দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় বিষ প্রয়োগে গমক্ষেত নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার উপজেলার খামারপাড়া ইউনিয়নের ভান্ডারদহ গ্রামের মো. লুৎফর রহমান বিরুদ্ধে থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই গ্রামের মোছা. হালিমা খাতুন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, হালিমা খাতুন দুই কিস্তিতে মোট ২ লাখ ৭০ হাজার টাকার বিনিময়ে লুৎফর রহমানের নিকাট থেকে ৪৫ শতক জমি বন্ধক নেন। পরবর্তীতে বন্ধকী জমি কিছুদিন ভোগদখল করার পর প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে সেই জমি ভোগ দখলে বাঁধা এবং বন্ধকী টাকা পরিশোধ না করেই লুৎফর রহমান জোরপুর্বক দখলের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।
হালিমা খাতুন জানান, জমি বন্ধক নেয়ার কিছুদিন পরেই লুৎফর রহমান উপযুক্ত অর্থ না দিয়েই জোরপুর্বক দখলের চেষ্টা করেন। পরে আমি ও আমার পরিবার অন্যায়ভাবে দখলের প্রতিবাদ করলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও খুন জখমের হুমকি প্রদান করতে থাকেন। বিষয়টি স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অবহিত করি এবং তারা স্থানীয়ভাবে আপোষের চেষ্টা করলেও সম্ভব হয়নি। বরং আসামীরা আমার আরো অশেষ ক্ষতি তারা সাধন করবে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জাগো২৪.নেট-কে বলেন, এবিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) 
















