সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এ বছরে গাইবান্ধায় পানিতে ডুবে প্রাণ গেছে ১৪০ শিশুর

গাইবান্ধা জেলায় পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর প্রবণতা বেড়েই চলছে। অভিভাবকদের অসচেতনতাসহ বিভিন্ন কারণে চলতি বছরে ১৪০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতের একটি জরিপ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্যনুসন্ধানে জানা গেছে, সম্প্রতি গাইবান্ধার বাদিয়াখালীতে মিজানুর রহমান (৫) ও জান্নাতি খাতুন (২) নামের মামা-ভাগ্নী, গোবিন্দগঞ্জের মহিমাগঞ্জে পলি আক্তার (৭) ও ছাদিয়া খাতুন (৭) নামের দুই বোন ও পলাশবাড়ীর বেতকাপায় রাদিয়া আক্তার (৩) ও রুম্পা মনি (৯) নামের দুই বোনের স্ব স্ব এলাকার একই পুকুরের পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়। এভাবে চলতি বছরে একই পরিবারের একাধিক শিশুসহ শতাধিক শিশু পানিতে ডুবে প্রাণ হারিয়েছে অকালে।

স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষক অধ্যাপক জহুরুল কাইয়ুম বলেন, অভিভাবকদের দায়িত্বহীনতার কারণে শিশুরা পানিতে ডুবে মারা যায়। পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর আরেকটি কারণ হলো- সাঁতার না জানা। শিশু ডুবে যাওয়া বন্ধে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

গাইবান্ধার গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের (জিইউকে) সমন্বয়কারী আফতাব হোসেন জানান, দাতা সংস্থা ইউনিসেফের মাধ্যমে বেশ কিছু শিশুকে সাঁতার শেখানো হয়েছে। এছাড়াও অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুকুরের চারপাশে স্থানীয়ভাবে বেড়া দেওয়া হচ্ছে। তবে শিশুমৃত্যু রোধে শিশুদের সাঁতার শেখানোর বিকল্প নেই বলে জানান তিনি।

গাইবান্ধা জেলা তথ্য অফিসার হৃদয় মাহমুদ চয়ন বলেন, পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুপ্রতিরোধে অভিভাবকদের সচেতনতায় মাইকে প্রচার চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে লিফলেট বিতরণও করা হয়।

এ বছরে গাইবান্ধায় পানিতে ডুবে প্রাণ গেছে ১৪০ শিশুর

প্রকাশের সময়: ০৬:৪৬:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩

গাইবান্ধা জেলায় পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর প্রবণতা বেড়েই চলছে। অভিভাবকদের অসচেতনতাসহ বিভিন্ন কারণে চলতি বছরে ১৪০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতের একটি জরিপ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্যনুসন্ধানে জানা গেছে, সম্প্রতি গাইবান্ধার বাদিয়াখালীতে মিজানুর রহমান (৫) ও জান্নাতি খাতুন (২) নামের মামা-ভাগ্নী, গোবিন্দগঞ্জের মহিমাগঞ্জে পলি আক্তার (৭) ও ছাদিয়া খাতুন (৭) নামের দুই বোন ও পলাশবাড়ীর বেতকাপায় রাদিয়া আক্তার (৩) ও রুম্পা মনি (৯) নামের দুই বোনের স্ব স্ব এলাকার একই পুকুরের পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়। এভাবে চলতি বছরে একই পরিবারের একাধিক শিশুসহ শতাধিক শিশু পানিতে ডুবে প্রাণ হারিয়েছে অকালে।

স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষক অধ্যাপক জহুরুল কাইয়ুম বলেন, অভিভাবকদের দায়িত্বহীনতার কারণে শিশুরা পানিতে ডুবে মারা যায়। পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর আরেকটি কারণ হলো- সাঁতার না জানা। শিশু ডুবে যাওয়া বন্ধে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

গাইবান্ধার গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের (জিইউকে) সমন্বয়কারী আফতাব হোসেন জানান, দাতা সংস্থা ইউনিসেফের মাধ্যমে বেশ কিছু শিশুকে সাঁতার শেখানো হয়েছে। এছাড়াও অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুকুরের চারপাশে স্থানীয়ভাবে বেড়া দেওয়া হচ্ছে। তবে শিশুমৃত্যু রোধে শিশুদের সাঁতার শেখানোর বিকল্প নেই বলে জানান তিনি।

গাইবান্ধা জেলা তথ্য অফিসার হৃদয় মাহমুদ চয়ন বলেন, পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুপ্রতিরোধে অভিভাবকদের সচেতনতায় মাইকে প্রচার চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে লিফলেট বিতরণও করা হয়।