গুচ্ছভুক্ত ২২টি সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রাচ্যের ড্যান্ডিখ্যাত নারায়ণঞ্জ জেলা থেকে আগত শিক্ষার্থীদের জন্য ‘হেল্প ডেস্ক’ স্থাপন করে সহায়তা প্রদান করে ‘নারায়ণঞ্জ জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদ’।নারায়ণগঞ্জ জেলার ব্যানারে বসলেও ভর্তিচ্ছু সকল জেলার শিক্ষার্থীদের সহযোগীতা করে সংগঠনটি।
শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩য় ফটকের সামনে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। সহায়তা কেন্দ্র থেকে শিক্ষার্থীদের আসন পরিকল্পনা বিষয়ক তথ্য প্রদান করা হয়। হেল্প ডেস্কে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ব্যাগ, মোবাইল গচ্ছিত রাখা হয়। এছাড়া এই তপ্ত গরমে আগত পরীক্ষার্থীদের এবং অভিবাকদের পানি বিতরণ করা হয়।
হেল্প ডেস্কে উপস্থিত থেকে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সহযোগীতা করেন ‘নারায়ণঞ্জ জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদ’ এর সভাপতি নেছার আহমেদ সবুজ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহরা ওয়ার্দী, সহ-সভাপতি তানজির, শাওন ও পুষ্পন, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক সানি মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল তানভীর ও রাজু, দপ্তর সম্পাদক মোশারফ, এবং সদস্য সিফাত ও শরিফুল ইসলাম সিদ্দিকি। এসময় সংগঠনটির উপদেষ্টা এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার আরেফিন কাউছারকে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিতে দেখা যায়।
সার্বিক কার্যক্রমের বিষয়ে জবিস্থ নারায়ণঞ্জ জেলা ছাত্র কল্যাণের সভাপতি নেছার আহমেদ সবুজ বলেন, পরীক্ষা দিতে এসে অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা নানান সমস্যার সম্মুখীন হন। তাদের সাহায্যের জন্যই আমাদের হেল্প ডেস্ক। নারায়ণগঞ্জ জেলার ব্যানারে আমরা বসলেও ভর্তিচ্ছু সকল জেলার শিক্ষার্থীদের জন্য আমরা কাজ করেছি। সীট প্লান সম্পর্কে তথ্য দেয়া, মোবাইল, ব্যাগ জমা রাখা পানির ব্যাবস্থা করা, অভিভাবকদের বসার জায়গার ব্যাবস্থা করা ইত্যাদি কাজ করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ। তাছাড়া নারায়ণগঞ্জ জেলা হতে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে জবিতে ভর্তির জন্য মনোনীত হওয়া শিক্ষার্থীদের ভর্তি সংক্রান্ত যেকোন সমস্যায় আমরা পাশে থাকব, ইনশাআল্লাহ।
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহরা ওয়ার্দী বলেন, আমরা ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থীদের মোবাইল, মানিব্যাগ, ব্যাগ রেখেছিলাম, শিক্ষার্থীদের হল দেখানো হয়েছে, অভিবাবকদের জন্য পানি, হাল্কা নাস্তার ব্যাবস্থা করেছি। কোনো শিক্ষার্থী যেনো হেরেসম্যান্ট বা কোনো বাধায় না পরে সেই বেপারে ততপর ছিলাম। নারায়ণগঞ্জ ছাত্রকল্যাণের সদস্যরা নিজেরা নিজেদের মধ্যে সাংগঠনিক কাজের মাঝে আনন্দ এবং উৎসাহ খুজে পেয়েছি। আমাদের এ আয়োজনে যারা পাশে ছিলো তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। ভবিষ্যতেও আমরা এমন আয়োজন অব্যাহত রাখার চেষ্টা করবো।
তাসদিকুল হাসান, জাগো২৪.নেট, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যাল থেকে 















