেশ কবিতা সংসদ, পাবনা থেকে ইসমাইল হোসেন সিরাজী স্বর্ণ পদক, বগুড়া পুন্ড্রবর্ধন সাহিত্য কল্যাণ পরিষদ থেকে সাহিত্য পদক ও ঠাকুরগাঁও জেলা সাহিত্য পরিষদ থেকে সাহিত্য পদক, নাট্যকার ও নাট্য সংগঠক হিসেবে জাতীয় পর্যায়ে ৬ বার সংবর্ধনা ও পদক গ্রহণ করেন। তিনি ২০১০ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনে সম্মাননা পদকসহ পশ্চিম বঙ্গের ড. বি. আর আম্বেদকর হ্যান্ডিক্রাফ্ট ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির সম্মাননা পদক লাভ করেন।

‘বর্ণ বৈভব’ গ্রন্থ লেখার জন্য তিনি বর্ণের জাদুকর খেতাবে ভূষিত হন। এ খ্যাতিমান ও বরেণ্য নাট্যকারের আত্মজীবনী ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে প্রকাশিত “ঙঁঃংঃধহফরহম ঢ়বড়ঢ়ষব ড়ভ ঃযব ২০ঃয পবহঃঁৎু” শীর্ষক বিখ্যাত মনিষীদের জীবনীগ্রন্থে ও ২০০০ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত সংসদ বাংলা নাট্য অভিধান গ্রন্থেও তাঁর আত্মজীবনী প্রকাশিত হয়।

এ খ্যাতিমান নাট্যকারের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ৪৫টি এবং প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে ২৫টি গ্রন্থ। তাঁর বেশ কিছু নাটক বিটিভিসহ ঢাকা, রাজশাহী, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, যশোরসহ বিভিন্ন মঞ্চে মঞ্চায়িত হয়েছে। তাঁর উলেখযোগ্য নাটকগুলো হচ্ছে- জুতা আবিস্কার, মায়ের ডাক, মনিহার, জিঘাংসা, প্রসন্ন প্রকৃতি, চিড়িয়াখানা, প্রজন্ম আগামী, নীরব কলোল, ভাষার ভূবনে, বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর, সবুজ মন, ভর্তি পরীক্ষা, এদের ধরিয়ে দিন, বাঁশি গোলাপী, ঋতুচক্র, অর্বাচীনের অনুশীলন, মিলনের মোহনায়, অতিথি সংকট, শুভংকরের ফাঁকি, কংলক মোচন, কবিতার মুক্তি চাই, নিস্কৃতি, পাঠশালা পলায়ন, স্বর্ণ পদক ইত্যাদি।

তিনি শুধুমাত্র একটি বর্ণ শব্দের প্রথমে ‘প’ অক্ষর দিয়ে একটি উপন্যাাস ‘পতিংবরা’ ও ১ ঘন্টার একটি নাটক রচনা করে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন। বিশ্বসাহিত্যে এ পদ্ধতিতে লিখিত প্রথম উপন্যাস ‘পতিংবরা’। এছাড়া বাংলা ভাষায় প্রকাশিত গবেষণামূলক প্রথম উপন্যাসও এটি। বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস ‘পতিংবরা’র কয়েকটি লাইন তুলে দেয়া হলো-পাঠশালা পালাবার প্রানহীন পেক্ষাপট প্রকৃতপক্ষে পীড়াদায়ক। প্রাচীন পদ্ধতিতে পড়াশোনায় পরিতৃপ্তি পাওয়া প্রশ্নাতীত। পন্ডিতের প্রহার পড়াশোনার পরিপন্থী। পুরস্কারের পরিবর্তে প্রহারই প্রাধান্য পাচ্ছে পাঠশালাগুলিতে। পরীক্ষার পূর্বে প্রশ্নপত্র প্রকাশ প্রীতিহীন, পরীক্ষার পর প্রমোশন পেতে, প্রথম পেস পেতে, পক্ষপাতিত্ব, প্রতিহিংসা প্রাধান্য পাচ্ছে। পাঠ পরিকল্পনা পরিবর্জিত পড়াশোনা প্রতারণার পর্যায়ে পড়ে। পাঠশালার প্রিয় প্রাঙ্গন পশু পালনের প্রধান প্রান্তরে পরিণত। পাঠে পিছিয়ে পড়া, পাঠোন্নতিতে প্রত্যাশাহীনতা, পাঠদানে পরিবেশের প্রতিকুলতা প্রভৃতি পাঠশালা পলায়নের প্রধান পেক্ষাপট।

এছাড়াও মহাভারতের মহারাজ বিরাট এর পর্বানুসারে ‘অজ্ঞাতবাস’ নামে একটি মহাকাব্য লিখেন। এ মহাকাব্যের বিষয় বস্তু হচ্ছে পঞ্চপাঞ্চবের ১২ বৎসর বনবাসে অবস্থানের পর মৎস্যরাজ্যের অধিপতি মহারাজ বিরাটের বাসভবনে এক বৎসর আত্মগোপনে অবস্থান করা। এখানে পঞ্চপাঞ্চব ও দ্রৌপদী তাদের প্রকৃত নাম গোপন করে যথাক্রমে কঙ্ক, বল্লব, বহন্নলা, গ্রন্থিক ও তন্ত্রিপাল এবং দ্রৌপদীর নাম সৈরিন্ত্রী রাখেন। অমিত্রাক্ষর ছন্দের বাতাবরণে অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত এই ৪শত পৃষ্টার মহাকাব্য ২২টি সর্গে বিভক্ত। গত ২৪ সেপ্টেম্বর এ মহাকাব্যের অনলাইনে মোড়ক উন্মোচন করা হয়। ছবি আছে।