ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তৃতীয় ধাপে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর ও সুন্দরগঞ্জ দুই উপজেলায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়ে চলছে গণনা।
বুধবার (২৯ মে) সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলে বিরতীহীন ভাবে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত। এই দুই উপজেলায় ১৬ জন চেয়ারম্যানসহ মোট ৪০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯ জন প্রার্থী। তারা হলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম সরকার লেবু (কাপ-পিরিচ), উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য খয়বর হোসেন সরকার (হেলিকপ্টার), জাতীয় পার্টির মোস্তফা মহসিন সরদার টিপু (লাঙ্গল), সাজ্জাদ হোসেন লিখন মিয়া (ঘোড়া), মো. আখতারুজ্জামান আকন্দ (দোয়াত-কলম), মো. এরশাদ আলী (ব্যাটারী), মো. ওয়াহেদুজ্জামান সরকার (মোটরসাইকেল), মো. গোলাম কবীর (টেলিফোন) ও মো. সফিউল ইসলাম (আনারস)। এছাড়া ভাইস-চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ১২ জন ও নারী ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সাদুল্লাপুর উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭ জন প্রার্থী। তারা হলেন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শাহ্ মো. ফজলুল হক রানা (মোটরসাইকেল), সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান মুন্সি (কাপ-পিরিচ), মো. রেজাউল করিম রেজা (আনারস), সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাড. আব্দুল ওয়াহেদ (ঘোড়া), মো. আজিজার রহমান (হেলিকপ্টার), মো. সাহীন আলম (টেলিফোন) এবং মো. নুর আজম মন্ডল নীরব (দোয়াত-কলম)। এছাড়া ভাইস-চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ৫ জন ও নারী ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এব্যাপারে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মশিউর রহমান বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে এই দুই উপজেলার প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ৫ জন পুলিশসহ ১৯ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দ্বায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়া ২৭ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ৯ প্লাটুন বিজিবিসহ র্যাবের ৩টি ও পুলিশের ২৮টি মোবাইল দল।
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 
















