শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ায় কনস্টেবল ক্লোজ

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় আবু হানিফ নামের এক কনস্টেবলকে বগুড়া পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। গত বুধবার উপজেলার আটাপুর ইউনিয়নের মাঝিনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আবু হানিফ বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানায় পুলিশ কনস্টেবল পদে কর্মরত ও পাঁচবিবি উপজেলার মাঝিনা গ্রামের দলিল উদ্দিনের ছেলে।

জানা যায়, উপজেলার ভাল্লুকগাড়ী এলাকার জনৈক এক সেনা সদস্যের সঙ্গে মাঝিনা গ্রামের এক মেয়ের বিবাহের বিষয়ে সুনিদিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে মাঝিনা গ্রামে সংবাদ সংগ্রহের কাজে গেলে ঐ পুলিশ কনস্টেবল সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে বাধা প্রদান করেন। তিনি সাংবাদিকদের পত্রিকার পরিচয় জানতে চান। সাংবাদিকরা পরিচয় দিলে তিনি ধুর এরকম সাংবাদিক আমি দিনে ২৫/২৫জন হ্যান্ডেলিং করে বলে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি সংশ্লিষ্ট থানায় কর্মরত থাকা অবস্থায় কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই বিনা ছুটিতে এসে বিয়ের কাজটি সম্পূর্ণ করেন।

এবিষয়ে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। ইতিমধ্যে তাকে বগুড়া পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ায় কনস্টেবল ক্লোজ

প্রকাশের সময়: ০৬:১৫:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ মার্চ ২০২২

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় আবু হানিফ নামের এক কনস্টেবলকে বগুড়া পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। গত বুধবার উপজেলার আটাপুর ইউনিয়নের মাঝিনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আবু হানিফ বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানায় পুলিশ কনস্টেবল পদে কর্মরত ও পাঁচবিবি উপজেলার মাঝিনা গ্রামের দলিল উদ্দিনের ছেলে।

জানা যায়, উপজেলার ভাল্লুকগাড়ী এলাকার জনৈক এক সেনা সদস্যের সঙ্গে মাঝিনা গ্রামের এক মেয়ের বিবাহের বিষয়ে সুনিদিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে মাঝিনা গ্রামে সংবাদ সংগ্রহের কাজে গেলে ঐ পুলিশ কনস্টেবল সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে বাধা প্রদান করেন। তিনি সাংবাদিকদের পত্রিকার পরিচয় জানতে চান। সাংবাদিকরা পরিচয় দিলে তিনি ধুর এরকম সাংবাদিক আমি দিনে ২৫/২৫জন হ্যান্ডেলিং করে বলে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি সংশ্লিষ্ট থানায় কর্মরত থাকা অবস্থায় কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই বিনা ছুটিতে এসে বিয়ের কাজটি সম্পূর্ণ করেন।

এবিষয়ে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। ইতিমধ্যে তাকে বগুড়া পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে।