ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে গাইবান্ধার ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলাতে (৮ মে) বুধবার ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এরই মধ্যে ফুলছড়ি উপজেলার চরাঞ্চলে ভোটের অনিয়মের অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেছেন ঘোড়া প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী জিএম সেলিম পারভেজ।
বুধবার (৮ মে) দুপুর ১ টারর দিকে ফুলছড়ি উপজেলা কঞ্চিপাড়া এমএইউ স্কুল ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে তিনি এই ভোট বর্জনের ঘোষনা দেন।
এই প্রার্থী ফুলছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও নৌকা প্রতীকের সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।
চেয়ারম্যান প্রার্থী জিএম সেলিম পারভেজ সকাল ৮ ঘটিকায় ভোটগ্রহণ শুরুর ১ ঘন্টা পর হতে ফুলছড়ি উপজেলার বিভিন্ন চরে অধিক কেন্দ্রে আমার এজেন্দের বেড় করে দিয় মারধর করেছে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর পক্ষের লোকজন। শুধু তায় নয়, জালভোট দেওয়া শুরু করে ভোটকেন্দ্র দখল করে অবৈধভাবে ভোট মেরেছে। এ বিষয়ে রির্টিনিং কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের উদ্ধতনকে জানালেও তারা কোন অভিযোগ আমলে নেয়নি। এ জন্য আমি ভোট বর্জনের ঘোষনা দিলাম।
এস সময় জিএম সেলিম পারভেজ উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য গোপনে তার পছন্দের মোটরসাইকেল প্রতিকের প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে এলাকায় উপস্থিত থেকে ভোটের আগের দিন রাতে তার নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে এই উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে দায়িত্বরত প্রিজাইডিং অফিসার, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ সকলকে হুমকি ধামকিসহ বিভিন্ন ভাবে প্রলভিত করে এই সুষ্ঠ ভোটের পরিবেশ নষ্ট করেছেন। আর এই কারনেই আমার সাধারন ভোটারগণ আজ আতঙ্কিত। যার কারনেই আমি যেখানে জনগণের ৮০ শতাংশ ভোট পাওয়ার কথা সেখানে আমাকে নির্বাচন বর্জন করতে হল।
তিনি আরও বলেন, ফজলুপুর, ফুলছড়ি, এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যান, তাদের ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদেরকে সঙ্গে নিয়ে ঐ ইউনিয়নগুলোর বিভিন্ন কেন্দ্র দখল করে নেক্কারজনক ভাবে ভোট ডাকাতি করেছেন। আমি সকাল থেকে প্রায় ২০ বার রির্টানিং কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাকে জানালেও তারা ব্যাবস্থা নেই নিচ্ছি বলে পাশ কাটিয়ে জান। তারা অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে ব্যবস্থা নিলে আজ এই ভোটটি প্রশ্নবিদ্ধ হতো না।
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 
















