মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় চালককে খুন করে মিশুগাড়ী ছিনতাই

গাইবান্ধা স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় আনিছ মিয়া ঠাণ্ডা (৪৫) নামের এক চালককে খুন করে তার মিশুগাড়ী নিয়ে চম্পট হয়েছে ছিনতাইকারী দল।

শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন আনিছ মিয়া ঠাণ্ডা।

নিহত ঠান্ডা মিয়া গাইবান্ধা সদর উপজেলার গিদারী ইউনিয়নের বাগুরিয়া গ্রামের মৃত হামিদ মিয়ার ছেলে।

স্বজনরা জানায়, আনিছ মিয়া ঠাণ্ডা (৪৫) প্রায় দুইযুগ ধরে পত্রিকা হাকারি করতেন। এরই মধ্যে সংসারে টানাপোড়েনের একপর্যায়ে সেই ব্যবসা ছেড়ে কয়েকমাস আগে ঋণের মাধ্যমে একটি চার্জার মিশুগাড়ী কিনে গাইবান্ধা শহরে ভাড়া মারতেন। এই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাতের কোন এক সময় ছিনতাইকারীরা শরীরের বিভিন্ন স্থানে ঠান্ডাকে ছুরিকাঘাত করে তার মিশুগাড়ীটা নিয়ে যায়। শুক্রবার ভোরবেলায় সেখানে মুমূর্ষ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন ঠান্ডাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। এরপর তার অবস্থার অবনতি হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক ঠান্ডাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। শুক্রবার সকালের দিকে এ মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঠান্ডা মিয়া মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা সংবাদপত্র হকার কল্যাণ সমিতির সভাপতি আব্দুল মালেক মিয়া ও রহমান পত্রিকা বিতানের ওয়াসিম মিয়া। তারা বলেন, আনিছ মিয়া ঠাণ্ডা প্রায় দুইযুগ ধরে পত্রিকা হাকারি করতেন। এরই মধ্যে একটি মিশুগাড়ী কিনে ভাড়ায় চালান। আর সেটিই যেন কাল হয়ে দাঁড়ালো তার। ছিনতাকারীরা ঠান্ডাকে খুন করে গাড়ীটি নিয়ে পালিয়েছে। তার লাশ এখনও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে লাশ বাড়িতে আনা হবে। এরপর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বজনদের পরামর্শ দেওয়া হবে বলে জানান আব্দুল মালেক মিয়া।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুল হক তালুকদার বলেন, স্টেডিয়াম এলাকায় ছুরিকাঘাতে এক ব্যক্তি নিহত হওয়ার খবর লোকমুখে শুনেছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গাইবান্ধায় চালককে খুন করে মিশুগাড়ী ছিনতাই

প্রকাশের সময়: ০৬:৫০:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৫

গাইবান্ধা স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় আনিছ মিয়া ঠাণ্ডা (৪৫) নামের এক চালককে খুন করে তার মিশুগাড়ী নিয়ে চম্পট হয়েছে ছিনতাইকারী দল।

শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন আনিছ মিয়া ঠাণ্ডা।

নিহত ঠান্ডা মিয়া গাইবান্ধা সদর উপজেলার গিদারী ইউনিয়নের বাগুরিয়া গ্রামের মৃত হামিদ মিয়ার ছেলে।

স্বজনরা জানায়, আনিছ মিয়া ঠাণ্ডা (৪৫) প্রায় দুইযুগ ধরে পত্রিকা হাকারি করতেন। এরই মধ্যে সংসারে টানাপোড়েনের একপর্যায়ে সেই ব্যবসা ছেড়ে কয়েকমাস আগে ঋণের মাধ্যমে একটি চার্জার মিশুগাড়ী কিনে গাইবান্ধা শহরে ভাড়া মারতেন। এই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাতের কোন এক সময় ছিনতাইকারীরা শরীরের বিভিন্ন স্থানে ঠান্ডাকে ছুরিকাঘাত করে তার মিশুগাড়ীটা নিয়ে যায়। শুক্রবার ভোরবেলায় সেখানে মুমূর্ষ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন ঠান্ডাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। এরপর তার অবস্থার অবনতি হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক ঠান্ডাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। শুক্রবার সকালের দিকে এ মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঠান্ডা মিয়া মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা সংবাদপত্র হকার কল্যাণ সমিতির সভাপতি আব্দুল মালেক মিয়া ও রহমান পত্রিকা বিতানের ওয়াসিম মিয়া। তারা বলেন, আনিছ মিয়া ঠাণ্ডা প্রায় দুইযুগ ধরে পত্রিকা হাকারি করতেন। এরই মধ্যে একটি মিশুগাড়ী কিনে ভাড়ায় চালান। আর সেটিই যেন কাল হয়ে দাঁড়ালো তার। ছিনতাকারীরা ঠান্ডাকে খুন করে গাড়ীটি নিয়ে পালিয়েছে। তার লাশ এখনও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে লাশ বাড়িতে আনা হবে। এরপর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বজনদের পরামর্শ দেওয়া হবে বলে জানান আব্দুল মালেক মিয়া।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুল হক তালুকদার বলেন, স্টেডিয়াম এলাকায় ছুরিকাঘাতে এক ব্যক্তি নিহত হওয়ার খবর লোকমুখে শুনেছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।