রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাত্রীকে আপত্তিকর প্রস্তাব দেয়ায় সাঁথিয়ায় ২ শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ  

পাবনার সাঁথিয়া সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিজয় কুমার দেবনাথ ও সহকারী শিক্ষক বাবুল পাল এর বিরুদ্ধে ছাত্রীকে আপত্তিকর প্রস্তাব দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সকাল ১০টায় ওই দুই শিক্ষকের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করে রাখে বিক্ষুব্দ ছাত্রছাত্রীরা।উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিদ্যালয়টির সভাপতি অভিযুক্ত শিক্ষকদ্বয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা শান্ত হয়।

বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা জানায়, হেড স্যারের কাছে প্রাইভেট না পড়লে খারাপ আচরণ করে, ভয়ভীতি দেখায়। ১০ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে কুপ্রস্তাব দেয় প্রধান শিক্ষক। এছাড়াও সহকারী শিক্ষক বাবুল পাল অপর এক ছাত্রীকে আপত্তিকর প্রস্তাব দিয়েছে যার ভিডিও সামাজিক যোগাযযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে গত ১৭ মে মঙ্গলবার শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের সভাপতি ও সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।পরদিন ১৮ মে বুধবার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আ: কাদের বিশ্বাস ওই স্কুলে এসে অভিযুক্ত শিক্ষকদ্বয়ের পক্ষ নিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে শাসিয়ে যান বলে শিক্ষার্থীরা জানায়। ১৯ মে বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় অভিযুক্ত দুই শিক্ষকের অপসারণ চেয়ে বিদ্যালয়ের সামনে প্রবেশদ্বারে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে তারা। এদিকে ঘটনার কয়েক দিন গত হলেও কোন প্রতিকার না পেয়ে শনিবার সকালে শিক্ষাথীরা ওই দুই শিক্ষকের অপসারণ, পদচ্যুতির দাবিতে আবারও বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করে। এসময় সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম জামাল আহম্দে উপস্তিত হয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মনিরুজ্জামানকে প্রধান করে ৫ সদস্য বিশিষ্টি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। এ কমিটিকে আগামী তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়। এ সময় ইউএনও অভিযুক্ত শিক্ষকদ্বয়কে পৃথক পৃথক শ’ কজ নোটিশ (কারণ দর্শানোর) দেন। ইউএন’র আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ প্রত্যেহার করে। এদিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আঃ কাদের বিশ^াস অভিযুক্ত শিক্ষকদের পক্ষ নেয়ায় শিক্ষার্থীরা তদন্ত কমিটিতে তাকে না রাখার জোর দাবী জানায় ইউএনও’র কাছে।এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক বিজয় কুমার দেবনাথ মোবাইল ফোনে বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না বলেই ফোন কেটে দেন। বাবুল পালকে বার বার ফোন দিলেও রিসিভ করেননি।স্কুলটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম জামাল অহমেদ জানান,তাদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ পেয়েছি। কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয়রা জানান, বিতর্কিত,দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক বিজয় কুমার দেবনাথের বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্ত নেই।অনৈতিক উপায়ে ২০১৫ সালে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়ে যোগদানের পর থেকেই তিনি একের পর এক বিতর্কের সৃষ্টি করে যাচ্ছেন।বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কল্যাণ ট্রাস্ট্রের আড়াই লাখ টাকাসহ বিভিন্নখাতের বিপুল অর্থ আত্মসাত করেছেন।নিজে প্রধান শিক্ষক হয়েও তিনি শিক্ষার্থীদেরকে চাপ সৃষ্টি করে তার কাছে প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করেন। প্রতিবছর একাধিকবার তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অজুহাতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাত্রাতিরিক্তি অর্থ আদায়সহ নানা অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।শিক্ষার্থীরা প্রতিবছরই তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ,মানববন্ধন করে ইউএন’র কাছে প্রতিকার চায়। মাঝেমধ্যে তদন্তও হয়।কমিটি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করে বোর্ড ও অধিদপ্তরে পত্র পাঠায়। কিন্তু অদৃশ্য কারণে তার বিরুদ্ধে কোন শাস্তিমূলক পদক্ষেপই নেয়া হয় না।এটি একটি জাতীয়করণকৃত স্কুল হলেও বিদ্যালয়ের প্রবেশদ্বারে একটা সাইনবোর্ড(নামফলক)পর্যন্ত লেখা নেই।অপরদিকে ২০১২ সালে বিদ্যালয়ের প্রাচীর ভেঙে ফেলার পর আর তা মেরামত করা হয়নি।এক সময়ের দৃষ্টিনন্দন বিদ্যালয়টির সম্মুখদিকে তাকালে এখন মনে হয় এ যেন কোন ময়লার ভাগাড়।বিদ্যালয়টির কয়েকজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান,প্রধান শিক্ষক কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এককভাবে বিদ্যালয় পরিচালনা করছেন। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে মাত্রাতিরিক্ত টাকা আদায় করে আত্মসাত করছেন।বিদ্যালয়ে সাধারণবিভাগের গণিত শিক্ষককে বাদ রেখে প্রাইভেট পড়ানোর উদ্দেশ্যে তিনি নিজে এবং ভোকেশনাল শাখার গণিত শিক্ষক বাবুল কুমার পালকে দিয়ে সাধারণ বিভাগের ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম/১০ম শ্রেণির ক্লাস নিচ্ছেন।ক্লাসরুটিনে অন্যান্য শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও তিনি চরম বৈষম্য করে থাকেন বলে তারা অভিযোগ করেন। কোন শিক্ষক এর প্রতিবাদ করলে তাদেরকে তিনি বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ অশালীন মন্তব্য করেন বলে জানান ওই শিক্ষকরা। তারা জানান,গত ২০১৮ সালে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটি তাকে পদচ্যুত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষ বরাবর পত্র দিয়েছিল।কিন্তু অদৃশ্যকারণে তার বিরুদ্ধে কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থাই নেয়া হয়নি।

