বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জের পত্রিকা বিক্রেতা রহমান আর নেই

না ফেরার দেশে চলে গেলেন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার একমাত্র প্রবীণ পত্রিকা বিক্রেতা ও ইত্যাদি পত্রিকা বিতানের স্বত্বাধিকারী আব্দুর রহমান ।

অসুস্থজনিত কারনে সোমবার (৩ জুন) পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের নিজ বাসায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ৫ কন্যাসহ অসংখ্য গুনগৃহী রেখে গেছেন। বর্তমানে তার দুই ছেলে জাহেদুল ইসলাম ও জাহাঙ্গীর মিয়া পত্রিকা বিক্রেতার কাজ করে আসছেন। রাত সাড়ে ৯টায় বাহিরগোলা ঈদগা মাঠে নামাযে জানাযা শেষে তাঁকে পৌর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

তাঁর মৃত্যুতে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. শাহজাহান মিঞা ও সাধারন সম্পাদক মো. আব্দুল মান্নান আকন্দ ও সুন্দরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদুল ইসলাম জাহিদসহ উপজেলায় কর্মরত সকল গণমাধ্যম কর্মী গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

জানা গেছে, দেশ স্বাধীনের পর থেকে এই উপজেলায় পত্রিকা বিক্রি করে আসছেন তিনি। পাশাপাশি তিনি দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে উপজেলার কেন্দ্রীয় বাহিরগোলা জামে মসজিদের মোয়াজিনের দায়িত্ব পালন করেছেন। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রকাশিত পত্রিকার এজেন্ট ছিলেন তিনি। বিগত ৮০ দশকে তিনি ট্রেন যোগে ঢাকা হতে পত্রিকা নিয়ে এসে বিক্রি করতেন।

সুন্দরগঞ্জের পত্রিকা বিক্রেতা রহমান আর নেই

প্রকাশের সময়: ১০:৪২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুন ২০২৪

না ফেরার দেশে চলে গেলেন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার একমাত্র প্রবীণ পত্রিকা বিক্রেতা ও ইত্যাদি পত্রিকা বিতানের স্বত্বাধিকারী আব্দুর রহমান ।

অসুস্থজনিত কারনে সোমবার (৩ জুন) পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের নিজ বাসায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ৫ কন্যাসহ অসংখ্য গুনগৃহী রেখে গেছেন। বর্তমানে তার দুই ছেলে জাহেদুল ইসলাম ও জাহাঙ্গীর মিয়া পত্রিকা বিক্রেতার কাজ করে আসছেন। রাত সাড়ে ৯টায় বাহিরগোলা ঈদগা মাঠে নামাযে জানাযা শেষে তাঁকে পৌর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

তাঁর মৃত্যুতে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. শাহজাহান মিঞা ও সাধারন সম্পাদক মো. আব্দুল মান্নান আকন্দ ও সুন্দরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদুল ইসলাম জাহিদসহ উপজেলায় কর্মরত সকল গণমাধ্যম কর্মী গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

জানা গেছে, দেশ স্বাধীনের পর থেকে এই উপজেলায় পত্রিকা বিক্রি করে আসছেন তিনি। পাশাপাশি তিনি দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে উপজেলার কেন্দ্রীয় বাহিরগোলা জামে মসজিদের মোয়াজিনের দায়িত্ব পালন করেছেন। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রকাশিত পত্রিকার এজেন্ট ছিলেন তিনি। বিগত ৮০ দশকে তিনি ট্রেন যোগে ঢাকা হতে পত্রিকা নিয়ে এসে বিক্রি করতেন।