মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ২১ হাজার পশু

ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় ২ হাজার ১৫ খামারে ২০ হাজার ৭১৪ কোরবানি পশু মজদু রয়েছে। এসব পশু বিক্রির ব্যবস্থাপনায় মাঠে কাজ করছেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাগণ। খামারীরা যাতে লাভবান হন, সেই লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করছেন তারা।

জানা যায়, ওইসব খামারে কোরবানিযোগ্য গরু ৯ হাজার ২৪৪ ও ছাগল-ভেরা রয়েছে ১১ হাজার ৪৭০টি। আর এ উপজেলায় চাহিদা রয়েছে ১৭ হাজার ১০০ কোরবানি পশু।

বর্তমানে সাদুল্লাপুর উপজেলায় নিয়মিত এবং মৌসুমী হাটগুলোতে ছোট-বড় গরু-ছাগল আমদানী ও বেচা-কেনা শুরু হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে উপজেলায় তিনটি স্থায়ী ও দুইটি অস্থায়ী পশুর হাট রয়েছে। ইতোমধ্যে বিক্রয়যোগ্য হাটগুলোতে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তিনটি মেডিকেল দল কাজ করছে বলে প্রাণিসম্পদ বিভাগ সুত্রে জানা গেছে।

এ বিষয়ে এক খামারী বলেন, আমার প্রায় ১০ গরু রয়েছে। এসব গরু এই কোরবানি ঈদে বিক্রি করা হবে। যেন লাভবান হতে পারি সে ব্যাপারে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আমাকে পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।

সম্প্রতি সাদুল্লাপুরের বিভিন্ন খামার পরিদর্শন অব্যাহত রেখেছেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সিরাজুল ইসলাম। হাটে গিয়ে খামারীদের যেন ভোগান্তি পোহাতে না হয়, সে ব্যাপারী অনলাইন প্লাটফর্মে পশু বিক্রির জন্য পরামর্শ প্রদান করছেন তিনি। এছাড়া পশু মালিকদের লাভবান করতেও সর্বাত্নকভাবে সহযোগিতা করছেন ডা. সিরাজুল ইসলাম ।

সাদুল্লাপুরে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ২১ হাজার পশু

প্রকাশের সময়: ০৪:১৩:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ জুন ২০২৪

ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় ২ হাজার ১৫ খামারে ২০ হাজার ৭১৪ কোরবানি পশু মজদু রয়েছে। এসব পশু বিক্রির ব্যবস্থাপনায় মাঠে কাজ করছেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাগণ। খামারীরা যাতে লাভবান হন, সেই লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করছেন তারা।

জানা যায়, ওইসব খামারে কোরবানিযোগ্য গরু ৯ হাজার ২৪৪ ও ছাগল-ভেরা রয়েছে ১১ হাজার ৪৭০টি। আর এ উপজেলায় চাহিদা রয়েছে ১৭ হাজার ১০০ কোরবানি পশু।

বর্তমানে সাদুল্লাপুর উপজেলায় নিয়মিত এবং মৌসুমী হাটগুলোতে ছোট-বড় গরু-ছাগল আমদানী ও বেচা-কেনা শুরু হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে উপজেলায় তিনটি স্থায়ী ও দুইটি অস্থায়ী পশুর হাট রয়েছে। ইতোমধ্যে বিক্রয়যোগ্য হাটগুলোতে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তিনটি মেডিকেল দল কাজ করছে বলে প্রাণিসম্পদ বিভাগ সুত্রে জানা গেছে।

এ বিষয়ে এক খামারী বলেন, আমার প্রায় ১০ গরু রয়েছে। এসব গরু এই কোরবানি ঈদে বিক্রি করা হবে। যেন লাভবান হতে পারি সে ব্যাপারে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আমাকে পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।

সম্প্রতি সাদুল্লাপুরের বিভিন্ন খামার পরিদর্শন অব্যাহত রেখেছেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সিরাজুল ইসলাম। হাটে গিয়ে খামারীদের যেন ভোগান্তি পোহাতে না হয়, সে ব্যাপারী অনলাইন প্লাটফর্মে পশু বিক্রির জন্য পরামর্শ প্রদান করছেন তিনি। এছাড়া পশু মালিকদের লাভবান করতেও সর্বাত্নকভাবে সহযোগিতা করছেন ডা. সিরাজুল ইসলাম ।