শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে চাচা খুন

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার বসতভিটা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ভাই-ভাতিজাদের ছুরিকাঘাতে রাধানাথ দাস (৫৮) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৪ জুলাই) উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের দশলিয়া গ্রামের রায়পাড়ায় এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত রাধানাথ দাস ওই গ্রামের মৃত কার্ত্তিক চন্দ্র দাসের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, বড় ভাই নৃপেন চন্দ্র দাস ও খলিসা দাস গংদের সঙ্গে বসতভিটার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে রাধানাথ দাসের বিরোধ চলে আসছিল। এরই একপর্যায়ে শুক্রবার সকালের দিকে রাধানাথ দাস বাড়ির সামনে ছাগলকে ঘাস খাওয়াতে যায়। এসময় খলিসা দাস ও তার দুই ছেলে শঙ্খরাজ দাসসহ আরও অনেকে রাধানাথ দাসকে ছুরিকাঘাত করে রক্তাত্ত জখম করে। এ অবস্থায় তাকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে গাইবান্ধা আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাধানাথকে মৃত ঘোষনা করেন।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজউদ্দিন খন্দকার বলেন, রাধানাথ দাসের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে আছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এব্যাপারে একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সাদুল্লাপুরে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে চাচা খুন

প্রকাশের সময়: ০৮:৪৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জুলাই ২০২৫

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার বসতভিটা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ভাই-ভাতিজাদের ছুরিকাঘাতে রাধানাথ দাস (৫৮) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৪ জুলাই) উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের দশলিয়া গ্রামের রায়পাড়ায় এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত রাধানাথ দাস ওই গ্রামের মৃত কার্ত্তিক চন্দ্র দাসের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, বড় ভাই নৃপেন চন্দ্র দাস ও খলিসা দাস গংদের সঙ্গে বসতভিটার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে রাধানাথ দাসের বিরোধ চলে আসছিল। এরই একপর্যায়ে শুক্রবার সকালের দিকে রাধানাথ দাস বাড়ির সামনে ছাগলকে ঘাস খাওয়াতে যায়। এসময় খলিসা দাস ও তার দুই ছেলে শঙ্খরাজ দাসসহ আরও অনেকে রাধানাথ দাসকে ছুরিকাঘাত করে রক্তাত্ত জখম করে। এ অবস্থায় তাকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে গাইবান্ধা আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাধানাথকে মৃত ঘোষনা করেন।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজউদ্দিন খন্দকার বলেন, রাধানাথ দাসের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে আছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এব্যাপারে একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।