ওই বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক হাফিজুল কবীর জানান,আমি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কল্যাণ ট্রাস্টের ফান্ডে আড়াই লাখ টাকা রেখে এসেছিলাম। আমি চলে আসার পর আর কোন শিক্ষার্থীকে এ খাত থেকে সুবিধা দেয়া হয়নি।বিদ্যালয়টির একাধিক সূত্র থেকে জানা যায়,এ বিপুল পরিমাণ টাকা তিনি অত্মসাত করেছেন।

ছাত্রীকে আপত্তিকর প্রস্তাব দেয়ায় সাঁথিয়ায় ২ শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ  

প্রকাশের সময়: ০৬:২৭:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মে ২০২২

পাবনার সাঁথিয়া সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিজয় কুমার দেবনাথ ও সহকারী শিক্ষক বাবুল পাল এর বিরুদ্ধে ছাত্রীকে আপত্তিকর প্রস্তাব দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সকাল ১০টায় ওই দুই শিক্ষকের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করে রাখে বিক্ষুব্দ ছাত্রছাত্রীরা।উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিদ্যালয়টির সভাপতি অভিযুক্ত শিক্ষকদ্বয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা শান্ত হয়।

বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা জানায়, হেড স্যারের কাছে প্রাইভেট না পড়লে খারাপ আচরণ করে, ভয়ভীতি দেখায়। ১০ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে কুপ্রস্তাব দেয় প্রধান শিক্ষক। এছাড়াও সহকারী শিক্ষক বাবুল পাল অপর এক ছাত্রীকে আপত্তিকর প্রস্তাব দিয়েছে যার ভিডিও সামাজিক যোগাযযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে গত ১৭ মে মঙ্গলবার শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের সভাপতি ও সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।পরদিন ১৮ মে বুধবার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আ: কাদের বিশ্বাস ওই স্কুলে এসে অভিযুক্ত শিক্ষকদ্বয়ের পক্ষ নিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে শাসিয়ে যান বলে শিক্ষার্থীরা জানায়। ১৯ মে বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় অভিযুক্ত দুই শিক্ষকের অপসারণ চেয়ে বিদ্যালয়ের সামনে প্রবেশদ্বারে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে তারা। এদিকে ঘটনার কয়েক দিন গত হলেও কোন প্রতিকার না পেয়ে শনিবার সকালে শিক্ষাথীরা ওই দুই শিক্ষকের অপসারণ, পদচ্যুতির দাবিতে আবারও বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করে। এসময় সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম জামাল আহম্দে উপস্তিত হয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মনিরুজ্জামানকে প্রধান করে ৫ সদস্য বিশিষ্টি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। এ কমিটিকে আগামী তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়। এ সময় ইউএনও অভিযুক্ত শিক্ষকদ্বয়কে পৃথক পৃথক শ’ কজ নোটিশ (কারণ দর্শানোর) দেন। ইউএন’র আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ প্রত্যেহার করে। এদিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আঃ কাদের বিশ^াস অভিযুক্ত শিক্ষকদের পক্ষ নেয়ায় শিক্ষার্থীরা তদন্ত কমিটিতে তাকে না রাখার জোর দাবী জানায় ইউএনও’র কাছে।এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক বিজয় কুমার দেবনাথ মোবাইল ফোনে বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না বলেই ফোন কেটে দেন। বাবুল পালকে বার বার ফোন দিলেও রিসিভ করেননি।