বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমিনবাজারে ৬ ছাত্র হত্যা মামলায় ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

২০১১ সালের ১৭ জুলাই শবে বরাতের রাতে আমিনবাজারের বড়দেশি গ্রামের কেবলার চরে ডাকাত সন্দেহে ৬ ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। সেই সময়ের করা হত্যা মামলায় ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইসমত জাহান এ রায় ঘোষণা করেন।

এদিন সকাল সাড়ে ৮টায় মামলার ৫৭ আসামির মধ্যে ৪৪ জনকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতে আনা হয়। এরপর তাদের রাখা হয় আদালতের হাজতখানায়। সেখান থেকে বেলা ১১টার পর এজলাসে তোলা হয়।

গত ২২ নভেম্বর ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইসমত জাহান রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন। মামলায় ৯২ সাক্ষীর মধ্যে ৫৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ রায় দেয়া হলো।

নিহতরা হলেন- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ম্যাপললিফের এ লেভেলের ছাত্র শামস রহিম শামীম (১৮)মিরপুর বাংলা কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র তৌহিদুর রহমান পলাশ (২০)একই কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ইব্রাহিম খলিল (২১)উচ্চমাধ্যমিক বিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র কামরুজ্জামান কান্ত (১৬)তেজগাঁও কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র টিপু সুলতান (১৯) ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউবিটি) বিবিএ দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র সিতাব জাবির মুনিব (২০)।

ঘটনার পর নিহতদের বিরুদ্ধেই ডাকাতির অভিযোগ এনে গ্রামবাসীর পক্ষে সাভার মডেল থানায় মামলা করেন আব্দুল মালেক নামে এক বালু ব্যবসায়ী। অন্যদিকে ৬ কলেজছাত্র হত্যাকাণ্ডে ৬০০ গ্রামবাসীকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন।

২০১৩ সালের ৭ জানুয়ারি র‌্যাব সদর দফতরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরীফ উদ্দিন আহমেদ ৬০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ওই বছরের ৮ জুলাই মামলার ৬০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জশিট) গঠন করেন ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. হেলালউদ্দিন।

চার্জশিটভুক্ত ৬০ আসামি হলেনডাকাতি মামলার বাদী আব্দুল মালেকসাঈদ মেম্বরআব্দুর রশিদইসমাইল হোসেন রেফুনিহর ওরফে জমশের আলীমীর হোসেনমজিবর রহমানকবির হোসেনআনোয়ার হোসেনরজুর আলী সোহাগআলমরানাআ. হালিমছাব্বির আহম্মেদআলমগীরআনোয়ার হোসেন আনুমোবারক হোসেনঅখিল খন্দকারবশিররুবেলনূর ইসলামআনিসসালেহ আহমেদশাহাদাত হোসেন রুবেলটুটুলঅখিলমাসুদনিজামউদ্দিনমোখলেছকালামআফজালবাদশা মিয়াতোতনসাইফুলরহিমশাহজাহানসুলতানসোহাগলেমনসায়মনএনায়েতহায়দারখালেদইমান আলীদুলালআলমআসলাম মিয়াশাহীন আহমেদফরিদ খানরাজীব হোসেনহাতকাটা রহিমমো. ওয়াসিমসেলিম মোল্লাসানোয়ার হোসেনশামসুল হক ওরফে শামচু মেম্বাররাশেদসাইফুলসাত্তারসেলিম ও মনির। আসামিদের মধ্যে কবির হোসেন ও রাশেদসহ ৩ জন মারা গেছেন। সুত্রঃ সিটি নিউজ ঢাকা

আমিনবাজারে ৬ ছাত্র হত্যা মামলায় ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের সময়: ১২:৩৬:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর ২০২১

২০১১ সালের ১৭ জুলাই শবে বরাতের রাতে আমিনবাজারের বড়দেশি গ্রামের কেবলার চরে ডাকাত সন্দেহে ৬ ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। সেই সময়ের করা হত্যা মামলায় ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইসমত জাহান এ রায় ঘোষণা করেন।

এদিন সকাল সাড়ে ৮টায় মামলার ৫৭ আসামির মধ্যে ৪৪ জনকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতে আনা হয়। এরপর তাদের রাখা হয় আদালতের হাজতখানায়। সেখান থেকে বেলা ১১টার পর এজলাসে তোলা হয়।

গত ২২ নভেম্বর ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইসমত জাহান রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন। মামলায় ৯২ সাক্ষীর মধ্যে ৫৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ রায় দেয়া হলো।

নিহতরা হলেন- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ম্যাপললিফের এ লেভেলের ছাত্র শামস রহিম শামীম (১৮)মিরপুর বাংলা কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র তৌহিদুর রহমান পলাশ (২০)একই কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ইব্রাহিম খলিল (২১)উচ্চমাধ্যমিক বিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র কামরুজ্জামান কান্ত (১৬)তেজগাঁও কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র টিপু সুলতান (১৯) ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউবিটি) বিবিএ দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র সিতাব জাবির মুনিব (২০)।

ঘটনার পর নিহতদের বিরুদ্ধেই ডাকাতির অভিযোগ এনে গ্রামবাসীর পক্ষে সাভার মডেল থানায় মামলা করেন আব্দুল মালেক নামে এক বালু ব্যবসায়ী। অন্যদিকে ৬ কলেজছাত্র হত্যাকাণ্ডে ৬০০ গ্রামবাসীকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন।

২০১৩ সালের ৭ জানুয়ারি র‌্যাব সদর দফতরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরীফ উদ্দিন আহমেদ ৬০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ওই বছরের ৮ জুলাই মামলার ৬০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জশিট) গঠন করেন ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. হেলালউদ্দিন।

চার্জশিটভুক্ত ৬০ আসামি হলেনডাকাতি মামলার বাদী আব্দুল মালেকসাঈদ মেম্বরআব্দুর রশিদইসমাইল হোসেন রেফুনিহর ওরফে জমশের আলীমীর হোসেনমজিবর রহমানকবির হোসেনআনোয়ার হোসেনরজুর আলী সোহাগআলমরানাআ. হালিমছাব্বির আহম্মেদআলমগীরআনোয়ার হোসেন আনুমোবারক হোসেনঅখিল খন্দকারবশিররুবেলনূর ইসলামআনিসসালেহ আহমেদশাহাদাত হোসেন রুবেলটুটুলঅখিলমাসুদনিজামউদ্দিনমোখলেছকালামআফজালবাদশা মিয়াতোতনসাইফুলরহিমশাহজাহানসুলতানসোহাগলেমনসায়মনএনায়েতহায়দারখালেদইমান আলীদুলালআলমআসলাম মিয়াশাহীন আহমেদফরিদ খানরাজীব হোসেনহাতকাটা রহিমমো. ওয়াসিমসেলিম মোল্লাসানোয়ার হোসেনশামসুল হক ওরফে শামচু মেম্বাররাশেদসাইফুলসাত্তারসেলিম ও মনির। আসামিদের মধ্যে কবির হোসেন ও রাশেদসহ ৩ জন মারা গেছেন। সুত্রঃ সিটি নিউজ ঢাকা