বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরে নাতনীকে ধর্ষণ, ৫ মাসের অন্তঃসত্তা 

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে চিরিরবন্দরে সম্পর্কীয় দাদা কর্তৃক কিশোরী নাতনীকে ধর্ষণের ঘটনায় ৫ মাসের অন্তঃসত্তা। এ ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। এ ধর্ষণের ঘটনাটি উপজেলার আব্দুলপুর ইউনিয়নে ঘটেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আব্দুলপুর ইউনিয়নের সম্পর্কিত প্রতিবেশী দাদা নুরুজ্জামান আহমেদ (৪৫) নানা প্রলোভন দেখিয়ে ও ফুসলিয়ে কিশোরী নাতনীকে বিভিন্ন সময়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ফলে ওই কিশোরী নাতনী ৫ মাসের অন্তঃসত্তা হয়ে পড়ে। ওই কিশোরীর মা জানান, বাড়ির পার্শ্ববর্তী সম্পর্কিত দাদা কবিরাজ নুরুজ্জামান আহমেদ (৪৫) মেয়ের পেটের ব্যাথার জন্য ওষুধ খাওয়ালে মেয়েটি অজ্ঞান হয়ে যায়। এরপর কবিরাজ নুরুজ্জামান আহমেদ তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে। এভাবে প্রায় তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতে থাকে। শারীরিক সম্পর্কের একপর্যায়ে ওই কিশোরী মেয়েটি ৫ মাসের অন্তঃসত্তা হয়ে পড়ে। ফলে এ ঘটনা জানাজানি হয়ে যায়। এ ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে দুই পরিবারের মধ্যে মিমাংসার জন্য আলোচনার উদ্যোগ নেয়া হলে ধর্ষক নুরুজ্জামান আহমেদ পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ২/৩ দিনপর স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যকে জানালে তারা এসে স্থানীয় প্রধান শিক্ষককে বিষয়টি জানান। এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক সালিশী বৈঠকে যেতে আপত্তি জানান এবং মামলা করার পরামর্শ প্রদান করেন। তখন ইউপি চেয়ারম্যান বৈঠকে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না দিয়ে মামলা দায়ের করার নির্দেশ দেন। এরপর পরদিন সকালে স্কুলে প্রধান শিক্ষকের নিকট পুনরায় গেলে তিনি থানার ওসির সঙ্গে কথা বলেন এবং পুনরায় মামলা করার পরামর্শ প্রদান করেন। এরপর থানায় গিয়ে ওই কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে গত ১ জুন শনিবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।
নুরুজ্জামান আহমেদ মুঠোফোনে প্রথমে ঘটনা অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে সব স্বীকার করে বলেন, ওই মেয়ের মা প্রায়ই ধারদেনা করতো। বিভিন্ন রোগের জন্য আমার নিকট থেকে কবিরাজী ওষধ নিয়ে খেত। এর একপর্যায়ে তার মেয়ের সঙ্গে আমার ঘনিষ্টতা হয়ে যায়। তার সঙ্গে ভুলক্রমে এ অন্যায় কাজটি হয়েছে।
চিরিরবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল হাসনাত খান জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। ভিকটিমকে পরীক্ষার জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামীকে গ্রেফতার করতে ব্যাপক অভিযান চালানো হচ্ছে।

চিরিরবন্দরে নাতনীকে ধর্ষণ, ৫ মাসের অন্তঃসত্তা 

প্রকাশের সময়: ০২:১০:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুন ২০২৪
দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে চিরিরবন্দরে সম্পর্কীয় দাদা কর্তৃক কিশোরী নাতনীকে ধর্ষণের ঘটনায় ৫ মাসের অন্তঃসত্তা। এ ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। এ ধর্ষণের ঘটনাটি উপজেলার আব্দুলপুর ইউনিয়নে ঘটেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আব্দুলপুর ইউনিয়নের সম্পর্কিত প্রতিবেশী দাদা নুরুজ্জামান আহমেদ (৪৫) নানা প্রলোভন দেখিয়ে ও ফুসলিয়ে কিশোরী নাতনীকে বিভিন্ন সময়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ফলে ওই কিশোরী নাতনী ৫ মাসের অন্তঃসত্তা হয়ে পড়ে। ওই কিশোরীর মা জানান, বাড়ির পার্শ্ববর্তী সম্পর্কিত দাদা কবিরাজ নুরুজ্জামান আহমেদ (৪৫) মেয়ের পেটের ব্যাথার জন্য ওষুধ খাওয়ালে মেয়েটি অজ্ঞান হয়ে যায়। এরপর কবিরাজ নুরুজ্জামান আহমেদ তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে। এভাবে প্রায় তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতে থাকে। শারীরিক সম্পর্কের একপর্যায়ে ওই কিশোরী মেয়েটি ৫ মাসের অন্তঃসত্তা হয়ে পড়ে। ফলে এ ঘটনা জানাজানি হয়ে যায়। এ ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে দুই পরিবারের মধ্যে মিমাংসার জন্য আলোচনার উদ্যোগ নেয়া হলে ধর্ষক নুরুজ্জামান আহমেদ পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ২/৩ দিনপর স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যকে জানালে তারা এসে স্থানীয় প্রধান শিক্ষককে বিষয়টি জানান। এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক সালিশী বৈঠকে যেতে আপত্তি জানান এবং মামলা করার পরামর্শ প্রদান করেন। তখন ইউপি চেয়ারম্যান বৈঠকে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না দিয়ে মামলা দায়ের করার নির্দেশ দেন। এরপর পরদিন সকালে স্কুলে প্রধান শিক্ষকের নিকট পুনরায় গেলে তিনি থানার ওসির সঙ্গে কথা বলেন এবং পুনরায় মামলা করার পরামর্শ প্রদান করেন। এরপর থানায় গিয়ে ওই কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে গত ১ জুন শনিবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।
নুরুজ্জামান আহমেদ মুঠোফোনে প্রথমে ঘটনা অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে সব স্বীকার করে বলেন, ওই মেয়ের মা প্রায়ই ধারদেনা করতো। বিভিন্ন রোগের জন্য আমার নিকট থেকে কবিরাজী ওষধ নিয়ে খেত। এর একপর্যায়ে তার মেয়ের সঙ্গে আমার ঘনিষ্টতা হয়ে যায়। তার সঙ্গে ভুলক্রমে এ অন্যায় কাজটি হয়েছে।
চিরিরবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল হাসনাত খান জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। ভিকটিমকে পরীক্ষার জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামীকে গ্রেফতার করতে ব্যাপক অভিযান চালানো হচ্ছে।