বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গোবিন্দগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে ভোটের মাঠে মা-ছেলে

আগামী ২৬ ডিসেম্বর গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় অনুষ্ঠিত হবে ইউপি নির্বাচন। এ উপজেলার শালমারা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন মা ও ছেলে। তারা দুজনই রয়েছে ভোটের মাঠে।

জানা গেছে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ১৭নং শালমারা ইউনিয়নের আছাব উদ্দিনের ছেলে ইমরান হোসেন মিলন ঘোড়া প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। একই ইউনিয়নে তার মা মোছা. মিহিলিকা বেগম একই পদে টেলিফোন প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন।

একাধিক ভোটার জানান, একই পরিবার থেকে মা এবং ছেলের একই সঙ্গে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম। তাই বিষয়টি সাধারণ মানুষের মাঝে নানা আলোচনা ও হাস্যরসের জন্ম দিয়েছে।

প্রতিদ্বন্দ্বি ছেলে ইমরান হোসেন মিলন জানান, নানা জটিলতার কারণে তারা মা-ছেলে দু’জনই মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। কিন্তু সময় না পাওয়ায় তার মা মোছা. মিহিকা বেগম প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারেননি। ফলে নিয়ম অনুযায়ী তারা মা এবং ছেলে দু’জনেরই প্রার্থী রয়ে গেছে।  আসন্ন নির্বাচনে শালমারা ইউনিয়নে মোট ৭ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

গোবিন্দগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে ভোটের মাঠে মা-ছেলে

প্রকাশের সময়: ০৮:২৪:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২১

আগামী ২৬ ডিসেম্বর গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় অনুষ্ঠিত হবে ইউপি নির্বাচন। এ উপজেলার শালমারা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন মা ও ছেলে। তারা দুজনই রয়েছে ভোটের মাঠে।

জানা গেছে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ১৭নং শালমারা ইউনিয়নের আছাব উদ্দিনের ছেলে ইমরান হোসেন মিলন ঘোড়া প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। একই ইউনিয়নে তার মা মোছা. মিহিলিকা বেগম একই পদে টেলিফোন প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন।

একাধিক ভোটার জানান, একই পরিবার থেকে মা এবং ছেলের একই সঙ্গে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম। তাই বিষয়টি সাধারণ মানুষের মাঝে নানা আলোচনা ও হাস্যরসের জন্ম দিয়েছে।

প্রতিদ্বন্দ্বি ছেলে ইমরান হোসেন মিলন জানান, নানা জটিলতার কারণে তারা মা-ছেলে দু’জনই মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। কিন্তু সময় না পাওয়ায় তার মা মোছা. মিহিকা বেগম প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারেননি। ফলে নিয়ম অনুযায়ী তারা মা এবং ছেলে দু’জনেরই প্রার্থী রয়ে গেছে।  আসন্ন নির্বাচনে শালমারা ইউনিয়নে মোট ৭ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।