স্কুলটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম জামাল অহমেদ জানান,তাদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ পেয়েছি। কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয়রা জানান, বিতর্কিত,দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক বিজয় কুমার দেবনাথের বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্ত নেই।অনৈতিক উপায়ে ২০১৫ সালে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়ে যোগদানের পর থেকেই তিনি একের পর এক বিতর্কের সৃষ্টি করে যাচ্ছেন।বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কল্যাণ ট্রাস্ট্রের আড়াই লাখ টাকাসহ বিভিন্নখাতের বিপুল অর্থ আত্মসাত করেছেন।নিজে প্রধান শিক্ষক হয়েও তিনি শিক্ষার্থীদেরকে চাপ সৃষ্টি করে তার কাছে প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করেন। প্রতিবছর একাধিকবার তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অজুহাতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাত্রাতিরিক্তি অর্থ আদায়সহ নানা অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।শিক্ষার্থীরা প্রতিবছরই তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ,মানববন্ধন করে ইউএন’র কাছে প্রতিকার চায়। মাঝেমধ্যে তদন্তও হয়।কমিটি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করে বোর্ড ও অধিদপ্তরে পত্র পাঠায়। কিন্তু অদৃশ্য কারণে তার বিরুদ্ধে কোন শাস্তিমূলক পদক্ষেপই নেয়া হয় না।এটি একটি জাতীয়করণকৃত স্কুল হলেও বিদ্যালয়ের প্রবেশদ্বারে একটা সাইনবোর্ড(নামফলক)পর্যন্ত লেখা নেই।অপরদিকে ২০১২ সালে বিদ্যালয়ের প্রাচীর ভেঙে ফেলার পর আর তা মেরামত করা হয়নি।এক সময়ের দৃষ্টিনন্দন বিদ্যালয়টির সম্মুখদিকে তাকালে এখন মনে হয় এ যেন কোন ময়লার ভাগাড়।বিদ্যালয়টির কয়েকজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান,প্রধান শিক্ষক কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এককভাবে বিদ্যালয় পরিচালনা করছেন। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে মাত্রাতিরিক্ত টাকা আদায় করে আত্মসাত করছেন।বিদ্যালয়ে সাধারণবিভাগের গণিত শিক্ষককে বাদ রেখে প্রাইভেট পড়ানোর উদ্দেশ্যে তিনি নিজে এবং ভোকেশনাল শাখার গণিত শিক্ষক বাবুল কুমার পালকে দিয়ে সাধারণ বিভাগের ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম/১০ম শ্রেণির ক্লাস নিচ্ছেন।ক্লাসরুটিনে অন্যান্য শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও তিনি চরম বৈষম্য করে থাকেন বলে তারা অভিযোগ করেন। কোন শিক্ষক এর প্রতিবাদ করলে তাদেরকে তিনি বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ অশালীন মন্তব্য করেন বলে জানান ওই শিক্ষকরা। তারা জানান,গত ২০১৮ সালে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটি তাকে পদচ্যুত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষ বরাবর পত্র দিয়েছিল।কিন্তু অদৃশ্যকারণে তার বিরুদ্ধে কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থাই নেয়া হয়নি।

ওই বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক হাফিজুল কবীর জানান,আমি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কল্যাণ ট্রাস্টের ফান্ডে আড়াই লাখ টাকা রেখে এসেছিলাম। আমি চলে আসার পর আর কোন শিক্ষার্থীকে এ খাত থেকে সুবিধা দেয়া হয়নি।বিদ্যালয়টির একাধিক সূত্র থেকে জানা যায়,এ বিপুল পরিমাণ টাকা তিনি অত্মসাত করেছেন।