বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খানসামায় ভোটের মাঠে আলোচনায় আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী

আগামী ২৬ ডিসেম্বর চতুর্থ ধাপে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে ৬টি ইউনিয়নে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রাপ্তরা মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। এই নির্বাচনে পুরো উপজেলায় ভোটে তুমুল আলোচনা তৈরি করেছেন সদ্য অব্যহতি পাওয়া আঙ্গারপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ। নৌকার মনোনয়ন না পেয়ে তিনি বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করছেন। চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণার পরপরই ঘোড়া প্রতীক নিয়েই উঠান বৈঠক, গণসংযোগসহ কর্মী-সমর্থক নিয়ে প্রচার প্রচারণায় মাঠ চষে বেড়াচ্ছন।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে অন্তত ৩০ বছর ধরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত আছি। খানসামা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও আঙ্গারপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছি। এই সময়ে আমি অনেক হামলা-মামলারও শিকার হয়েছি। কিন্তু আজ আমিই মনোনয়ন বঞ্চিত।

তিনি আরো বলেন, ইউনিয়নবাসীর সমর্থন ও ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে আমার জন্মস্থান আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের জনগণের সেবা করার জন্য আমি চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার জন্য মনস্থির করি। আমার পরিবার একটি ত্যাগী আওয়ামী পরিবার। এত বছর আওয়ামী লীগ করে ও মামলা-হামলার শিকার হয়ে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে অনেক কষ্ট আর এলাকার মানুষের চাপে নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। আমরা রাজনীতি করি মানুষের সেবা করার জন্য। এখন নৌকা প্রতীক নিয়ে অন্য কেউ যদি মানুষের সেবা না করে সেখানে আমি ছাড় দেয়ার পক্ষে নই। আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করি, আমার নেত্রী শেখ হাসিনা। ইনশাআল্লাহ আমি আজীবন তাদের আদর্শেই মানুষের সেবা করে যাব।

উল্লেখ্য, বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত মোতাবেক গত ২০ তারিখে আবুল কালাম আজাদকে দলীয় সকল পদকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।

খানসামায় ভোটের মাঠে আলোচনায় আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী

প্রকাশের সময়: ০৫:৪৬:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২১

আগামী ২৬ ডিসেম্বর চতুর্থ ধাপে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে ৬টি ইউনিয়নে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রাপ্তরা মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। এই নির্বাচনে পুরো উপজেলায় ভোটে তুমুল আলোচনা তৈরি করেছেন সদ্য অব্যহতি পাওয়া আঙ্গারপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ। নৌকার মনোনয়ন না পেয়ে তিনি বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করছেন। চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণার পরপরই ঘোড়া প্রতীক নিয়েই উঠান বৈঠক, গণসংযোগসহ কর্মী-সমর্থক নিয়ে প্রচার প্রচারণায় মাঠ চষে বেড়াচ্ছন।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে অন্তত ৩০ বছর ধরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত আছি। খানসামা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও আঙ্গারপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছি। এই সময়ে আমি অনেক হামলা-মামলারও শিকার হয়েছি। কিন্তু আজ আমিই মনোনয়ন বঞ্চিত।

তিনি আরো বলেন, ইউনিয়নবাসীর সমর্থন ও ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে আমার জন্মস্থান আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের জনগণের সেবা করার জন্য আমি চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার জন্য মনস্থির করি। আমার পরিবার একটি ত্যাগী আওয়ামী পরিবার। এত বছর আওয়ামী লীগ করে ও মামলা-হামলার শিকার হয়ে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে অনেক কষ্ট আর এলাকার মানুষের চাপে নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। আমরা রাজনীতি করি মানুষের সেবা করার জন্য। এখন নৌকা প্রতীক নিয়ে অন্য কেউ যদি মানুষের সেবা না করে সেখানে আমি ছাড় দেয়ার পক্ষে নই। আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করি, আমার নেত্রী শেখ হাসিনা। ইনশাআল্লাহ আমি আজীবন তাদের আদর্শেই মানুষের সেবা করে যাব।

উল্লেখ্য, বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত মোতাবেক গত ২০ তারিখে আবুল কালাম আজাদকে দলীয় সকল পদকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।