গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মুরাদ হাসান নামের এক যুবক প্রেম-ভালোবাসায় এক তরুণীর সঙ্গে গোপনে বিয়ের কাবিনামা সম্পাদন করছিল। এরই মধ্যে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্ত্রীর স্বীকৃতি দিতে নারাজ প্রেমিক রুহান। বাধ্য হয়ে ওই তরুণী স্বামীর দাবিতে অবস্থান শুরু করেছে।
বুধবার (২ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের খাসবাড়ী গ্রামের মুরাদ হাসানের বাড়িতে স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে ওই তরুণীর অবস্থান করতে দেখা গেছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, হোসেনপুর ইউনিয়নের খাসবাড়ী গ্রামের হারুন প্রধানের ছেলে মুরাদ হাসান একই ইউনিয়নের আকবরনগর গ্রামের এক মেয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিন থেকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এরই ধারাবাহিকতায় কয়েক মাস আগে প্রেমিক মুরাদ হাসান গোপনে প্রেমিকাকে কাবিনমূলে বিয়ে রেজিষ্ট্রি করে। বর্তমানে তাদের রেজিষ্ট্রির কথাটি জানাজানি হলে মুরাদ হাসান ওই মেয়েকে আর ঘরে তুলবে না এবং স্ত্রীর স্বীকৃতি দিবে না বলে জানান।
এদিকে প্রেমিকা কোন পথ খুঁজে না পেয়ে মঙ্গলবার (১ আগস্ট) সকালে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে প্রেমিক মুরাদ হাসানের বাড়িতে গেলে মুরাদের পরিবারের লোকজন মুরাদকে বাড়ি থেকে সরিয়ে দেন এবং মেয়টিকে টানাহেচড়া করাসহ তাকে অকর্থ্যভাষায় গালিগালাজ করে।
এ বিষয়ে হারুন প্রধান বলেন, এখন আমি কিছু বলতে পারব না। আমার ছোটভাই আমিনুল ইসলাম যা করবে আমরা সেটাই মেনে নিব।
প্রেমিকা জানায়, রেজিষ্ট্রি করার পর থেকে মুরাদ হাসান প্রায় রাতেই তার সাথে রাতযাপন করতো। তাকে স্ত্রীর স্বীকৃতি দিয়ে ঘরে না তুললে এই বাড়িতেই সে ছাড়বে না।
এ ব্যাপারে হোসেনপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য সাহারুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। দুই পরিবারের সাথে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধান করা হবে। তবে মেয়েটি বর্তমানে ওই বাড়িতেই অবস্থা করছে।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 


















