বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অবশেষে সেই তরুণী পেল স্ত্রীর স্বীকৃতি

ছবি প্রতিকী

স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে তরুণীর অবস্থান- শিরোনামে সংবাদটি জাগো২৪.নেটসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়। এরপর নড়েচড়ে বসে অভিভাবক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। অবশেষে মৌলভী দিয়ে বিয়ে পড়িয়ে সেই তরুণীকে দেওয়া হয়েছে স্ত্রীর স্বীকৃতি।

বুধবার (২ আগস্ট) দিবাগত রাতে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের খাসবাড়ী গ্রামের হারুন প্রধানের ছেলে প্রেমিক মুরাদ হাসানের সঙ্গে সামাজিকভাবে মৌলভী দিয়ে বিয়ে পড়ানো হয় রুহানি আক্তার নামের সেই তরুণীর। এসময় উভয়পক্ষ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। এ বিয়ে সম্পাদন করেন খাসবাড়ী জামে মসজিদের মোয়াজ্জেম তরিকুল শেখ।

এর আগে মঙ্গলবার (১ আগস্ট) সকালে মুরাদ হাসানের বাড়িতে স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে রুহানি আক্তার টানা ৩৬ ঘন্টা অবস্থান করছিল।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, হোসেনপুর ইউনিয়নের খাসবাড়ী গ্রামের হারুন প্রধানের ছেলে মুরাদ হাসান একই ইউনিয়নের আকবরনগর গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে রুহানি আক্তারের সঙ্গে দীর্ঘদিন থেকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এরই ধারাবাহিকতায় কয়েক মাস আগে প্রেমিক মুরাদ হাসান গোপনে প্রেমিকা রুহানিকে কাবিনমূলে বিয়ে রেজিষ্ট্রি করে। বর্তমানে তাদের রেজিষ্ট্রির কথাটি জানাজানি হলে মুরাদ হাসান ওই মেয়েকে আর ঘরে তুলবে না  এবং স্ত্রীর স্বীকৃতি দিবে না মর্মে জানান। বাধ্য হয়ে কোন পথ খুঁজে না পেয়ে মঙ্গলবার (১ আগস্ট) সকালে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে প্রেমিক মুরাদ হাসানের বাড়িতে অববস্থান শুরু করে রুহানি।

এ বিষয়ে প্রেমিক মুরাদ ও প্রেমিকা রুহানি জানায়, বুধবার রাতে আমাদের সামাজিকভাবে বিয়ে সম্পাদন হয়েছে। আমরা যেন সুখে-শান্তিতে থাকতে পারি এজন্য সবার কাছে দোয়া চাই।

এ ব্যাপারে হোসেনপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য সাহারুল ইসলাম বলেন, সৃষ্ট ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়। সবশেষ উভয়পক্ষ ও স্থানীয় সুধিজনের সম্মতিতে মুরাদ ও রুহানির বিয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। তাদের জন্য দোয়া করছি।

অবশেষে সেই তরুণী পেল স্ত্রীর স্বীকৃতি

প্রকাশের সময়: ০২:০১:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৩

স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে তরুণীর অবস্থান- শিরোনামে সংবাদটি জাগো২৪.নেটসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়। এরপর নড়েচড়ে বসে অভিভাবক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। অবশেষে মৌলভী দিয়ে বিয়ে পড়িয়ে সেই তরুণীকে দেওয়া হয়েছে স্ত্রীর স্বীকৃতি।

বুধবার (২ আগস্ট) দিবাগত রাতে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের খাসবাড়ী গ্রামের হারুন প্রধানের ছেলে প্রেমিক মুরাদ হাসানের সঙ্গে সামাজিকভাবে মৌলভী দিয়ে বিয়ে পড়ানো হয় রুহানি আক্তার নামের সেই তরুণীর। এসময় উভয়পক্ষ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। এ বিয়ে সম্পাদন করেন খাসবাড়ী জামে মসজিদের মোয়াজ্জেম তরিকুল শেখ।

এর আগে মঙ্গলবার (১ আগস্ট) সকালে মুরাদ হাসানের বাড়িতে স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে রুহানি আক্তার টানা ৩৬ ঘন্টা অবস্থান করছিল।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, হোসেনপুর ইউনিয়নের খাসবাড়ী গ্রামের হারুন প্রধানের ছেলে মুরাদ হাসান একই ইউনিয়নের আকবরনগর গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে রুহানি আক্তারের সঙ্গে দীর্ঘদিন থেকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এরই ধারাবাহিকতায় কয়েক মাস আগে প্রেমিক মুরাদ হাসান গোপনে প্রেমিকা রুহানিকে কাবিনমূলে বিয়ে রেজিষ্ট্রি করে। বর্তমানে তাদের রেজিষ্ট্রির কথাটি জানাজানি হলে মুরাদ হাসান ওই মেয়েকে আর ঘরে তুলবে না  এবং স্ত্রীর স্বীকৃতি দিবে না মর্মে জানান। বাধ্য হয়ে কোন পথ খুঁজে না পেয়ে মঙ্গলবার (১ আগস্ট) সকালে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে প্রেমিক মুরাদ হাসানের বাড়িতে অববস্থান শুরু করে রুহানি।

এ বিষয়ে প্রেমিক মুরাদ ও প্রেমিকা রুহানি জানায়, বুধবার রাতে আমাদের সামাজিকভাবে বিয়ে সম্পাদন হয়েছে। আমরা যেন সুখে-শান্তিতে থাকতে পারি এজন্য সবার কাছে দোয়া চাই।

এ ব্যাপারে হোসেনপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য সাহারুল ইসলাম বলেন, সৃষ্ট ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়। সবশেষ উভয়পক্ষ ও স্থানীয় সুধিজনের সম্মতিতে মুরাদ ও রুহানির বিয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। তাদের জন্য দোয়া করছি।