বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ওমিক্রন ঠেকাতে হিলি চেকপোস্ট ও স্থলবন্দরে বাড়তি সতর্কতা

করোনা ভাইরাসের নতুন ধরণ ওমিক্রন নিয়ে দিনাজপুরের হিলি ইমিগ্রেশন ও স্থলবন্দরে বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
শনিবার (৪ ডিসেম্বর) হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ও স্থলবন্দর ঘুরে দেখা যায়,  ভারত থেকে আসা সকল পাসপোর্ট যাত্রীদের করোনা ভাইরাসের নেগেটিভ সনদ, রক্ত পরীক্ষাসহ নানা তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। অপরদিকে হিলি স্থল বন্দরে ভারত থেকে আসা সকল পণ্যবাহী ট্রাক চালক-হেলপারদের হ্যান্ড স্ক্যানার দিয়ে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। বন্দর শ্রমিকদের মাঝেও সচেতন বাড়ানো হচ্ছে।
হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা তৌহিদ আল হাসান জানান, দক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া করোনা ভাইরাসের মতো ওমিক্রন ইতিমধ্যে ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এ বিষয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে। হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের প্রবেশপথে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নতুন ওমিক্রন ভাইরাসকে প্রতিরোধে করতে সব ধরনের প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দরেরর শ্রমিক প্রধান গোলাম মোর্শেদ বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে সরকারি সকল বিধিনিষেধ অনুযায়ী বন্দর সহ সব স্থানের শ্রমিকরা চলছে। প্রায় ৫০০ শ্রমিক বন্দরে কাজ করছে, তারা মাস্ক পরিধান করে আসছে। এছাড়াও সব শ্রমিকদের টিকার আওতায় আনা হয়েছে। বর্তমান বিশ্বে ওমিক্রন নামক ভাইরাসের আগমন ঘটেছে, তাই প্রতিনিয়ত শ্রমিকদের আরও সচেতন করছি। তারা অবশ্যই যেন মাস্ক ব্যবহার সহ ভারতীয় ট্রাক চালক-হেলপারদের সাথে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলাচল করে।
হিলি পানামা পোর্ট লিংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অনন্ত কুমার চক্রবর্তী (নেপাল) জাগো২৪.নেট-কে জানান, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে সরকারের নিকট থেকে কোন প্রকার নির্দেশনা পাইনি। নির্দেশনা পেলে সেই ধরনের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তবে করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় সরকারের বিধিনিষেধ অনুযায়ী বন্দরের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বন্দরে শ্রমিক সহ সকলকে মাস্ক ব্যবহার করা ও ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক চালক-হেলপারদের তাপমাত্রা নির্ণয় করা হচ্ছে।

ওমিক্রন ঠেকাতে হিলি চেকপোস্ট ও স্থলবন্দরে বাড়তি সতর্কতা

প্রকাশের সময়: ০৪:৪২:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২১
করোনা ভাইরাসের নতুন ধরণ ওমিক্রন নিয়ে দিনাজপুরের হিলি ইমিগ্রেশন ও স্থলবন্দরে বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
শনিবার (৪ ডিসেম্বর) হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ও স্থলবন্দর ঘুরে দেখা যায়,  ভারত থেকে আসা সকল পাসপোর্ট যাত্রীদের করোনা ভাইরাসের নেগেটিভ সনদ, রক্ত পরীক্ষাসহ নানা তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। অপরদিকে হিলি স্থল বন্দরে ভারত থেকে আসা সকল পণ্যবাহী ট্রাক চালক-হেলপারদের হ্যান্ড স্ক্যানার দিয়ে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। বন্দর শ্রমিকদের মাঝেও সচেতন বাড়ানো হচ্ছে।
হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা তৌহিদ আল হাসান জানান, দক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া করোনা ভাইরাসের মতো ওমিক্রন ইতিমধ্যে ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এ বিষয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে। হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের প্রবেশপথে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নতুন ওমিক্রন ভাইরাসকে প্রতিরোধে করতে সব ধরনের প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দরেরর শ্রমিক প্রধান গোলাম মোর্শেদ বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে সরকারি সকল বিধিনিষেধ অনুযায়ী বন্দর সহ সব স্থানের শ্রমিকরা চলছে। প্রায় ৫০০ শ্রমিক বন্দরে কাজ করছে, তারা মাস্ক পরিধান করে আসছে। এছাড়াও সব শ্রমিকদের টিকার আওতায় আনা হয়েছে। বর্তমান বিশ্বে ওমিক্রন নামক ভাইরাসের আগমন ঘটেছে, তাই প্রতিনিয়ত শ্রমিকদের আরও সচেতন করছি। তারা অবশ্যই যেন মাস্ক ব্যবহার সহ ভারতীয় ট্রাক চালক-হেলপারদের সাথে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলাচল করে।
হিলি পানামা পোর্ট লিংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অনন্ত কুমার চক্রবর্তী (নেপাল) জাগো২৪.নেট-কে জানান, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে সরকারের নিকট থেকে কোন প্রকার নির্দেশনা পাইনি। নির্দেশনা পেলে সেই ধরনের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তবে করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় সরকারের বিধিনিষেধ অনুযায়ী বন্দরের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বন্দরে শ্রমিক সহ সকলকে মাস্ক ব্যবহার করা ও ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক চালক-হেলপারদের তাপমাত্রা নির্ণয় করা হচ্ছে।