রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খানসামায় পুকুরে মিলল নিখোঁজ কিশোরের মরদেহ

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর রানা ইসলাম নামে এক কিশোরের মরদেহ বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনাটি গতকাল ৬ জুলাই রবিবার সকালে উপজেলার ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নের গণি শাহ পাড়ায় ঘটেছে। নিহত রানা ইসলাম (১৫) উপজেলার ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নের গণি শাহ পাড়ার ওবায়দুল ইসলামের ছেলে।

নিহত রানার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ জুলাই শনিবার দুপুরে রানা তার বড়ভাই আমিনুরের সঙ্গে মাছ শিকার করে বাড়িতে ফিরে আসে। এরপর সে গোসল করতে যাওয়ার কথা বলে বের হয়ে গিয়ে আর বাড়িতে ফিরে আসেনি। অনেক খোঁজাখুজি করেও তার কোনো হদিস মিলেনি। পুকুরপাড়ে রানার টি-শার্ট পড়ে থাকতে দেখে সন্দেহ হয়। রবিবার সকালে ওই পুকুরে তার মরদেহ ভেসে উঠলে পরিবারের লোকজন তা দেখতে পান।

নিহত রানার পিতা ওবায়দুল ইসলাম বলেন, আমার স্ত্রী বলেছিল রানা গোসল করতে গেছে। আমরা আতœীয়-স্বজন ও পুকুরে তাকে খুঁজেছি। কিন্তু তাকে আমরা কোথাও খুঁজে পাইনি। আজ অর্থাৎ গতকাল রবিবার সকালে চোখের সামনে ছেলের মরদেহ পুকুরে ভেসে উঠতে দেখে আমরা ভেঙে পড়েছি।

কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, যে পুকুরে রানার মরদেহ পাওয়া গেছে সেই পুকুরে পানির গভীরতা কোমর পর্যন্ত। রানা সাঁতার জানতো। সে এ পুকুরে ডুবে যেতে পারে না। তাই তারা রানার এ মৃত্যুকে রহস্যজনক বলে দাবি করছেন।

খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজমূল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

খানসামায় পুকুরে মিলল নিখোঁজ কিশোরের মরদেহ

প্রকাশের সময়: ০৯:৩৫:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর রানা ইসলাম নামে এক কিশোরের মরদেহ বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনাটি গতকাল ৬ জুলাই রবিবার সকালে উপজেলার ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নের গণি শাহ পাড়ায় ঘটেছে। নিহত রানা ইসলাম (১৫) উপজেলার ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নের গণি শাহ পাড়ার ওবায়দুল ইসলামের ছেলে।

নিহত রানার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ জুলাই শনিবার দুপুরে রানা তার বড়ভাই আমিনুরের সঙ্গে মাছ শিকার করে বাড়িতে ফিরে আসে। এরপর সে গোসল করতে যাওয়ার কথা বলে বের হয়ে গিয়ে আর বাড়িতে ফিরে আসেনি। অনেক খোঁজাখুজি করেও তার কোনো হদিস মিলেনি। পুকুরপাড়ে রানার টি-শার্ট পড়ে থাকতে দেখে সন্দেহ হয়। রবিবার সকালে ওই পুকুরে তার মরদেহ ভেসে উঠলে পরিবারের লোকজন তা দেখতে পান।

নিহত রানার পিতা ওবায়দুল ইসলাম বলেন, আমার স্ত্রী বলেছিল রানা গোসল করতে গেছে। আমরা আতœীয়-স্বজন ও পুকুরে তাকে খুঁজেছি। কিন্তু তাকে আমরা কোথাও খুঁজে পাইনি। আজ অর্থাৎ গতকাল রবিবার সকালে চোখের সামনে ছেলের মরদেহ পুকুরে ভেসে উঠতে দেখে আমরা ভেঙে পড়েছি।

কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, যে পুকুরে রানার মরদেহ পাওয়া গেছে সেই পুকুরে পানির গভীরতা কোমর পর্যন্ত। রানা সাঁতার জানতো। সে এ পুকুরে ডুবে যেতে পারে না। তাই তারা রানার এ মৃত্যুকে রহস্যজনক বলে দাবি করছেন।

খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজমূল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।