বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় ৫৯৭৩ হেক্টর জমিতে বোরো বীজতলা লক্ষ্যমাত্রা

আসন্ন ইরি-বোরো ধানচারা রোপন কল্পে গাইবান্ধার মাঠ পর্যায়ে ৫ হাজার ৯৭৩ হেক্টর জমিতে বীজতলা করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ। এরই মধ্যে কৃষকরা শুরু করেছেন বীজতলা তৈরী কাজ।

বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) জেলার প্রত্যান্ত অঞ্চলে দেথা গেছে, বপন করা ধানবীজ থেকে গঁজিয়ে উঠা চারাগুলোর সবুজের সমাহার। এসময় পরিচর্যা কাজে ব্যস্ত ছিলেন কৃষকরা।

জানা গেছে, শষ্য ভাণ্ডার জেলা হিসেবে পরিচিত গাইবান্ধা জেলা। এ জেলার অধিকাংশ মানুষ কৃষি ফসলের ওপর নির্ভশীল। এসবের মধ্যে তাদের প্রধান ফসল হচ্ছে ইরি-বোরো ধান। এ দিয়ে জীবিকা নির্বাহের স্বপ্ন দেখেন তারা। এবারও তা ব্যর্তয় ঘটেনি। এ স্বপ্নের বাস্তব রূপ দিতে এরই মধ্যে বীজতলা তৈরী করতে চরম ব্যস্ত সময় পার করছে তারা। অনেকের জমিতে গঁজিয়ে উঠছে বীজ থেকে
ধানগাছ। আবার কেউ কেউ বীজ বপনও করছেন।

গাইবান্ধা জেলা কৃষি বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে জেলার সাতটি উপজেলায় ৫ হাজার ৯৭৩ হেক্টর জমিতে বীজতলা লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ থেকে চারা সংগ্রহ করে এক লাখ ২৭ হাজার ৮৪৫ হেক্টর জমিতে ধানচারা রোপন করা হবে। এতে প্রায় ৮ লাখ ৩৫ হাজার ৩৬৩ মেট্রিকটন ধান উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। উৎপাদিত ধান থেকে প্রায় ৫ লাখ ৫৬ হাজার ৯০৯ মেট্রিকটন চাল পাওয়া যেতে পারে।

কৃষক আব্দুল জলিল বলেন, গেল আমন মৌসুমে ধানের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। এ ক্ষতি পূষিয়ে নিতে এ বছর দেড় একর জমিতে ইরি বোরো ধান আবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছি। ইতোমধ্যে বীজতলাও সম্পন্ন করা হয়েছে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে গাইবান্ধা জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক বেলাল উদ্দিন জানান, কৃষকরা যাতে করে ভালো ফলন পান, সে লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে কাজ করা হচ্ছে।

গাইবান্ধায় ৫৯৭৩ হেক্টর জমিতে বোরো বীজতলা লক্ষ্যমাত্রা

প্রকাশের সময়: ০২:২৩:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২১

আসন্ন ইরি-বোরো ধানচারা রোপন কল্পে গাইবান্ধার মাঠ পর্যায়ে ৫ হাজার ৯৭৩ হেক্টর জমিতে বীজতলা করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ। এরই মধ্যে কৃষকরা শুরু করেছেন বীজতলা তৈরী কাজ।

বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) জেলার প্রত্যান্ত অঞ্চলে দেথা গেছে, বপন করা ধানবীজ থেকে গঁজিয়ে উঠা চারাগুলোর সবুজের সমাহার। এসময় পরিচর্যা কাজে ব্যস্ত ছিলেন কৃষকরা।

জানা গেছে, শষ্য ভাণ্ডার জেলা হিসেবে পরিচিত গাইবান্ধা জেলা। এ জেলার অধিকাংশ মানুষ কৃষি ফসলের ওপর নির্ভশীল। এসবের মধ্যে তাদের প্রধান ফসল হচ্ছে ইরি-বোরো ধান। এ দিয়ে জীবিকা নির্বাহের স্বপ্ন দেখেন তারা। এবারও তা ব্যর্তয় ঘটেনি। এ স্বপ্নের বাস্তব রূপ দিতে এরই মধ্যে বীজতলা তৈরী করতে চরম ব্যস্ত সময় পার করছে তারা। অনেকের জমিতে গঁজিয়ে উঠছে বীজ থেকে
ধানগাছ। আবার কেউ কেউ বীজ বপনও করছেন।

গাইবান্ধা জেলা কৃষি বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে জেলার সাতটি উপজেলায় ৫ হাজার ৯৭৩ হেক্টর জমিতে বীজতলা লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ থেকে চারা সংগ্রহ করে এক লাখ ২৭ হাজার ৮৪৫ হেক্টর জমিতে ধানচারা রোপন করা হবে। এতে প্রায় ৮ লাখ ৩৫ হাজার ৩৬৩ মেট্রিকটন ধান উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। উৎপাদিত ধান থেকে প্রায় ৫ লাখ ৫৬ হাজার ৯০৯ মেট্রিকটন চাল পাওয়া যেতে পারে।

কৃষক আব্দুল জলিল বলেন, গেল আমন মৌসুমে ধানের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। এ ক্ষতি পূষিয়ে নিতে এ বছর দেড় একর জমিতে ইরি বোরো ধান আবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছি। ইতোমধ্যে বীজতলাও সম্পন্ন করা হয়েছে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে গাইবান্ধা জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক বেলাল উদ্দিন জানান, কৃষকরা যাতে করে ভালো ফলন পান, সে লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে কাজ করা হচ্ছে।