বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে হাতুড়ি পেটা 

দীর্ঘদিনের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করার বিষয়ে মৃত্যু আফজাল হোসেনের পুত্র আশরাফ আলী, তাইজুল ইসলাম, শেখ সাদী সহ সাত জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে । ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের বাশপুকুরিয়া গ্রামে। এজাহার সূত্রে জানা যায় আসামীদের সাথে দীর্ঘদিন ধরেই নানা বিষয়ে বিরোধ চলে আসছিল এবং মাঝে মাঝে বলত আমরা তোমাদের বড় ধরনের ক্ষতি করব।এর জের ধরে গত ৮ আগস্ট মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার সময় মামলার বাঁদী রেশমি বেগমের স্বামী শরিফুল ইসলাম (৩৫) পুত্র হাসানূর রহমান (১৫) জমিতে আমন ধানের চারা রোপণ করার পর বাড়িতে ফেরার পথে আসামীগন বেআইনি দলবদ্ধ হয়ে লাঠি লোহার রড হাতুড়ি ধারালো অস্ত্র নিয়ে লুকিয়ে থাকে। আহতরা কাছাকাছি আসলে তাদের সাথে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে । এক পর্যায়ে আসামীগন রোপন করা চারাগুলো উপড়ে ফেলে দেয় ।আহতরা এ সময় বাধা দিলে আসামীগন ক্ষিপ্ত হয়ে চিরতরে পঙ্গু করার জন্য এক নম্বর আসামী আশরাফ আলীর হুকুমে এলোপাথাড়ি মারডং মাইদূল ইসলামের হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে ‘ তাইজুল ইসলাম হাতুড়ি দিয়ে এবং বাঁশের লাঠি নিয়ে বাম পায়ের হাঁটুতে ডাং দিলে তারা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ।এ সময় আসামীগন হত্যার উদ্যেশে গলা চিপে ধরে ।পরে মামলার বাঁদী এবং স্হানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করে। বর্তমানে আহত শরিফুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই মাহবুব হোসেনের মোবাইল ফোনে কথা বলার চেষ্টা করা হলে ফোনটি রিসিভ হয়নি।

জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে হাতুড়ি পেটা 

প্রকাশের সময়: ০৯:৩৮:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ অগাস্ট ২০২৩

দীর্ঘদিনের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করার বিষয়ে মৃত্যু আফজাল হোসেনের পুত্র আশরাফ আলী, তাইজুল ইসলাম, শেখ সাদী সহ সাত জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে । ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের বাশপুকুরিয়া গ্রামে। এজাহার সূত্রে জানা যায় আসামীদের সাথে দীর্ঘদিন ধরেই নানা বিষয়ে বিরোধ চলে আসছিল এবং মাঝে মাঝে বলত আমরা তোমাদের বড় ধরনের ক্ষতি করব।এর জের ধরে গত ৮ আগস্ট মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার সময় মামলার বাঁদী রেশমি বেগমের স্বামী শরিফুল ইসলাম (৩৫) পুত্র হাসানূর রহমান (১৫) জমিতে আমন ধানের চারা রোপণ করার পর বাড়িতে ফেরার পথে আসামীগন বেআইনি দলবদ্ধ হয়ে লাঠি লোহার রড হাতুড়ি ধারালো অস্ত্র নিয়ে লুকিয়ে থাকে। আহতরা কাছাকাছি আসলে তাদের সাথে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে । এক পর্যায়ে আসামীগন রোপন করা চারাগুলো উপড়ে ফেলে দেয় ।আহতরা এ সময় বাধা দিলে আসামীগন ক্ষিপ্ত হয়ে চিরতরে পঙ্গু করার জন্য এক নম্বর আসামী আশরাফ আলীর হুকুমে এলোপাথাড়ি মারডং মাইদূল ইসলামের হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে ‘ তাইজুল ইসলাম হাতুড়ি দিয়ে এবং বাঁশের লাঠি নিয়ে বাম পায়ের হাঁটুতে ডাং দিলে তারা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ।এ সময় আসামীগন হত্যার উদ্যেশে গলা চিপে ধরে ।পরে মামলার বাঁদী এবং স্হানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করে। বর্তমানে আহত শরিফুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই মাহবুব হোসেনের মোবাইল ফোনে কথা বলার চেষ্টা করা হলে ফোনটি রিসিভ হয়নি।