শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, দুশ্চিন্তায় কৃষক

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় শ্যালো মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে। এর ফলে আশপাশের কৃষি ভূমি ও ফসলের ক্ষতির আশঙ্কায় ভুগছে কৃষকরা।

সোমবার (৩ অক্টোবর) সরেজমিনে উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের জোরগাছের ভিটা নামকস্থানে দেখা যায়, বালু উত্তোলনের মহোৎসব। এখানকার একটি পুকুরে দুইটি মেশিনে প্রায় ৫০০ ফুট পাইপ টেনে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে।

স্থানীয়রা জানান, ওই গ্রামের আব্দুল মতিন মিয়ার ছেলে রাজু মিয়া ও রাখু মিয়া এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে পুকুর থেকে বালু উত্তোলন করছে। ওই পুকুরের আশপাশের কৃষকরা তাদের কৃষি জমি ও ফসলের ক্ষতির আশঙ্কায় চরম দুশ্চিন্তায় ভুগছেন। এছাড়া বালু তোলা পাইপগুলো রাস্তার ওপর দিয়ে টেনে নেওয়া পথচারি চলাচলে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সেই সঙ্গে ভূর্গস্থ বালু উত্তোলন করায় এলাকার পরিবেশ ভারসাম্য মারাত্নকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

নামপ্রকাশ না করা শর্তে স্থানীয় একাধিক কৃষক ক্ষুব্ধভাবে বলেন, ওই স্থানে বালু তোলা বন্ধের জন্য উপজেলা প্রশাসনসহ জনপ্রতিনিধির জানানো হলেও কেউই কর্ণপাত করেনি।

এ বিষয়ে রাজু মিয়া ও রাখু মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের পাওয়া যায়নি।

নলডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান গফুর মিয়া জানান, এর আগেও ওইস্থানে বালু তোলা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আবারও বালু তুলছেন, সেবিষয়ে জানা নেই। তবে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাদুল্লাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাইফুর রহমান জানান, তিন দিনের জন্য গাইবান্ধা সদর উপজেলার দায়িত্বে আছেন তিনি।

সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)  মোছা. রোকসানা বেগম বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

 

জনপ্রিয়

আবু সাঈদের স্বপ্নের বাংলাদেশ আমরা প্রতিষ্ঠিত করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, দুশ্চিন্তায় কৃষক

প্রকাশের সময়: ০৪:২৮:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অক্টোবর ২০২২

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় শ্যালো মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে। এর ফলে আশপাশের কৃষি ভূমি ও ফসলের ক্ষতির আশঙ্কায় ভুগছে কৃষকরা।

সোমবার (৩ অক্টোবর) সরেজমিনে উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের জোরগাছের ভিটা নামকস্থানে দেখা যায়, বালু উত্তোলনের মহোৎসব। এখানকার একটি পুকুরে দুইটি মেশিনে প্রায় ৫০০ ফুট পাইপ টেনে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে।

স্থানীয়রা জানান, ওই গ্রামের আব্দুল মতিন মিয়ার ছেলে রাজু মিয়া ও রাখু মিয়া এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে পুকুর থেকে বালু উত্তোলন করছে। ওই পুকুরের আশপাশের কৃষকরা তাদের কৃষি জমি ও ফসলের ক্ষতির আশঙ্কায় চরম দুশ্চিন্তায় ভুগছেন। এছাড়া বালু তোলা পাইপগুলো রাস্তার ওপর দিয়ে টেনে নেওয়া পথচারি চলাচলে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সেই সঙ্গে ভূর্গস্থ বালু উত্তোলন করায় এলাকার পরিবেশ ভারসাম্য মারাত্নকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

নামপ্রকাশ না করা শর্তে স্থানীয় একাধিক কৃষক ক্ষুব্ধভাবে বলেন, ওই স্থানে বালু তোলা বন্ধের জন্য উপজেলা প্রশাসনসহ জনপ্রতিনিধির জানানো হলেও কেউই কর্ণপাত করেনি।

এ বিষয়ে রাজু মিয়া ও রাখু মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের পাওয়া যায়নি।

নলডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান গফুর মিয়া জানান, এর আগেও ওইস্থানে বালু তোলা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আবারও বালু তুলছেন, সেবিষয়ে জানা নেই। তবে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাদুল্লাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাইফুর রহমান জানান, তিন দিনের জন্য গাইবান্ধা সদর উপজেলার দায়িত্বে আছেন তিনি।

সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)  মোছা. রোকসানা বেগম বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।