বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভোলাহাটে বিজয় দিবসে ৫০ বছর সুবর্ণজয়ন্তী পালন

১৬ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ভোলাহাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে বিজয় দিবস ও ৫০ বছর সুবর্ণজয়ন্তী। ভোলাহাট উপজেলা প্রশাসন আয়োজনে দিবসটি ঘিরে ছিল নানা কর্মসূচী। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি,স্বায়িত্তশাসিত ভবনে আলোকসজ্জা। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সমুন্নত ভোলাহাট স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ। জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ। সকল শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা কবর জিয়ারত এবং শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। সকাল ৯টার সময় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন। পরে বর্ণাঢ়্য কুচকাওয়াজ বেলা ১২ টার সময় রামেশ্বর হাই স্কুল মাঠে ইউএনও সমর কুমার পালের সভাপতিত্বে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ রাব্বুল হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ডাইসিন গ্রæপের চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান। বক্তব্য রাখেন সাবেক উপজেলা কমান্ডার মোঃ নুরুল হকসহ অন্যরা। এ সময় প্রত্যেক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ডাইসিন গ্রæপের পক্ষ থেকে একটি করে শাল ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি করে কম্বল প্রদান করা হয়।

হাসপাতালে উন্নত মানের খাবার পরিবেশন করা হয়। রামেশ্বর হাই স্কুল মাঠে জাতীয় পতাকা হাতে ৫ হাজার মানুষ উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শপথ বাক্য পাঠ করেন। পরে বিকেল সাড়ে চার দিকে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় উপজেলা প্রশাসন চত্বর মাঠে। এছাড়াও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ অংগ সহযোগি সংগঠন দিবসটি পালনে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

 

ভোলাহাটে বিজয় দিবসে ৫০ বছর সুবর্ণজয়ন্তী পালন

প্রকাশের সময়: ০৬:২২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২১

১৬ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ভোলাহাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে বিজয় দিবস ও ৫০ বছর সুবর্ণজয়ন্তী। ভোলাহাট উপজেলা প্রশাসন আয়োজনে দিবসটি ঘিরে ছিল নানা কর্মসূচী। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি,স্বায়িত্তশাসিত ভবনে আলোকসজ্জা। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সমুন্নত ভোলাহাট স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ। জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ। সকল শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা কবর জিয়ারত এবং শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। সকাল ৯টার সময় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন। পরে বর্ণাঢ়্য কুচকাওয়াজ বেলা ১২ টার সময় রামেশ্বর হাই স্কুল মাঠে ইউএনও সমর কুমার পালের সভাপতিত্বে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ রাব্বুল হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ডাইসিন গ্রæপের চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান। বক্তব্য রাখেন সাবেক উপজেলা কমান্ডার মোঃ নুরুল হকসহ অন্যরা। এ সময় প্রত্যেক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ডাইসিন গ্রæপের পক্ষ থেকে একটি করে শাল ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি করে কম্বল প্রদান করা হয়।

হাসপাতালে উন্নত মানের খাবার পরিবেশন করা হয়। রামেশ্বর হাই স্কুল মাঠে জাতীয় পতাকা হাতে ৫ হাজার মানুষ উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শপথ বাক্য পাঠ করেন। পরে বিকেল সাড়ে চার দিকে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় উপজেলা প্রশাসন চত্বর মাঠে। এছাড়াও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ অংগ সহযোগি সংগঠন দিবসটি পালনে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।