সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে

দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে পাশের হার, জিপিএ-৫ ও শতভাগ পাশকৃত স্কুলের সংখ্যা কমেছে। অপরদিকে অনুপস্থিত ও বহিস্কৃত পরিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে।
এবার দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ কম পেয়েছে ৮ হাজার ১৭৬ জন, আর পেল করেছে ৪৬ হাজার ১৪২ জন।
প্রেস ব্রিফিং এ দেয়া পরিসংখ্যানে জানানো হয়, এবারে এই বোর্ডের অধীনে ৮টি জেলার ২ হাজার ৭০ টি প্রতিষ্ঠানের মোট এক লাখ ৯৯ হাজার ৪৯১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। তাদের মধ্যে এক লাখ ৫৩ হাজার ৩৪৯ জন পরীক্ষার্থী পাশ করে। মোট পাশের হার ৭৬.৮৭ শতাংশ। পেল করেছে ৪৬ হাজার ১৪২ জন।
এবারে এই বোর্ড থেকে ১৭ হাজার ৪১০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। যা গত বারের চেয়ে ৮ হাজার ১৭৬ জন কম।
জিপিএ-৫ পাওয়া ১৭ হাজার ৪১০ জনের মধ্যে ছাত্রী ৮ হাজার ৮৮২ জন এবং ছাত্র পেয়েছে ৮ হাজার ৫২৮ জন।
এবারের পরীক্ষায় মোট ৭৬ জন শিক্ষার্থী বহিস্কার হয়েছে। যা গত বার ছিল ৩৬ জন। শতভাগ পাশ করেছে ৮০টি শিখ্ষা প্রতিষ্টানের পরীক্ষার্থী। যা গত বার ছিল  ৮৭টি। সে হিসেবে শতবাগ পাশের স্কুলের সংখ্যা ৮ টি কমে গেছে। এবারে ১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কেউ পাশ করেনি। যা গত বার ছিল  ৫টি ।
শিক্ষাবোর্ডের পরিসংখ্যান হিসেবে গত ৭টি বছরের মধ্যে এবারের ফলাফল সবচেয়ে খারাপ। ২০১৭ সালে ৮৩.৯৮, ২০১৮ সালে ৭৭.৬২.২০১৯ সালে ৮৪.১০. ২০২০ সালে ৮২.৭৩.২০২১ সালে ৯৪.৮০. ২০২২ সালে ৮১.১৬ শতাংশ পাস করেছিল। এবার ২০২৩ সালে পাশের হার ৭৬.৮৭ শতাংশ । যা গত বারের চেয়ে ৪.২৯ শতাংশ কম।
হাজার ৭৫৫ জন, ২০১৭ সালে পেয়েছিল ৬ হাজার ৯২৯ জন এবং ২০১৬ সালে পেয়েছিল ৮ হাজার ৮৯৯ জন।
প্রাপ্ত ফলাফলে এবারে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা ভাল করেছে। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের পাশের হার ৯১.৩০ শতাংশ, মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের পাশের হার ৬৭.১১ ৬৪.৮০ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের পাশের হার ৭৫.২৩ শতাংশ।
সব বিভাগ মিলে মেয়েরা পাশ করেছে ৮০.২২ শতাংশ এবং ছেলেরা পাস করেছে ৭৩.৬১ শতাংশ।
শিক্ষা বোর্ডের প্রেস ব্রিফিং এ পরিসংখ্যান তুলে ধরেন, উপ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মোঃ হারুন অর রশীদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন, সহকারি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী, সহকারি হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন, উচ্চমান সহকারি গোলাম রাব্বানী প্রমুখ। সুত্র: ডেইলি অবজারভার

পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে

প্রকাশের সময়: ০৫:০৭:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুলাই ২০২৩
দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে পাশের হার, জিপিএ-৫ ও শতভাগ পাশকৃত স্কুলের সংখ্যা কমেছে। অপরদিকে অনুপস্থিত ও বহিস্কৃত পরিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে।
এবার দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ কম পেয়েছে ৮ হাজার ১৭৬ জন, আর পেল করেছে ৪৬ হাজার ১৪২ জন।
প্রেস ব্রিফিং এ দেয়া পরিসংখ্যানে জানানো হয়, এবারে এই বোর্ডের অধীনে ৮টি জেলার ২ হাজার ৭০ টি প্রতিষ্ঠানের মোট এক লাখ ৯৯ হাজার ৪৯১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। তাদের মধ্যে এক লাখ ৫৩ হাজার ৩৪৯ জন পরীক্ষার্থী পাশ করে। মোট পাশের হার ৭৬.৮৭ শতাংশ। পেল করেছে ৪৬ হাজার ১৪২ জন।
এবারে এই বোর্ড থেকে ১৭ হাজার ৪১০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। যা গত বারের চেয়ে ৮ হাজার ১৭৬ জন কম।
জিপিএ-৫ পাওয়া ১৭ হাজার ৪১০ জনের মধ্যে ছাত্রী ৮ হাজার ৮৮২ জন এবং ছাত্র পেয়েছে ৮ হাজার ৫২৮ জন।
এবারের পরীক্ষায় মোট ৭৬ জন শিক্ষার্থী বহিস্কার হয়েছে। যা গত বার ছিল ৩৬ জন। শতভাগ পাশ করেছে ৮০টি শিখ্ষা প্রতিষ্টানের পরীক্ষার্থী। যা গত বার ছিল  ৮৭টি। সে হিসেবে শতবাগ পাশের স্কুলের সংখ্যা ৮ টি কমে গেছে। এবারে ১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কেউ পাশ করেনি। যা গত বার ছিল  ৫টি ।
শিক্ষাবোর্ডের পরিসংখ্যান হিসেবে গত ৭টি বছরের মধ্যে এবারের ফলাফল সবচেয়ে খারাপ। ২০১৭ সালে ৮৩.৯৮, ২০১৮ সালে ৭৭.৬২.২০১৯ সালে ৮৪.১০. ২০২০ সালে ৮২.৭৩.২০২১ সালে ৯৪.৮০. ২০২২ সালে ৮১.১৬ শতাংশ পাস করেছিল। এবার ২০২৩ সালে পাশের হার ৭৬.৮৭ শতাংশ । যা গত বারের চেয়ে ৪.২৯ শতাংশ কম।
হাজার ৭৫৫ জন, ২০১৭ সালে পেয়েছিল ৬ হাজার ৯২৯ জন এবং ২০১৬ সালে পেয়েছিল ৮ হাজার ৮৯৯ জন।
প্রাপ্ত ফলাফলে এবারে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা ভাল করেছে। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের পাশের হার ৯১.৩০ শতাংশ, মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের পাশের হার ৬৭.১১ ৬৪.৮০ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের পাশের হার ৭৫.২৩ শতাংশ।
সব বিভাগ মিলে মেয়েরা পাশ করেছে ৮০.২২ শতাংশ এবং ছেলেরা পাস করেছে ৭৩.৬১ শতাংশ।
শিক্ষা বোর্ডের প্রেস ব্রিফিং এ পরিসংখ্যান তুলে ধরেন, উপ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মোঃ হারুন অর রশীদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন, সহকারি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী, সহকারি হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন, উচ্চমান সহকারি গোলাম রাব্বানী প্রমুখ। সুত্র: ডেইলি অবজারভার