বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শীতের পিঠা বিক্রি করে সংসার তাদের

শীত এলেই  গা্ইবান্ধার পলাশবাড়ীর বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে পিঠা বিক্রির ধুম পড়ে যায়। পিঠা তৈরি ও বিক্রির কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন বাদল, নাজরীনসহ আরও অনেক নারী। তারা এক সময় ছিলেন অবহেলিত কর্মহীন বেকার। শীত আসায় তাদের হাতে কাজ এসেছে। তারা এখন পিঠা তৈরির কারিগর।

পলাশবাড়ীর বিভিন্ন হাটবাজার ও বড় বড় রাস্তার মোড়ে এমন পিঠা তৈরির দোকান চোখে পড়ার মতো। ভাপা, চিতই, মাষকালাইসহ নানান স্বাদের পিঠা এখন হাতের কাছে মিলছে। সন্ধ্যা হলেই তাদের পসরা সাজিয়ে বসছে। পলাশবাড়ীর দক্ষিণ বগুড়া বাসট্যান্ডর হরিণমাড়ী মোড়ে, বাসট্যান্ড ও চৌরাস্তাসহ বিভিন্ন স্থানে এখন রকমারি পিঠার দোকান পিঠাপ্রেমিদের আকৃষ্ট করছে।

স্থানীয় ছেলে আলামিন হোসেন জানান, শীত এলেই পিঠা তৈরির ধুম পড়ে যায়। বাজারে রকমারি পিঠার সঙ্গে পাওয়া যায় নানান পদের ভর্তা। গরম গরম এসব পিঠা ও ভর্তার মজাই আলাদা।

পিঠার কারিগর বাদল ও নাজরীন জানান, শীতকালেই তারা পিঠার দোকান সাজিয়ে বসেন। বেচাবিক্রি বেশ ভালোই হয়। সন্ধ্যা থেকে রাত ১০-১১টা পর্যন্ত চলে বেচাবিক্রি। ।

 

 

শীতের পিঠা বিক্রি করে সংসার তাদের

প্রকাশের সময়: ০১:৫১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২১

শীত এলেই  গা্ইবান্ধার পলাশবাড়ীর বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে পিঠা বিক্রির ধুম পড়ে যায়। পিঠা তৈরি ও বিক্রির কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন বাদল, নাজরীনসহ আরও অনেক নারী। তারা এক সময় ছিলেন অবহেলিত কর্মহীন বেকার। শীত আসায় তাদের হাতে কাজ এসেছে। তারা এখন পিঠা তৈরির কারিগর।

পলাশবাড়ীর বিভিন্ন হাটবাজার ও বড় বড় রাস্তার মোড়ে এমন পিঠা তৈরির দোকান চোখে পড়ার মতো। ভাপা, চিতই, মাষকালাইসহ নানান স্বাদের পিঠা এখন হাতের কাছে মিলছে। সন্ধ্যা হলেই তাদের পসরা সাজিয়ে বসছে। পলাশবাড়ীর দক্ষিণ বগুড়া বাসট্যান্ডর হরিণমাড়ী মোড়ে, বাসট্যান্ড ও চৌরাস্তাসহ বিভিন্ন স্থানে এখন রকমারি পিঠার দোকান পিঠাপ্রেমিদের আকৃষ্ট করছে।

স্থানীয় ছেলে আলামিন হোসেন জানান, শীত এলেই পিঠা তৈরির ধুম পড়ে যায়। বাজারে রকমারি পিঠার সঙ্গে পাওয়া যায় নানান পদের ভর্তা। গরম গরম এসব পিঠা ও ভর্তার মজাই আলাদা।

পিঠার কারিগর বাদল ও নাজরীন জানান, শীতকালেই তারা পিঠার দোকান সাজিয়ে বসেন। বেচাবিক্রি বেশ ভালোই হয়। সন্ধ্যা থেকে রাত ১০-১১টা পর্যন্ত চলে বেচাবিক্রি। ।