বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মো. আবু সাঈদ শামীম (২৪) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে তাঁর নিজ শয়ন ঘর থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত মো. আবু সাঈদ উপজেলার সুন্দরগঞ্জ শান্তিরাম ইউনিয়নের পশ্চিম পরান গ্রােেমর গ্রামের মো. মন্তাজ আলীর ছেলে।

এ বিষয়ে কথা হয় সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো সেলিম রেজার সাথে।
তিনি বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের স্বজনদের কোনো অভিযোগ ছিলো না। সে কারণে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে বিষয় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।’

নিহতের স্বজনদের সাথে কথা বলে জানা যায়, নিহত মো. আবু সাঈদ শামীম গভীর রাত পর্যন্ত বাড়ির বাহিরে থাকেন এবং ভোরবেলা এসে ঘুমান। গতানুগতিক গত শুক্রবার রাতেও ভোরবেলা এসে নিজ শয়ন ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। পরদিন গতকাল শনিবার সকাল দশ এগারোটার দিকে তাঁকে না পেয়ে তাঁর ঘরের দরজার কাছে যান এবং শব্দ করেন। এতে কোনো সাড়া শব্দ না পাওয়ায় দরজা খুলে ঘরে ঢোকেন। এসময় ঘরের বাঁশের ধরনার সঙ্গে নাইলনের রশি গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় দেখতে পান তার স্বজনরা। পরে তাঁরা পুলিশে খবর দেন।

তারা আরও জানান, বছর তিনেক আগে মো. শামীম বিয়ে করেন উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের ঝিনিয়া সাহাপাড়া গ্রামে। তার শ্বশুরের নাম মো. আজাদ হোসেন। স্ত্রী মোছা. আরজিনা বেগমের সঙ্গে বিয়ের পর থেকেই বনিবনাত ছিলো না। কলহ লেগেই ছিলো তাদের দাম্পত্য জীবনে। প্রায় ছয় মাস আগে স্ত্রী তার বাবার বাড়ি চলে গেছেন। আর ফিরে আসেননি। সে কারণে শামীম মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং হতাশায় ভুগছিলেন বলেও জানান তার পরিবারের লোকজন।

জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একজন জনবান্ধব নেতা: এমপি মমতাজ

সুন্দরগঞ্জে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময়: ০৮:২৫:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মো. আবু সাঈদ শামীম (২৪) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে তাঁর নিজ শয়ন ঘর থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত মো. আবু সাঈদ উপজেলার সুন্দরগঞ্জ শান্তিরাম ইউনিয়নের পশ্চিম পরান গ্রােেমর গ্রামের মো. মন্তাজ আলীর ছেলে।

এ বিষয়ে কথা হয় সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো সেলিম রেজার সাথে।
তিনি বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের স্বজনদের কোনো অভিযোগ ছিলো না। সে কারণে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে বিষয় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।’

নিহতের স্বজনদের সাথে কথা বলে জানা যায়, নিহত মো. আবু সাঈদ শামীম গভীর রাত পর্যন্ত বাড়ির বাহিরে থাকেন এবং ভোরবেলা এসে ঘুমান। গতানুগতিক গত শুক্রবার রাতেও ভোরবেলা এসে নিজ শয়ন ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। পরদিন গতকাল শনিবার সকাল দশ এগারোটার দিকে তাঁকে না পেয়ে তাঁর ঘরের দরজার কাছে যান এবং শব্দ করেন। এতে কোনো সাড়া শব্দ না পাওয়ায় দরজা খুলে ঘরে ঢোকেন। এসময় ঘরের বাঁশের ধরনার সঙ্গে নাইলনের রশি গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় দেখতে পান তার স্বজনরা। পরে তাঁরা পুলিশে খবর দেন।

তারা আরও জানান, বছর তিনেক আগে মো. শামীম বিয়ে করেন উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের ঝিনিয়া সাহাপাড়া গ্রামে। তার শ্বশুরের নাম মো. আজাদ হোসেন। স্ত্রী মোছা. আরজিনা বেগমের সঙ্গে বিয়ের পর থেকেই বনিবনাত ছিলো না। কলহ লেগেই ছিলো তাদের দাম্পত্য জীবনে। প্রায় ছয় মাস আগে স্ত্রী তার বাবার বাড়ি চলে গেছেন। আর ফিরে আসেননি। সে কারণে শামীম মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং হতাশায় ভুগছিলেন বলেও জানান তার পরিবারের লোকজন।