গাইবান্ধা শহর ও আশপাশে বেশ কিছু পথশিশুর পদচারণ দেখা যায়। দরিদ্রে সীমার নিচে বসাবাস এই শিশুরা একাডেমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। এমনি শিশুদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়াতে রেলস্টেশনের পাশে গড়ে তোলা হয় একটি স্কুল। এ স্কুলে এখন বিনামূল্যে পাঠগ্রহণ করেছে পথশিশুরা।
শুক্রবার (৪ নভেম্বর) ওই শিশু শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩০ জনকে নিয়ে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে গাইবান্ধা প্রথম আলো বন্ধুসভা। গাইবান্ধা আসাদুজ্জামান গালস স্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তনে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
ওইদিন সকাল ১০টা থেকে প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপী প্রতিযোগিতা চলে। প্রথম আলোর ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। অংশগ্রহণ করা পথশিশু শিক্ষার্থীরা রংতুলির আঁচড়ে গ্রামীণ দৃশ্য আঁকে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা প্রথম আলো বন্ধুসভার সভাপতি মিল্লাত হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান ইমাম, সাংগঠনিক সম্পাদক উম্মে হাবিবা, প্রচার সম্পাদক রেজাউল করিম, স্কুল শিক্ষক এনটি স্মরণ, উম্মে কুলসুম, পান্না ভট্টাচার্য, শারমিন খাতুন, সুরমিলা আক্তার ও সাব্বির হোসেন প্রমুখ।
গাইবান্ধা বন্ধুসভার সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান জাগো২৪.নেট-কে বলেন, গাইবান্ধা শহরের রেল কলোনীর শিশু সামাদ মিয়ার (৯)। দরিদ্র পরিবারের এই শিশু একসময়ে বেলুন বিক্রি পেশা পেশা। বাবা কুলিশ্রমিকের কাজ করেন। অভাব-অনাটনের সংসারে লেখাপড়া হয়নি। এরই মধ্যে রেলস্টেশনের পাশে গড়ে ওঠা একটি স্কুলের চেষ্টায় তাকে ভর্তি করা হয়। সে এখন তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ছে। এখানে বিনামূল্যে লেখাপড়া করছে। শুধু সামাদ মিয়ায় নয়, তার মেতা আরও শতাধিক শিশু শিক্ষার আলো পাচ্ছে। এ শিশুরাও সুযোগ পেলে একদিন সমাজ ও দেশের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে।
তোফায়েল হোসেন জাকির 















