গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় বিয়ের প্রলোভনে এক তরুণীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে আতাউর রহমান (৩০) নামের যুবক। এরপর তরুণীটি অন্ত:সত্বা হলে বিয়ের চাপ দিলে নানা টালবাহনা করতে থাকে। অবশেষে তরুণীর পুত্র সন্তান জন্মের ৩ মাস পর বিয়ে হলো আতাউরের সঙ্গে।
সম্প্রতি চাঞ্চল্যকর এই কাণ্ডে রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে ওই দম্পতিকে দেখতে মানুষের ভির দেখা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, ওই ইউনিয়নের পিতার বাড়িতে তরুণীটি অবস্থানকালে ছোট দুর্গাপুর গ্রামের খাজা মিয়ার ছেলে আতাউর রহমান তাকে কুপ্রস্তাব দেওয়াসহ নানাভাবে উত্যাক্ত করে আসছিল। এরই একপর্যায়ে গত বছরের ২৫ জুলাই বাড়িতে কেউ না থাকার সুয়োগে রাত ১১টার দিকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে তরুণীকে জোরপুর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় মেয়েটি অন্ত:সত্বা হয়ে পড়ায় আতাউরকে বিয়ের চাপ দিতে থাকে। সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পর তাকে বিয়ে করবে বলে জানায় আতাউর। কিন্তু সেই সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পরও ধর্ষক আতাউর বিয়ে না করে টালবাহানা ও হুমকী ধামকি দিতে থাকে।
বিদ্যমান পরিস্থিতিতে মেয়েটি গত ১১ জুলাই আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করে। মামলার পর গাইবান্ধা পিবিআই বিষয়টি তদন্ত শুরু করলে আতাউর মামলার মিমাংসার প্রস্তাবসহ মেয়েকে বিয়ে করে সন্তানকে পিতার স্বীকৃতি দেয়ার কথা জানায়। এরই প্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) উভয় পক্ষের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে বেশ আনন্দঘন পরিবেশে তাদের বিয়ে সম্পন্ন করা হয়। আর বিয়ের আসরে মেয়েটির কোলে ছিল সেই সন্তানও।
এ বিষয়ে সাখাওয়াত হোসেন হারেজ নামের এক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, তরুনীটি গরীব পরিবারের মেয়ে। তার মামলার নিস্পত্তি হওয়ায় আমিসহ এলাকার সবাই খুশি। নতুন দম্পতি যেনো সন্তানসহ সুখে-শান্তিতে থাকে এই কামনায় করি।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 




















