” মানুষ মানুষের জন্য, একটু সহানুভূতি মানুষ কি পেতে পারেনা” প্রবাদ বাক্যটির প্রমান দিলেন সনাতন ৯৮-২০০০ ও এসএসসি-৯৮ এবং এইচএসসি ২০০০ ফ্রেন্ডস গ্রুপ।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় গাইবান্ধা ব্রীজরোড কালিবাড়ী পাড়ার বাসিন্দা হোটেল শ্রমিক প্রবীর সরকার এর পুত্র প্রতিক সরকার (১৮) উত্তীর্ণ হওয়ায় তাকে মেডিকেলে ভর্তি হবার জন্য সনাতন ৯৮-২০০০ গ্রুপ এর পক্ষ থেকে ১৮ এপ্রিল দুপুরে প্রতিকের বাসায় তার নিকট আর্থিক উপহার প্রদান করেছে, ৯৮ সালে এস, এস, সি পাশ করা বন্ধুরা মিলে তৈরি করেছে সনাতন ৯৮-২০০০ যা এস,এসসি ৯৮ ও এইচ,এসসি ২০০০ এর ফ্রেন্ডস গ্রুপ এর সাথে সংযুক্ত ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সনাতন ৯৮-২০০০ গ্রুপ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শুভাশিষ মজুমদার রাজীব, অর্ণব দত্ত রায়, পলাশ ও শ্রাবণী সাহা।
ময়মনসিংহ মেডিকেলে চান্স প্রাপ্ত মেধাবী ছাত্র প্রতিক সরকার বলেন- অনেক কষ্ট করে আমি আজ এ পর্যায়ে এসেছি। আমি একজন চক্ষু ডাক্তার হতে চাই। আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ। স্যাররা আমার মেডিকেলে পড়াশোনার ভর্তির জন্য যে ভুমিকা রাখল তা অব্যাহত থাক। এবং আমার মতো আরো গরীব মেধাবীরা যেন মেডিকেলে চান্স পায়। অর্থের অভাবে যেন ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত না হয়ে পারে সে জন্য তাদের প্রতি দাবি থাকল। আমাকে সাহায্য করার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সে সাথে আমার মতো আরও বিভিন্ন গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশে যেন কর্মকর্তারা দাড়াতে পারেন এ জন্য আমি তাদের সুস্থতা ও মঙ্গল কামনা করছি।
প্রতিকের বাবা প্রবীর সরকার জাগো২৪.নেট-কে বলেন-অনেক কষ্টের মধ্যে ওকে মানুষ করেছি। ওর মা বীথি আর আমি দুজনই অনেক পরিশ্রম করেছি। আমার দুই ছেলে মেয়ের মধ্যে ছোট থেকেই সে মেধাবী। ওর যোগ্যতায় আজ সে মেডিকেলে উত্তীর্ণ হয়েছে। আমি খুবই আনন্দিত । পাশাপাশি যারা আর্থিক সহযোগিতা করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। আমার সামর্থ্য নেই ছেলেকে মেডিকেলে ভর্তি করার। আমি এ জন্য কৃতজ্ঞ। আরো যদি কোনো মেধাবী ছাত্র বা ছাত্রী থাকে তাদেরকেও যেন এভাবে আর্থিক সহযোগীতা করতে পারে এ প্রত্যাশা রইল।
সংগঠনটির এডমিন রাজীব মজুমদার জাগো২৪.নেট-কে বলেন- আমরা বিভিন্ন পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানতে পারি প্রতিকের বিষয়টি। প্রতিক তার পরিবার, এলাকাবাসী সহ বিভিন্ন স্তরের মানুষের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। দরিদ্র পরিবার থেকে বেড়ে উঠা এই ছেলেটির পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে আমরা এসেছি প্রতিকের কাছে। যেন ওর আশার আলো নিভে না যায়। আমরা সামন্য কিছু আজ উপহার প্রদান করলাম। পরবর্তীতে বইয়ের প্রয়োজন হলে আমরা তা দিতে চেষ্টা করব।
সঞ্জয় সাহা, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 















