মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে জ্বীনের মাধ্যমে চিকিৎসার নামে প্রতারণা  

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় জ্বীনের মাধ্যমে চিকিৎসার নামে মতিয়ার রহমান (৩৫) ও তার স্ত্রী পাপুলী বেগম (৩০) এর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ ওঠেছে। কথিত এই দম্পতির খপ্পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শত শত পরিবার। তাদের এমন অপকর্মে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেছে এলাকাবাসী।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের (১৬ ঘড়িয়া) এলাকার মতিয়ার ও তার স্ত্রী কথিত মহিলা ফকির পাপুলী বেগম প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নানান ধরনের রোগী দেখেন। তাদের ড্রাগ লাইসেন্স তো দূরের কথা! নেই কোন ডাক্তারি সার্টিফিকেট। নেই শিক্ষাগত যোগ্যতাও। এরপরও অদৃশ্য জীনের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবার নাম করে মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জনসাধারণের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা কৌশলে হাতিয়ে নিয়ে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে মোটা অর্থ সম্পদের মালিক বনে গেছেন ওই দম্পতি। বিশেষ করে সপ্তাহে অন্যান্য দিনগুলোর মধ্যে মঙ্গলবার ও শনিবার উপচেপড়া ভিড় লেগে থাকে পাপুলী বেগমের বাড়িতে।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক এক গৃহবধূ বলেন, বান কাটলেই নাকি ৫ হাজার টাকা দিতে হয় তাদের ! এছাড়াও কিশোর-কিশোরী যুবক-যুবতী মহিলাদের প্রেম সংক্রান্ত এবং সংসার জীবনে অশান্তি ছাড়া ও নানা ধরণের সমস্যা সমাধানে অদৃশ্য কথিত জ্বীনের মাধ্যমে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন পাপুলী। তবে এই চিকিৎসাসেবায় ৯০ ভাগ লোকই প্রতারণার স্বীকার হচ্ছে।  এ ধরনের প্রতারণার প্রতিকার দাবি ভূক্তভোগিদের।

এ বিষয়ে মতিয়ার রহমান ও তার স্ত্রী পাপুলী বেগম বলেন, আমরা জ্বীনের মাধ্যমে মানুষের চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছি। এতে সবাই সুফল পাচ্ছে। এই চিকিৎসা কোন ধরনের প্রতারণা নয়।

ইদিলপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য সাইদুর রহমান বলেন, মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা অবশ্যই আইনগত অপরাধ! এ বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

সাদুল্লাপুরে জ্বীনের মাধ্যমে চিকিৎসার নামে প্রতারণা  

প্রকাশের সময়: ০৪:২০:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় জ্বীনের মাধ্যমে চিকিৎসার নামে মতিয়ার রহমান (৩৫) ও তার স্ত্রী পাপুলী বেগম (৩০) এর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ ওঠেছে। কথিত এই দম্পতির খপ্পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শত শত পরিবার। তাদের এমন অপকর্মে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেছে এলাকাবাসী।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের (১৬ ঘড়িয়া) এলাকার মতিয়ার ও তার স্ত্রী কথিত মহিলা ফকির পাপুলী বেগম প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নানান ধরনের রোগী দেখেন। তাদের ড্রাগ লাইসেন্স তো দূরের কথা! নেই কোন ডাক্তারি সার্টিফিকেট। নেই শিক্ষাগত যোগ্যতাও। এরপরও অদৃশ্য জীনের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবার নাম করে মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জনসাধারণের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা কৌশলে হাতিয়ে নিয়ে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে মোটা অর্থ সম্পদের মালিক বনে গেছেন ওই দম্পতি। বিশেষ করে সপ্তাহে অন্যান্য দিনগুলোর মধ্যে মঙ্গলবার ও শনিবার উপচেপড়া ভিড় লেগে থাকে পাপুলী বেগমের বাড়িতে।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক এক গৃহবধূ বলেন, বান কাটলেই নাকি ৫ হাজার টাকা দিতে হয় তাদের ! এছাড়াও কিশোর-কিশোরী যুবক-যুবতী মহিলাদের প্রেম সংক্রান্ত এবং সংসার জীবনে অশান্তি ছাড়া ও নানা ধরণের সমস্যা সমাধানে অদৃশ্য কথিত জ্বীনের মাধ্যমে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন পাপুলী। তবে এই চিকিৎসাসেবায় ৯০ ভাগ লোকই প্রতারণার স্বীকার হচ্ছে।  এ ধরনের প্রতারণার প্রতিকার দাবি ভূক্তভোগিদের।

এ বিষয়ে মতিয়ার রহমান ও তার স্ত্রী পাপুলী বেগম বলেন, আমরা জ্বীনের মাধ্যমে মানুষের চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছি। এতে সবাই সুফল পাচ্ছে। এই চিকিৎসা কোন ধরনের প্রতারণা নয়।

ইদিলপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য সাইদুর রহমান বলেন, মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা অবশ্যই আইনগত অপরাধ! এ বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।